August 13, 2019, 10:38 am

শিরোনাম :
দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ও দৈনিক আজকের সিরাজগঞ্জ পত্রিকার সম্পাদক, সিরাজগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো. জেহাদুল ইসলামের ওপর হামলা তালায় ঘুমন্ত স্বামী এসিড দগ্ধ:স্ত্রীকে আসামীকে করে মামলা পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ঈদ জামাত ঘিরে ডিএমপির রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ঈদের প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করেন ঈদের দুইটি জামাত বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত টুং টাং শব্দে মুখর ইসলামপুরের কামার পল্লী দিনাজপুরের বিরামপুরে শিক্ষকদের অবহেলায় অসুস্থ্য শিক্ষার্থী আজিমের মৃত্যুর ঘটনায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানালেন ছাত্রলীগ নেতা ইয়াসিন আল অনিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে ফুঠে উঠুক‘হাসির ঝিলিক’ নতুন পোষাক পেল জামালগঞ্জের শিশুরাও দেশবাসী কে পবাসি কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদের ঈদের শুভেচ্ছা

৮ জনের কাছে বিক্রি করা হয়, ধর্ষণ করতো ৩ জন

Spread the love

৮ জনের কাছে বিক্রি করা হয়, ধর্ষণ করতো ৩ জন

ডিটেকটিভ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তারা আমার শরীরে বিস্ফোরক লাগানো একটি আত্মঘাতী পোশাক পড়ায়। তারপর বলে ট্রিগার চেপে দিতে। ৪ বছর ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের হাতে বন্দী থাকা মারিয়াম এভাবেই বলছিলেন তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা। ২০১৪ সালে ইরাকের ইয়াজিদি গ্রামগুলোর দখল নেয় আইএস জঙ্গিরা। সেসময় ৬ হাজারের বেশি নারী ও শিশুকে বন্দী করে তারা- যাদের মধ্যে ছিল মারিয়াম ও তার মা। খবর বিবিসি। বিবিসিকে মারিয়াম বলেন আইএস যখন আমাকে বন্দী করে তখন আমার বয়স ১২, বলেন মারিয়াম। আমাকে আটজনের কাছে বিক্রি করা হয়। কিন্তু তাদের মধ্যে তিনজন আমাকে ধর্ষণ করতো, বাকিরা আমাকে দাসী হিসেবে ব্যবহার করতো। আইএস জঙ্গিদের হাতে বন্দী থাকা অবস্থাতে কথা বলায় সমস্যা তৈরি হয় মারিয়ামের। তাকে তার মায়ের কাছ থেকে আলাদা করে দেয়া হয়। ধরা পড়ার আগে আমার কথা বলতে কোনো সমস্যা হতো না। বন্দী থাকা অবস্থাতে এই সমস্যা শুরু হয়। মারিয়াম বলেন, আমি বহুবার আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু পরে মা’র সাথে দেখা হওয়ার পর আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন মারিয়াম। বন্দী থাকা অবস্থায় মা’র সাথে একবার আমার দেখা করার সুযোগ হয়েছিল। তখন মা’কে প্রতিশ্রুতি দেই যে আত্মহত্যার চেষ্টা করবো না। মারিয়াম পালিয়ে আসতে পারলেও তার মা’র এখনো কোনো খোঁজ নেই। মারিয়াম ও তার মায়ের সাথে হওয়া ভয়াবহ ঘটনার স্মৃতি এখনো তাড়িয়ে বেড়ায় মারিয়ামের বাবাকে। এমন যদি হতো যে আমার মৃত্যু হলে মারিয়ামের মা ফিরে আসতো, তাহলে সে মৃত্যুই ভালো হতো আমার জন্য, বলছিলেন মারিয়ামের বাবা। মারিয়ামকে আমি বলি যেন ঐ সময়ের (বন্দী থাকাকালীন সময়ের) স্মৃতি ভুলে যায়। সেসব স্মৃতি যত মনে করবে, ততই মানসিক কষ্ট বাড়বে। তবে বাবার সেসব কথা মারিয়ামের অতীতের দু:সহ স্মৃতি ভুলতে সাহায্য করে না। ইরাকে মারিয়ামের মত অনেক মানুষই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় জীবনযাপন করেন। গত ৪০ বছরে ইরাকে তিনটি বড় পরিসরের যুদ্ধ, একটি সামরিক অভ্যুত্থান ছাড়াও তথাকথিত ইসলামিক স্টেটের দু’টি অভ্যুত্থান এবং জঙ্গিবাদী মিলিশিয়াদের সাথে সরকার সমর্থিত বাহিনীর গৃহযুদ্ধ হয়েছে। এছাড়াও ইরাকে প্রায় এক দশক ধরে চলেছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর বিমান হামলা। প্রায় চার দশক ধরে এরকম একের পর এক সহিংস ঘটনার প্রভাব পড়েছে দেশটির মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর। ইরাকে প্রতি ৩ লক্ষ মানুষের জন্য মনোরোগবিদ বা মানসিক সমস্যার চিকিৎসক রয়েছে একজন।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ