April 2, 2020, 9:51 am

শিরোনাম :
প্রতি উপজেলার দুজনের নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় সাধারণ ছুটিতে ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করুন,আমাদের সঙ্গে নয়-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরান কাশ্মীরের বাসিন্দাদের সংজ্ঞা বদলে দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার যুক্তরাষ্ট্রে মহামারী করোনাভাইরাসে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড  প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস- পুলিশ সদস্যদের বিনয়ী হতে বললেন আইজিপি ড. জাবেদ পাটোয়ারী দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বেড়ে ৫৬ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভলান্টিয়ার দিয়ে কাজ চালানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কেশবপুরের সড়ক দূর্ঘটনায় আহত আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হাসপাতালে ২৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন একটি জরুরী ঘোষনা

৫০ হাজার কোটি টাকা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জি

Spread the love

ডিটেকটিভ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

কেন্দ্রের কাছে পাওনা ৪৯ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জি।বকেয়া টাকা পেলে রাজ্যের আরও উন্নয়ন করবেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মমতা।আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, কেন্দ্রের কাছে পাওনা ৪৯ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা বার বার চেয়েও পাচ্ছিল না রাজ্য।তাই এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখে সেই টাকা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।চার পাতার চিঠিতে মমতা জানিয়েছেন, সময়ে পাওনা না-পাওয়ায় রাজ্য চালাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। মোদিকে তিনি লিখেছেন, ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি। প্রাপ্য টাকা পেলে রাজ্যে আরও উন্নয়ন করব’।প্রধানমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের জন্য যে ৫০ হাজার কোটি টাকা চেয়েছেন মমতা, তার মধ্যে ২০১৯-২০২০ অর্থবর্ষের বাজেটে উল্লিখিত কেন্দ্রীয় করের অংশ হিসেবে প্রাপ্য ১১ হাজার ২১২ কোটি টাকা।কেন্দ্রীয় অনুদান বাবদ পাওনা ৩৬ হাজার কোটি টাকা। জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্যের ভাঁড়ারে ২৪০৬ কোটি টাকা আসার কথা।কেন্দ্রীয় প্রাপ্য করের টাকা প্রতি মাসের প্রথম দিনের বদলে ২০ তারিখে পাওয়ায় কোষাগারের নগদে টান পড়ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।কেন্দ্রীয় অনুদান বাবদ পাওনা ৩৬ হাজার কোটি টাকা দ্রুত বরাদ্দ করার জন্য লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। জিএসটি ক্ষতিপূরণের অক্টোবর-নভেম্বরের পাওনা টাকা কেন্দ্র দিয়েছে ফেব্রুয়ারিতে। এই খাতেও রাজ্যের প্রাপ্য ২৪০০ কোটি টাকা।অর্থ-কর্তাদের কেউ কেউ অবশ্য জানাচ্ছেন, কেন্দ্রীয় করের ৪২% রাজ্যের পাওয়ার কথা। ২০১৯-’২০ অর্থবর্ষে কর আদায় কম হওয়ায় রাজ্যের ভাগে টাকাও জুটেছে কম।কেন্দ্রীয় অনুদান বাবদ যে ৩৬ হাজার কোটি টাকা রাজ্যের পাওনা বলে দাবি করা হয়েছে, তার মধ্যে ২৩ হাজার কোটি টাকা ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ক্ষতিপূরণ বাবদ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণের প্রশ্নে কেন্দ্রের সঙ্গে মতপার্থক্য থাকায় সে টাকা পাওয়ার আশা কম।তবে জিএসটি ক্ষতিপূরণের দাবি ন্যায্য, দিল্লি তা দিতেও বাধ্য বলে জানাচ্ছেন অর্থ-কর্তারা।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২১ ফেব্রুয়ারী ২০২০/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ