June 4, 2020, 11:57 am

শিরোনাম :
মহামারী মরন ব্যাধী করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৫, সর্বমোট ৭৮১ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় বিএনপি থেকে আয়ামী লীগে যোগ দেয়া সেই আমিনুল ইসলাম ডেঙ্গুজ্বরে মৃত্যু টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব আদালতপাড়া পুকুরের চোরাবালি থেকে ২ গাভী উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস কক্সবাজারের চকরিয়ায় পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধকে এ কেমন নির্যাতন! বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার দড়িরচর খাজুরিয়া দাখিল মাদ্রাসার কেরানি ও মসজিদের ইমামকে জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্ছনা ঢাকা-বরিশাল নৌরুট: রোটেশনে উধাও স্বাস্থ্যবিধি মহামারী মরন ব্যাধী করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নেয়ার শঙ্কা মহামারী মরন ব্যাধী করোনায় বিপর্যস্ত অর্থনীতি জিডিপির গতি বৃদ্ধিই বড় চ্যালেঞ্জ আগামী তিন বছর ৮ শতাংশের উপরে প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য ভারতে রাস্তায় নামছে বেসরকারি বাস আগের ভাড়াতেই সুস্থ আছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আমি কেবলমাত্র আল্লাহকে জবাব দিতে বাধ্য – অভিনেত্রী জাইরা ওয়াসিম

হাসপাতালে খ্যাতিমান নির্মাতা রায়হান মুজিব

Spread the love

হাসপাতালে খ্যাতিমান নির্মাতা রায়হান মুজিব

ডিটেকটিভ বিনোদন ডেস্ক

নব্বই দশকে শাবানা, জসিম, আলমগীর, সোহেল চৌধুরী, সুনেত্রা, মান্না, রাজিবকে নিয়ে একের পর উপহার দিয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা রায়হান মুজিব। তার পরিচালিক ছবি ধারাবাহিক ভাবে সুপার হিট হয়েছে সেই সময়। নির্মাতা হিসেবেও বেশ খ্যাতি পেয়েছিলেন তিনি। মন খারাপের খবর হলো বাংলা চলচ্চিত্রের সেই জনপ্রিয় নির্মাতা রায়হান মুজিব হাসপাতালে। জানা গেছে, সম্প্রতি গল ব্লাডারের সমস্যা নিয়ে মুজিব রাজধানীর উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়েছে তিনি। বর্তমানে গ্যাস্ট্রোলজি বিভাগের প্রফেসর ডা. মহিবুর রহমানের অধীনে চিকিৎসাধীন আছেন মুজিব। হাসপাতালটির দশম তলায় একটা কক্ষে রোগের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছেন তিনি। রায়হান মুজিব সর্বশেষ ২০১০ সালে ‘জগৎ সংসার’ ছবিটি নির্মাণ করেন। তার অধিকাংশ ছবি জ্যামস গ্রুপের প্রযোজনায় নির্মিত। শুরুটা করেছিলেন অ্যাকশন তারকা জসিমকে নিয়ে। তাকে নিয়ে ‘হিরো’ সিনেমা নির্মাণ করে প্রথম ছবিতেই সাড়া ফেলেন। এরপর একে একে করেন ‘ভাইজান’, ‘কাজের বেটি রহিমা’, ‘অগ্নিপুরুষ’, ‘আত্ম অহংকার’, ‘প্রেম প্রীতি’, ‘রাজা গুণ্ডা’, ‘আখেরি মুকাবিলা’, ‘হিংসার আগুন’, ‘তেজী সন্তান’ প্রভৃতি। হাসপাতলের বেডে শয্যাশায়ী রায়হান মুজিব বলেন, ‘অনেকদিন ধরেই গল ব্লাডারে সমস্যা হচ্ছিল। এটি যে বড় সমস্যা সৃষ্টি করেছে সেটা বুঝতে পারি নি। কতদিন হাসপাতালে থাকতে হয় সেটা এখনও বলতে পারছি না। তারা বলছে এখন আমার পর্যবেক্ষণ চলছে। অবস্থা বুঝে ছয় মাস পর অপারেশানে যাবে। আমি সবার কাছে দোয়া চাই। এ সময় দোয়া ছাড়া আর কিছুই চাওয়ার নাই।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ