October 11, 2019, 10:56 am

শিরোনাম :
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজারহাটকে পদোন্নতি জনিত বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান- বোয়ালমারীতে আ’লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ আহত চার আটক তিন ঝিনাইদহে র‌্যাবের অভিযানে অপহৃতকে উদ্ধার, অপহরনকারী চক্রের নারী সদস্যসহ আটক-৩ ঘুষের টাকা সহ ঝিকরগাছায় সাব-রেজিস্ট্রারের সহকারি আটক বগুড়ার সদরের গোকুলে শহীদ মিনার স্থানান্তর করতে গিয়ে নিচে চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া… বগুড়ার ধুনটে দুই নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার বগুড়া সদরের আশোকোলা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ৪র্থ তলা একাডেমী ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন মা ইলিশ রক্ষায় গভীর রাতে পুলিশ সুপারের অভিযান, কারেন্ট জাল জব্দ শিবগঞ্জে মেহেরাব ট্রেডার্সে অগ্নিকান্ডে অর্ধ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন আইনি সেবা দিয়ে প্রমান করে দিতে চাই পুলিশ জনগনের বন্ধু -মো. আনিচুজ্জামান সহকারী পুলিশ সুপার

হালনাগাদ তথ্য দিলে দারিদ্র্যের চিত্র আরও উন্নত হতো: অর্থমন্ত্রী

Spread the love

হালনাগাদ তথ্য দিলে দারিদ্র্যের চিত্র আরও উন্নত হতো: অর্থমন্ত্রী

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

বিশ্বব্যাংক এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। যার বেশিরভাগই সম্ভব হয়েছে শ্রম আয় বৃদ্ধির কারণে। ফলে ২০১০ থেকে ২০১৬- এই ছয় বছরে দেশের ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হয়েছেন। কিন্তু এটাকে পুরনো তথ্য বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের দারিদ্র্য নিয়ে বিশ্বব্যাংক পুরাতন তথ্য দিয়েছে। হালনাগাদ তথ্য দিলে দারিদ্র্যের চিত্র আরও উন্নত হতে পারতো। কেননা, দারিদ্র্য বিমোচনে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষি আধুনিক হচ্ছে। বাংলাদেশে ওয়ার্কিং পপুলেশনও শক্তিশালী। গতকাল সোমবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ পোভার্টি অ্যাসেসমেন্ট’ নামে বিশ্বব্যাংকের একটি রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রচেষ্টায় ২০৩০ সাল নাগাদ দারিদ্র্য থাকবে না। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি, এখন স্বাভাবিক নিয়মেই প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের উপরে। আমরা এতদিন অনেক বিনিয়োগ করেছি, বিশেষ করে অবকাঠামো খাতে। অবকাঠামোর একটা ফিজিক্যালি ও অন্যটি ননফিজিক্যালি বিনিয়োগ। ননফিজিক্যালি যেমন- শিক্ষাখাতে অনেক বিনিয়োগ করেছি। আমরা মানবসূচক উন্নয়নেও বিনিয়োগ করেছি। এসবের আউটপুট পেতে থাকবো। আমরা ফিজিক্যালি যেমন- পদ্মাসেতু প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছি। শুধু পদ্মাসেতু এক শতাংশ প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেবে। আমি আশ্বস্ত করেছি প্রবৃদ্ধি ডাবল ডিজিটে পৌঁছাবে। ৮ দশমিক ৩০ থেকে ১০ শতাংশে যাবে প্রবৃদ্ধি। তখন দারিদ্র্য আরও কমবে। তিনি এও বলেন, ইতোমধ্যে যারা দারিদ্র্যমুক্ত হয়েছেন, তারা আর গরিব হবেন না। সে সুযোগ নেই। তারা সামনের দিকে এগোবেন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা ১০০টি ইকোনমিক জোন করছি। ১০ বছরে ১০ মিলিয়ন মানুষের কর্মসংস্থান হবে। সামাজিক নিরাপত্তা কঠোর হচ্ছে। আমরা শিক্ষায় বেশি নজর দিচ্ছি। বর্তমানে আমরা ৩১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। ২০২৮ সালে ২৭তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবো। দারিদ্র্য বিমোচনে সরকার সঠিক পথেই রয়েছে বলে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশ থেকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করতে রীতিমতো যুদ্ধ চালাচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে। মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমাদের হতদরিদ্রের সংখ্যা ১০ শতাংশের নীচে নেমে এসেছে। কিন্তু দারিদ্র্য সীমা এখনও ১৯-২০ শতাংশে ঘুরাঘুরি করছে। তবে এ হার নামিয়ে আনতে সরকার নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত দেশে ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠে এসেছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকার দারিদ্র্য দূরীকরণে সামাজিক নিরপাত্তা বেষ্টনির আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি দারিদ্র্য প্রবণ নির্দিষ্ট এলাকা ও দরিদ্র গ্রুপকে টার্গেট করে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তাই দারিদ্র্য দূরীকরণে আমরা দৃঢ় আশাবাদী। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন, বিশ্বব্যাংকের অর্থনীতিবিদ মারিয়া ইউজেনিয়া জেননি, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম প্রমুখ।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ