May 29, 2020, 12:13 am

শিরোনাম :
১ দিনে শরীয়তপুর জেলায় নতুন করে করোনা সনাক্ত ৩৬ জন রংপুরের গঙ্গাচড়া উন্নয়ন পরিষদের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন হামরকোনা বয়েজ ক্লাবের সার্বিক সহায়তায়” লোটন ইউ.কে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরন আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ্যদের পাশে সেনাবাহিনী মাঠ পরিক্রমা বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারিতে নিরবে মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন নৌকার সর্মথক গোষ্ঠীর সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ রবি কুয়াকাটায় মেয়েকে বাল্যবিয়ে দিতে বাবার চাপ সৃষ্টি বোয়ালমারীতে আ’লীগের মধ্যে পৃথক ৫টি সংঘর্ষে ভাংচুর লুটপাট আহত ৫০ আটক ১০ “জাগো মানবতা” ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোঃ হাছান ও সাধারন সম্পাদক মোঃ ফয়সাল নির্বাচিত চৌদ্দগ্রামের এক ব্যক্তির করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি,অভিযোগ যৌতুকের দাবী !

সড়ক, রেল ও নৌপথে বাড়ি ফিরছে অসংখ্য মানুষ; ফাঁকা হচ্ছে ঢাকা

Spread the love

সড়ক, রেল ও নৌপথে বাড়ি ফিরছে অসংখ্য মানুষ; ফাঁকা হচ্ছে ঢাকা

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে বাড়ি ফিরছে দেশের নানা প্রান্তে থাকা কর্মজীবী মানুষ। সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীরা বাড়ি ফিরছেন। ভিড় করছেন বিভিন্ন টার্মিনাল ও স্টেশনে। লঞ্চ, স্টিমার, বাস ও ট্রেনগুলো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। অনেকে আকাশপথেও বাড়ি ফিরছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানী ত্যাগ করতে বিভিন্ন স্টেশন ও বন্দরে ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। এরমধ্যে মহাখালী, গাবতলী, গুলিস্তান ও সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এবং কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরে ফেরা মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। ফলে ব্যস্ত রাজধানী ক্রমেই ফাঁকা হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার সকালে সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সব রাস্তা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক ফাঁকা। সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকার লোকজন পরিবার পরিজন নিয়ে কেউ বাস, কেউ ট্রেন আবার কেউবা লঞ্চ টার্মিনালের দিকে ছুটছেন। অন্য সময় ছুটির দিনেও রাস্তাঘাটে হাজার হাজার মানুষের ভিড় থাকলেও গতকাল শুক্রবার সেই ভিড় ছিল না। রাজধানীতে প্রতিদিন গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য বাসে উঠতে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হলেও শুক্রবারের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। বিভিন্ন স্টপেজে বাসের হেল্পাররা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে যাত্রী তুলছিলেন।

অধিকাংশ বাসের সিট ছিল ফাঁকা। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকায় ভিআইপি সড়কে রিকশা চলাচল করতে দেখা যায়। প্রায় প্রতিটি রাস্তা ফাঁকা থাকায় প্যাডেল ও ব্যাটারি চালিত রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কারও ছোট বড় বাস দ্রুত গতিতে গন্তব্যে ছুটছিল। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় শাহবাগে দেখা যায় চিরচেনা সেই দৃশ্যটি নেই। শত শত মানুষ দাঁড়িয়ে থাকা, একটি বাস আসতে দেখলেই যাত্রীদের হুড়োহুড়ি করে ছুটে বাসে উঠার চেষ্টা করা, বাস আগে থেকে যাত্রী পরিপূর্ণ থাকায় তা দ্রুত বেগে চলে যাওয়া এ সবই অনুপস্থিত। এ সময় বেশ কয়েকটি বাসের হেল্পারকে ‘এই সাইন্স ল্যাবরেটরি, কলাবাগান, কল্যাণপুর, গাবতলী’ বলে চিৎকার করে প্যাসেঞ্জার ডাকাডাকি করতে দেখা যায়। গুলিস্তান- গাবতলী রুটের মৈত্রী সিটি সার্ভিস বাসের হেল্পার সুমন জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকেই বাসের যাত্রী কমতে শুরু করেছে। আগে গুলিস্তান থেকে শাহবাগ পর্যন্ত আসতে ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা লাগলেও রাস্তা ফাঁকা থাকায় আজ ৫ মিনিটেরও কম সময়ে শাহবাগ পৌঁছেছে। ডেমরা সানারপাড়ের বাসিন্দা নাসিমুল হাসান নামের এক বাস যাত্রী জানান, মোহাম্মদপুরে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পৌঁছাতে প্রতিদিন তাকে যুদ্ধ করে বাসে উঠতে হয়। কিন্তু আজ (গতকাল শুক্রবার) বাসে যাত্রী সংখ্যা খুবই কম। তাই এক সিটে বসে আরাম করে গন্তব্যে যাচ্ছেন বলে জানান। ঈদে বাড়ি ফিরতে গাবতলী বাস টার্মিনালে গত বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে বিভিন্ন পরিবহনের বাসের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীর সংখ্যা বেড়েই চলছিল। কারণ তুমুল বৃষ্টিতে বাইপাইল, সাভারসহ বিভিন্ন স্থানে তীব্র যানজটে ফিরতি বাস আটকে ছিল। গতকাল শুক্রবার সকালেও দেখা গেছে ব্যাপক ভিড়। এর পরও গত বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টি মাথায় করেই রাজধানীর সব বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঈদে বাড়ি ফেরা যাত্রীর ঢল নামে। ঈদুল আজহার আগে সর্বশেষ কর্মদিবস শেষে গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে এই ভিড় ছিল উপচে পড়া। অপেক্ষার প্রহর গুনে, প্রচণ্ড ভিড় ঠেলে বাসে, ট্রেনে উঠতে হয়েছে বাড়ি ফেরা মানুষকে। সদরঘাটে রাতের লঞ্চ ধরতে ভিড় উপচে পড়ছিল বিকেল থেকেই। বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল এবং রেলস্টেশনে যেতে বাসা থেকে রওনা হয়ে মিরপুর-১, মিরপুর-১২, পল্লবী, কালশী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে প্রচণ্ড যানজটে আটকা পড়ে যাত্রীরা। অনেকে গণপরিবহন না পেয়ে হেঁটেই গন্তব্যে ছুটতে থাকে। দুপুর আড়াইটায় টেকনিক্যাল মোড়ে বৃষ্টিতে ভিজেই গন্তব্যে ছুটছিলেন নাবিল আহমেদ। তিনি জানালেন, পটুয়াখালী যাওয়ার বাস ছাড়বে ৩টায়। এর আগেই পৌঁছতে হবে টার্মিনালে। মহাখালী, সায়েদাবাদ ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনালে যাত্রীদের ভিড় ক্রমে বাড়তে থাকে। এসব টার্মিনালে পৌঁছতে যাত্রীদের রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয় বৈরী আবহাওয়ার সঙ্গে।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ