November 16, 2019, 4:19 am

শিরোনাম :
পেঁয়াজের সিন্ডিকেট চিহ্নিতের চেষ্টা চলছে -সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ যশোর সদর উপজেলা ও শহর আওয়ামীলীগের সম্মেলন খতিয়ে দেখা হচ্ছে ট্রেন দুর্ঘটনায় নাশকতা আছে কিনা – রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন আজ জাতীয় সম্মেলন,স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্বেও নতুন মুখ র‌্যাব-৫ এর অভিযানে ৫০৫ বোতল ফেন্সিডিল ১টি প্রাইভেট কারসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রাজশাহী কলেজ অডিটোরিয়ামকে ‘শহীদ দুলাল’ নামে নামকরণের দাবি পেঁয়াজ আমদানিতে এখন কোনও শুল্ক নেই: অর্থমন্ত্রী নিজের ভাতা দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামে আ. লীগে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা যাচাই-বাছাই হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

স্কুলছাত্রী রিশা হত্যায় ওবায়দুলের মৃত্যুদন্ড

Spread the love

স্কুলছাত্রী রিশা হত্যায় ওবায়দুলের মৃত্যুদন্ড

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

 

রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যা মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুল হককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এই রায় দেন। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুল দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মীরাটঙ্গী গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে। তিনি রাজধানীর ইস্টার্ন মল্লিকা শপিং মলে বৈশাখী টেইলার্স নামের একটি দর্জির দোকানের কর্মচারী ছিলেন। এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে গত ১১ সেপ্টেম্বর। ওই দিনই আদালত রায়ের জন্য ৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেছিলেন। তবে সেদিন আসামি ওবায়দুলকে হাজির না করায় আদালত রায়ের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন। পুরান ঢাকার সিদ্দিক বাজারের ব্যবসায়ী রমজান হোসেনের ১৪ বছর বয়সী মেয়ে রিশা রাজধানীর কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়তো। ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট দুপুরে স্কুলের সামনে ফুটওভার ব্রিজে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। চারদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যায় সে। এদিকে হামলার দিনই রিশার মা তানিয়া বেগম বাদী হয়ে রমনা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় এবং দণ্ডবিধির ৩২৪/৩২৬/৩০৭ ধারায় হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর আঘাতের অভিযোগে একটি মামলা করেন। রিশা মারা যাওয়ার পর এটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়। মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ঘটনার পাঁচ-ছয় মাস আগে রিশা ও তার মা তানিয়া ইস্টার্ন মল্লিকা মার্কেটে বৈশাখী টেইলার্সে কাপড় সেলাই করাতে যান। তখন রিশার মা ওই দোকানের রসিদের রিসিভ কপিতে মোবাইল নম্বর দিয়ে আসেন। ওই টেইলার্সের কর্মচারী ওবায়দুল রিসিভ কপি থেকে নম্বর নিয়ে রিশাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিরক্ত করতেন। রিশার মা এ বিষয়ে ওবায়দুলকে সতর্ক করেন। ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট রিশা ও তার সহপাঠী মুনতারিফ রহমান রাফি পরীক্ষা শেষে কাকরাইল ওভারব্রিজ পার হওয়ার সময় ওবায়দুল আবারও প্রেমের প্রস্তাব দেয়। রিশা তা প্রত্যাখ্যান করলে ওবায়দুল তাকে ছুরিকাঘাত করে। হত্যাকাণ্ডের পর রিশার সহপাঠীদের বিক্ষোভের মধ্যে ৩১ অগাস্ট নীলফামারীর ডোমার থেকে গ্রেফতার করা হয় ওবায়দুলকে। মামলার তদন্ত শেষে রমনা থানার পরিদর্শক আলী হোসেন ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর ওবায়দুলকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। এতে রিশার চার সহপাঠীসহ ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়। ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল আদালত অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামি ওবায়দুলের বিচার শুরুর আদেশ দেন। বাদীপক্ষের ২৬ সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত ১১ সেপ্টেম্বর এই মামলার বিচার কাজ শেষ হয়।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ