November 22, 2019, 7:22 am

শিরোনাম :
দেশ ও জাতির কল্যানার্থে র‌্যাব-৫ এর সফলতা সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক ডিআইজি মাহ্ফুজুর রহমান পুলিশের পৃথক ৩টি অভিযানে রাজশাহীর তানোরে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী ও নারী মাদক ব্যাবসায়ীসহ আটক ৩ র‌্যাব-৫, এর অভিযানে অস্ত্র, বিপুল পরিমান ইয়াবা ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার লালপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান গাইবান্ধায় কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য, কৃষক বান্ধব কৃষি ব্যবস্থা ও ভর্তুকি সহায়তা নিশ্চিতকরণে প্রচারাভিযান রাজারহাটে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক গণশুনানি বগুড়ার ধুনটে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা বাস্তবায়ন না হলে মৃত্যু থামবে না -নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের তালিকায় ১৫৯ জন পূর্ণা নগরের রাস্তা পরিদর্শনে চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ 
শফিকুল ইসলাম। (ফাইল ছবি)

সেই শফিকুল,অধরা রনি অবশেষে কারাগারে

Spread the love

মোহাম্মদ ইকবাল হাসান সরকারঃ

শফিকুল ইসলাম। (ফাইল ছবি)

প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়ের অভ্যন্তরে চাকরি প্রদানের নামে প্রতারণাকারী সংঘবদ্ধ চক্রের মূল হোতা শফিকুল ইসলাম শেষ পর্যন্ত শ্রীঘরের বাসিন্দা হয়েছেন। চতুর্থ শ্রেণির এ কর্মচারী ফরাশ শাখায় পিয়ন পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন। গত ২৯ অক্টোবর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। সেই থেকে শফিকুল কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে গত রবিবার আদালতের কাছে তার ৫ দিনের রিমান্ড চেয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।গত ২৯ আগস্ট আমাদের সময়ে প্রকাশিত হয় ‘বিকালে পিয়নই সচিব’ শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। এতে চাকরিদাতা প্রতারকচক্রের সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটে সচিবালয়ে কর্মরত চতুর্থ শ্রেণির কিছু কর্মচারীর সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে। অফিসের কর্মঘণ্টা শেষ হওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যখন সচিবালয় ছাড়েন, তখন তাদের কক্ষে তাদেরই চেয়ারে বসে সচিব পরিচয়ে শুরু হয় এসব প্রতারকের ‘অফিস’! বছরের পর বছর ধরে চলা ভয়াবহ এ অপরাধ কর্মকা- উঠে আসে প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনটি যেদিন প্রকাশ হয়, সে দিনই কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় প্রতারক চক্রের মূল হোতা ফরাশ মো. শফিকুল ইসলামকে। প্রতারকচক্রের সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট শনাক্তে তদন্ত কমিটি গঠন করে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বাংলাদেশ সচিবালয়ের পিডব্লিউডি ডিভিশন। এদিকে থানা পুলিশে হওয়া মামলাটির তদন্তভার হস্তান্তর করা হয় অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি)।চাকরির নামে টাকা নিয়ে প্রতারণা করার দায়ে একেএম মোসলেহ উদ্দিন নামে এক ভুক্তভোগীর করা মামলার আসামি হিসেবে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মাগুরার শাহিনুর কাদির সুমন ওরফে পালসার সুমন। সম্প্রতি জামিনে এসে সুমন মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন মামলার বাদীকে। এ বিষয়ে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর- ১১১৯) করেছেন প্রতারণার শিকার মিরপুরের বাসিন্দা মোসলেহ উদ্দিন।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মহানগর পশ্চিমের মিরপুর ইউনিটের এসআই মো. সাখাওয়াত হোসেন আমাদের সময়কে বলেন, চাকরিদাতা প্রতারকচক্রের সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটে সচিবালয়ে কর্মরত একাধিক কর্মচারী জড়িত বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এদিকে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের অন্যতম সদস্য পালসার সুমনের বড় ভাই মাহাবুবুল কাদির সাগরও ধরা পড়েননি। এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন- ঘটনায় জড়িত অন্যতম প্রতারক সচিবালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (অস্থায়ী) কেএম মোর্তুজা আলী রনিও। ফলে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়ে আছেন বাদী। তিনি গতকাল বুধবার আমাদের সময়কে জানান, তিনি প্রত্যাশার সঙ্গে আদালতের রায়ের জন্য অপেক্ষায় আছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ প্রতারক চক্রের সবাইকে গ্রেপ্তার করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে, বিশ্বাস এ ভুক্তভোগীর।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৭ নভেম্বর ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ