September 18, 2019, 5:51 pm

শিরোনাম :
পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে কুমিল্লায় জেলা পুলিশের মাসিক কল্যান সভা অনুষ্ঠিত মোংলা বন্দর রুপ নিতে যাচ্ছে গোল্ডেন বন্দরে পুলিশকে জনগণের বন্ধু হয়ে আন্তরিক ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে কাজ করে যেতে বললেন প্রধানমন্ত্রী বড়াইগ্রামে ১০টাকা কেজির চাউল বিতরণের উদ্বোধন এমপি কতৃক নৌকা বিরোধীর মাঝে সরকারি টিন বিতরণ প্রতিহত করলেন শিবগঞ্জ আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠন চৌদ্দগ্রামে সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে প্রভাবশালী গোয়াইনঘাট ভেটেরিনারি হাসপাতাল পরিদর্শনে ভাইস চেয়ারম্যান কয়েছ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সাথে সৃষ্টি হিউম্যান রাইট’স এর কর্মকর্তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ রৌমারীতে বাসে ইয়াবাসহ দুই যাত্রী আটক বেরিয়ে আসল থলের বিড়াল! রাজশাহী পুঠিয়া থানার সদ্য প্রত্যাহার কৃত ওসি সাকিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের বিচারিক তদন্তের নির্দেশ

সুনামগঞ্জে ১৬ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ আটক ১

Spread the love

হাবিব সরোয়ার আজাদ,সিলেট:

সুনামগঞ্জ মল্লিকপুর খেয়াঘাট থেকে সাড়ে ১৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা সহ সালমান

হোনে নামে এক মাদক চোরাকারবারীকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৯।,জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রবিবার রাতে আলামতসহ তাকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।সালমান সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের মৃত ছমর উদ্দিনের ছেলে।রবিবার রাতে র‌্যাব-৯ সিলেটের মিডিয়া সেল যুগান্তরকে গুমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, র‌্যাব-৯ সিপিসি-৩ সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের একটি টহল দল কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার ফয়সাল আহমদের নেতৃত্বে সদর উপজেলার মল্লিকপুর খেয়াঘাট থেকে রবিবার ভোররাতে সালমানকে আটক করে।পরে তার হেফাজতে থাকা বস্তাভর্তি ১৬ কেজি ২’শ গ্রাম ভারতীয় গাঁজা জব্দ করা হয়।র‌্যাবের দাবি জব্দকৃত গাঁজার মুল্য প্রায় ১ রাখ ৬২ হাজার টাকা।সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. সহিদুর রহমান জানান, থানায় আলমত সহ মাদক ব্যবসায়ীকে সোপর্দ করার পর রাতে র‌্যাবের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সীমান্তের বিদেশি মদের ডিলার কামরুল কারাগারে!
হাবিব সরোয়ার আজাদ,সিলেট:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক চোরাচালানী ও বিদেশি মদের ডিলার কামরুজ্জামান ওরফে কামরুল আটকের পর আদালত তাকে জেলা করাগারে পাঠিয়েছেন।গত রবিবার সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে থানা পুলিশ তাকে সোপর্দ করলে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে জেলা কারাগারে প্রেরণনের আদেশ প্রদান করেন।রবিবার রাতে তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান সীমান্তের ওই শীর্ষ মাদক চোরাচালনীকে জেলা করাগারে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।প্রসঙ্গত, উপজেলার ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প বাজার থেকে শনিবার তাকে আটক থানা পুলিশ আটক করে।,
সে উপজেলার শ্রীপুর উওর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী লাকমা নতুনপাড়ার দুলু মিয়ার ছেলে।,পুলিশ জানায়, থানার এসআই হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে ট্যাকেরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির একটি চৌকস টিম ট্যাকেরঘাট বাজার থেকে সীমান্তের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক চোরাচালানী, বিদেশি মদের ডিলার ও মাদক মামলার পলাতক আসামী কামরুলকে আটক করেন।,স্থানীয় সীমান্তবাসীর অভিযোগ, এক সময় সীমান্তের কয়লা ও পাথর চোরাচালানে জড়িত থাকলেও বর্তমানে বেকার কামরুলের গত ৪ থেকে ৫ বছর দৃশ্যমান কোন আয়ের উৎস না থাকলেও লাকমা সীমান্ত এলাকার সামছু, আব্দুর নুর, আব্দুর নুরের স্ত্রী, আক্কাছ, আশিকনুর, বালিয়াঘাটার সুরুজ,বজলু,দুধের আউটার বড় আঙ্গুরী,কাউকান্দির ফয়েজ ওরফে ফজুর মাধ্যমে ভারতীয় মদ.গাঁজা ইয়াবার চালান ওপার থেকে নিয়ে এসে বিভিন্ন এলাকায় গোপনে সাব এজেন্ট নিয়োগ দিয়ে মাদকের রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছিল।
পুলিশ আরো জানায়, বজলু, আক্কাছ, আশিকনুর, বড় আঙ্গুরী, ফজু সহ মাদক সরবরাহে থাকা অধিকাংশ সাব এজেন্টদের বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা বিচারধীন রয়েছে।রবিবার রাতে সীমান্তের একাধিক লোকজন জানান, কামরুল কারাগারে যাওয়ায় সীমান্তের নিরীহ লোকজনের মধ্যে বেশ কিছুটা স্বস্থি যুব সমাজের অভিভাবক মহলে সীমান্ত লাগোয়া নিজস্ব বাড়ি ও প্রভাবশালী দাঙ্গাবাজ পরিবারের ছেলে হিসাবে কামরুল তার মাদক ব্যবসার প্রসার ঘটনাতে গিয়ে গত দু’বছরের অধিক সময় ধরে টাঙ্গুয়ার হাওর, ট্যাকেরঘাটে আসা বেশ কিছু পর্যটকবাহী নৌকার মালিক, মাঝি সুকানীদের সাথে আতাত করে পর্যটকদের নিকট বিদেশি মদ , গাঁজা ও ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিলো।তাহিরপুর থানার মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই হুমায়ুন কবির জানান, শুক্রবার রাতে ট্যাকেরঘাট নৌকাঘাটে টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকবাহি ট্রলার (নৌকা)’র মালিক আশরাফুল ইসলামের হেফাজত থেকে কার্টন ভর্তি বিদেশি মদ আটককালে পাশে থাকা তালিকাভুক্ত মাদক চোরাচালানী কামরুল থানা পুশিলের সামনেই কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ,
সুনামগঞ্জে একই দিনে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু!
হাবিব সরোয়ার আজাদ,সিলেট:
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় রবিবার পৃথক তিন স্থানে পানিতে ডুবে তিন শিশুর অকাল মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।এমন মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত শিশুদের শোকাহত পরিবার সহ গোটা উপজেলা জুড়ে গভীর শোক বিরাজ করছে।রবিবার সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে শিশুদের একের পর এক মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটেছে। রবিবার রাতে ধর্মপাশা থানার ওসি মো. মো. এজাজুল ইসলাম জানান, উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের নওধার গ্রামের খোকন মিয়ার তিন বছরের শিশুপুত্র সাব্বির মিয়া রবিবার সকালে নিজ বাড়ির সামনে ডোবার পানিতে পড়ে নিখোঁজ হয়। পরে পরিবার ও গ্রামবাসী ডোবা থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেন।একই দিন বেলা ১০টার দিকে একই গ্রামের সবুজ মিয়ার সাত বছর বয়সী শিশু পুত্র ইয়াসিন মিয়া বাড়ির সামনের ডোবায় গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে গ্রামবাসী ডোবা থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেন।অপরদিকে রবিবার দুপুরে উপজেলার মধ্যনগর থানার চামরদানি ইউনিয়নের সোলেমানপুর গ্রামের মঞ্জু সরকারের আড়াই বছরের শিশুপুত্র অভিজিৎ সরকার দুপুরে মনাই নদীর পানিতে ডুবে মৃত্যু বরণ করে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/০২ সেপ্টেম্বর ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ