January 17, 2020, 6:22 am

শিরোনাম :
পুলিশের বিশেষ অভিযানে রাজশাহীর তানোরে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ১৮ নকল র‌্যাব ধরা খেল আসল র‌্যাবের হাতে দুই বছরে বেনাপোল সীমান্তে ১২৫ কেজি সোনা জব্দ মৌলভীবাজারে দুই কলেজ ছাত্রীকে গনধর্ষনের প্রতিবাদে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ চৌদ্দগ্রামে আলো ব্লাড ডোনেশন ক্লাবের কমিটি গঠন সুন্দরগঞ্জে শিক্ষককে মারপিটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ: আটক ২ গোয়াইন-জৈন্তার একাধিক মাদরাসা ছাত্রাবাসে বৃহত্তর জৈন্তা উন্নয়ন সংগ্রামের কম্বল বিতরণ গাবতলীতে শিক্ষা সামগ্রী বিতরন করলেন আলোর সন্ধানী সমাজ কল্যাণ পরিষদ চিলমারীতে টিডিএইচ ফাউন্ডেশনের প্রগ্রেস রিভিউ মিটিং অনুষ্ঠিত

সাত হাঁড়ি সম্পদের লোভ দেখানো ‘জিনের বাদশা’

Spread the love

সাত হাঁড়ি সম্পদের লোভ দেখানো ‘জিনের বাদশা’

গাইবান্ধায় স্বর্ণালংকারসহ সাড়ে ছয় লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক আটক

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক              

 

গাইবান্ধায় মোবাইলে ফোন করে সাত হাঁড়ি সম্পদ দেওয়ার লোভ দেখিয়ে স্বর্ণালংকারসহ সাড়ে ছয় লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কথিত ‘জিনের বাদশাকে আটক করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার রাতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গন্ধববাড়ি খামার এলাকা থেকে রফিকুল ইসলাম নামের ওই জিনের বাদশাকে আটক করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাটোর ডিবি পুলিশের ওসি আবদুল হাই বলেন, রফিকুল ইসলাম নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পিপরুল গ্রামের আশরাফুল ইসলাম বাবুলের কাছে ফোন করে নিজেকে জিনের বাদশা বলে পরিচয় দেন। পরে প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন সময় বাবুলের কাছ থেকে প্রায় ছয় লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। ওসি আরো জানান, প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে রফিকুলের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন বাবুল। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রফিকুলকে আটক করা গেলেও তাঁর সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পলাতক ব্যক্তিরা হলেন মনোয়ারুল ইসলাম, কানু ও শাহিন। পুলিশের কাছে অভিযোগকারী বাবুল বলেন, একদিন রাতে তাঁর কাছে একটি ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে জিনের বাদশা বলে পরিচয় দেওয়া হয়। ‘আল্লাহ পাকের মাজার থেকে তিনি ফোন করেছেন বলে জানানো হয় বাবুলকে। বাবুল জানান, ফোনে তাঁকে বলা হয়, মাজারে সাত হাঁড়ি সম্পদ রয়েছে। চারটি নিয়ম মানলে বাবুল সেগুলো ভোগ করতে পারবেন। এক. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে, দুই. ফকির-মিসকিনদের দান করতে হবে, তিন. গরিবদের ঘৃণা করা যাবে না ও ৪. ‘আল্লাহ পাকের মাজার পাক-পবিত্র রাখতে হবে। ওই চার নিয়ম মানতে রাজি হলে বাবুলের সঙ্গে দেখা করতে যান রফিকুল। তিনি বলেন, মানুষের রূপ নিয়ে দেখা করতে এসেছেন তিনি। এ সময় তিনি বাবুলকে দুটি মুরগি ও একটি জায়নামাজ দেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে ফোনের মাধ্যমে মাজারে ফকির-মিসকিনদের খাওয়ানো, হাঁড়ির দলিল করানোর জন্য সৌদি আরবে উট কোরবানি দেওয়াসহ বিভিন্ন কাজের জন্য তাঁর কাছ থেকে স্বর্ণালংকারসহ ছয় লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন রফিকুল।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ