July 20, 2019, 10:52 pm

শিরোনাম :
র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাদক বিরোধী আভিযান; ২০ জনকে জেল-জরিমানা র‌্যাব-৫ এর অভিযানে হ্যাকার ও ব্যাকম্যাইলার ১জন আটক নিভে যাচ্ছে সাদিয়ার জীবন প্রদীপ টাকার অভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে প্রিয়া সাহাকে আইনি প্রক্রিয়ায় আনতে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে গৃহবধূকে এসিড নিক্ষেপ করেছে দুর্বূত্তরা এসবিসির বকেয়া পরিশোধে নন-লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানিগুলোর গড়িমসি বিএনপি রাস্তায় নেমেছে : দুদু হোয়াইট হাউজে প্রিয়া সাহার বক্তব্য তার নিজস্ব: রানা দাশগুপ্ত পল্লীবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে বন্যা দুর্গতদের পাশে থাকব : জি এম কাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি : প্রিয়া সাহার উদ্দেশ্য প্রণোদিত অভিযোগ রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

সংসদে গান্ধীদের মিছিল

Spread the love

সংসদে গান্ধীদের মিছিল

ডিটেকটিভ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গোয়া এবং কর্ণাটকে কংগ্রেসের বিপুল সংখ্যক নির্বাচিত আইনপ্রণেতা দল ছেড়ে ক্ষমতাসীন বিজেপিতে যোগ দেয়ায় সংসদ প্রাঙ্গণে মিছিল করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী ও তার মা সোনিয়া গান্ধী। তাদের অভিযোগ, বিজেপি তাদের দলীয় সংসদ সদস্যদের ফুঁসলিয়ে নিজেদের দলে নিয়ে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে গোয়ায় কংগ্রেসের অধিকাংশ আইনপ্রণেতা দল থেকে ইস্তফা দিয়ে ক্ষমতাসীন বিজেপি রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। কর্ণাটকে কংগ্রেস ক্ষমতাসীন হলেও সেখানেও একই অবস্থা। এর ফলে কর্ণাটকে ক্ষমতা হারানোর দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে কংগ্রেসকে, যা আজ পর্যন্ত কখনো দেখতে হয়নি ঐতিহাসিক দলটিকে। দল ছাড়লেও সংসদের পদ ছাড়তে হবে না; এই সুযোগটাই কাজে লাগাচ্ছেন কংগ্রেস আইনপ্রণেতারা। এনডিটিভি জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার রাহুল ও সোনিয়ার নেতৃত্বে কংগ্রেসের অন্যান্য সংসদ সদস্যদের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাদের অনেকের হাতে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ জাতীয় বক্তব্য লেখা প্ল্যাকার্ড। কংগ্রেস নেতা গৌরব গোগোই বলেন ‘দেশের উন্নয়ন বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর দিকে মনোযোগ দেয়ার বদলে বিজেপি বিভিন্ন রাজ্যে জনগণের নির্বাচিত সরকারের কাজে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে এবং গণতন্ত্র নষ্ট করার পায়তারা করছে।’ এর আগে গত মাসে তেলেঙ্গানাতেও একই ধরনের বিপত্তিতে পড়েছিল কংগ্রেস। সেখানে দলের ১৮ সাংসদের ১২ জনই দল ছেড়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের দলে যোগ দিয়েছিলেন। কর্ণাটকে কংগ্রেস-জনতা দল জোট সরকার একসঙ্গে ১৮ জনের পদত্যাগের ঘটনায় ব্যাপক জটিলতায় রয়েছে। স্পিকার অবশ্য এদের অনেকের পদত্যাগপত্রই ‘অবৈধ’ হিসেবে বাতিল করে দিয়েছেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ইস্তফাগুলো গৃহিত হলে কংগ্রেস-জেডিএস সরকারের কাছ থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা চলে যাবে বিজেপির কাছে। ফলে রাজ্যের ক্ষমতাও চলে যাবে তাদের হাতেই।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ