September 16, 2019, 8:09 am

শিবগঞ্জের মানুষের কাছে দেবদূতের মতো মানবতার ফেরিওয়ালা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম

Spread the love

রুহুল আমীন খন্দকার, ব্যুরো প্রধান :

“স্যালুট ব্রান্ড নেম” “সৈয়দ নুরুল ইসলাম” স্যালুট প্রিয় অবিভাবক” এটি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার অসংখ্য মানুষের হৃদয়ের কথা, যা সরজমিনে গভীর ভাবে অনুসন্ধান করে পাওয়া যায়।কে এই নুরুল ইসলাম , যার শৈশবটা কেটেছে লালমনিরহাটের মত মফশ্বল একটি শহরে। আর দশটা ছেলের মত পড়ালেখা আর খেলার মাঠে বন্ধুদের সাথে ফুটবল, হাডুডু, ডাংগুলি খেলেই কেটেছে তার শৈশবের জীবনটা। বন্ধু-বান্ধব আর আড্ডাবাজির কারনে পরিবারের বড়দের কাছে কিছুটা বোকুনি খেলেও পড়াশোনায় ভালো রেজাল্ট করার কারনেই বাবা মা’র কাছে আদর আর সমীহ পেয়েছিলেন সবসময়। বাবা শেখ কসিমুদ্দিন বীর-মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন বলেই নানা মানুষের সাথে ওঠা বসা করতেন। আপদে-বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়াতেন, নিজের সামর্থ না থাকলে বন্ধু বান্ধব, সিনিয়র কলিগদের কাছ থেকে প্রয়োজনে সহযোগিতা নিয়ে পাশে দাঁড়াতেন নীপিড়িত ও মানুষের পাশে। বাবার এই উদার মানসিকতা আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মন্ত্র তার মগজে ঢুকে যায় ছোট বেলাতেই। বাবা তাঁকে বলতেন অনেক কষ্টের অর্জন এই দেশটা, এই বাংলাদেশ আমাদের মায়ের তুল্য। জীবনবাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছি বঙ্গবন্ধুর এক ডাকে। বঙ্গবন্ধু আর দেশের প্রতি ভালোবাসার গল্পটাও মাথায় ঢুকেছে সেই বাবার কাছ থেকেই।বন্ধু সুলভ এই ছেলেটা অবাক করে এসএসসি’তে শুধু ভালো রেজাল্ট-ই নয়, একেবারে বোর্ডস্ট্যান্ট করে ফেললেন।  ভর্তি হলেন রাজশাহী সরকারি কলেজে। যার শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত আর মুজিব আদর্শ তাকে কি আর বেঁধে রাখা যায়। জড়িয়ে পড়লেন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে, রাজনীতির হাতে খড়ি হয়ে গেল কলেজ জীবনে। পরিবার তার রাজনীতি করার খবরশুনে উদ্বিগ্ন হলেও বাবা এসে শুধু উপদেশ দিয়ে গেলেন। বললেন তোকে মানুষ হতে হবে, যে মানুষ মানবিক, যে মানুষ আদর্শিক এবং মাটি ও মানুষের বন্ধু। বাবার দেখানো স্বপ্ন মানবিক আর আদর্শিক মানুষ হবার লড়াইয়ে আবারও এইচএসসি’তে বোর্ডস্ট্যান্ট করে বুঝিয়ে দিলেন তিনি হেরে যেতে জন্ম নেননি।’রাজনীতি’ নামক শব্দটিকে সঙ্গী করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নের সময় আসলেন ছাত্রলীগের নেতৃত্বে। রাজনীতি করার কারনে  হতদরিদ্র মানুষটি থেকে শুরু করে এলাকার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের তাঁর কাছে নিত্য আসা যাওয়া। তাই হাজারো মানুষের স্নেহ ভালোবাসায় বেড়ে ওঠার পাশাপাশি এলাকার মানুষের মন্তব্য আর দর্শনের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে তাঁর উপর। এই অভিজ্ঞতার সাথে অর্জিত জ্ঞানের সমন্বয়ে তিনি এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন ছাত্রনেতা থাকা অবস্থা থেকে অদ্যাবধী।সফলতা কম নয়, তবু অপ্রাপ্তিও যোগ হয়েছে জীবনের খাতায়। হেরে যেতে না চাইলেও  ভাগ্য কখনও কখনও হারিয়ে দেয়। ছাত্র রাজনীতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল শাখার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও সংগঠনের শীর্ষ পদগুলোর একটি পদ প্রাপ্তি সামান্য ভুলে আর পাওয়া হয়ে উঠেনি। হতাশা যখন তার সঙ্গী হতে চলেছে তখনই আদর্শিক নেত্রী “প্রিয় আপা” শেখ হাসিনার  নির্দেশে বসলেন বিসিএস পরীক্ষায়। অসম্ভব মেধাবী এ মানুষটি  যোগ্যতার স্বাক্ষর হিসেবে হয়ে গেলেন কাঙ্খিত পুলিশ ক্যাডার। তবু জীবনে চড়াই উৎড়াই যে পিছু ছাড়েনা এটি বুঝলেন হাড়ে হাড়ে ট্রেনিং শেষে কর্মস্থলে যোগ দেবার পর। তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে সুধাসধনে দেখা করার কারণে  চাকরী হারালেন। বিএনপি সরকার অন্যায়ভাবে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কোর্টের রায় পক্ষে পাওয়া সত্বেও চাকুরীতে যোগদান করতে দেননি তাকে।ঘাত-প্রতিঘাত আর টিকে থাকার লড়াইয়ের অভিজ্ঞতার সাথে আরও একটি অপ্রাপ্তি যোগ হলো ২০০৯ সালে যখন ১/১১ এর পর আওয়ামীলীগ নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার প্রটোকল অফিসার বানানোর জন্য পুলিশের চৌকশ কাউকে খুজতে গিয়ে যখন বললেন -নুরুল ছেলেটা কোথায়? দুর্ভাগ্য সৈয়দ নুরুল ইসলামের। সৈয়দ নুরুল ইসলাম তখন জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে। আর একটি সুযোগ তার হাতছাড়া হয়ে গেলো তবু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে মনে রেখেছেন।বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনে দীক্ষিত এই মানুষটির দর্শন হলো ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’। তিনি সবসময়ই অধিকারহীন, বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলেন, এই মানুষগুলির জন্য কিছু করেন। সুবিধাবাদী সুশীলদের চেয়ে তৃণমূলের সোজাসাপ্টা মানুষগুলোই তাঁর অতিপ্রিয়। তিনি গনমানুষের কথা চিন্তা করেন বলেই, গনমানুষের কাছাকাছি মানুষদের উঠিয়ে আনার চেষ্টা করেন।সততা, বুদ্ধিমত্তা, পরিশ্রম, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, কৌশল, বিচক্ষণতা, দেশপ্রেম আর সাহসী পদক্ষেপে শিবগঞ্জ,তথা চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষের কাছে আজ তার বিকল্প তিনি নিজেই।এলাকার অনেকেই বলেন, আমরা কাছ থেকে মানুষটিকে ২০০৪ সাল থেকে দেখছি, তার সান্নিধ্যে আসার চেষ্টা করেছি, আমরা প্রতিবারই বিষ্ময়ে অভিভুত হই তাকে দেখে, তার দক্ষতা আর বিচক্ষণতাই তাকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাবে। জানি সৈয়দ নুরুল ইসলাম হারতে জানেন না তবু যারা আপনার সান্নিধ্যে এসে স্বার্থ নিয়ে কেটে পড়েছে তারা আজ আস্থাকুঁড়ে। কারণ রত্নের মূল্য না বুঝলে রত্নের মাহত্ব কমেনা, রত্ন রত্নই থাকে, আপনি শিবগঞ্জের গণমানুষের রত্ন।শিবগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রতিষ্ঠায় আপনার যে ব্রতী সেটি আর কেউ না জানলেও আমরা জানি, আর আপনি যা করতে চান সেটা আপনি করে দেখান এটিই আপনার বৈশিষ্ট্য, আপনি নেতা নন, নেতা তৈরির কারিগর। দোষেগুনে আপনি মানুষ তবে যারা আপনাকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত তারা  চোরাবালিতে হারিয়ে যাবে। আপনাকে  স্যালটু!”স্যালুট ব্রান্ড নেম ”সৈয়দ নুরুল ইসলাম” স্যালুট প্রিয় অবিভাবক” ।এই মহান ব্যাক্তিটিকে অচিরেই তার মানবতা, দেশ প্রেম, মাটি ও মানুষের প্রতি ভালবাসার জন্য, প্রাইভেট ডিটেকটিভ পত্রিকা পরিবার, সাইবার নিউজ একাত্তর পরিবার, ক্রাইম নেটওয়ার্ক  সংবাদ পরিবার, দৈনিক গণমাধ্যম পরিবার ও যমুনা প্রতিদিন পরিবারসহ বিভিন্ন গনমাধ্যমের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা পুরুস্কারে ভূষিত করা হবে বলে প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের মতামত ব্যাক্ত করেন।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ