February 28, 2020, 3:20 pm

শিক্ষা কর্মকর্তাদের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন বেসরকারি প্রাথমিকের শিক্ষকরা

Spread the love

শিক্ষা কর্মকর্তাদের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন বেসরকারি প্রাথমিকের শিক্ষকরা

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

শিক্ষা কর্মকর্তাদের আশ্বাসে অনশন ভেঙেছেন জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে কর্মসূচির পঞ্চদশ দিনে গতকাল সোমবার শিক্ষকদের কাছে যান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মহিউদ্দিন খান এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর। বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ কমিটির আহ্বায়ক আবদুল খালেক বলেন, শিক্ষকদের দাবি অনুযায়ী ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং বৈশাখী ভাতা দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা। এছাড়া আমাদের জাতীয়করণের দাবি প্রধানমন্ত্রী আগামি বাজেটে দেখবেন বলে আশ্বাসের প্রেক্ষিতে আমরা আমাদের অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছি। নন-এমপিওদের দাবি পূরণে সরকার আশ্বাস দেওয়ার পর জাতীয়করণের দাবিতে গত ১০ জানুয়ারি প্রেস ক্লাবের সামনে কর্মসূচি শুরু করেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এই শিক্ষকরা। ১৫ জানুয়ারি থেকে তারা শুরু করেন ‘আমরণ অনশন’। দাবি পূরণে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন তারা। ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৮৫ শতাংশের বেশি তাদের আন্দোলনে একাত্ম। ফোরামের আরেক নেতা রবিউল ইসলাম জানান, প্রেস ক্লাবের সামনে খোলা আকাশের নিচে অনশন করতে গিয়ে তাদের ১৬৫ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতলে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এই শিক্ষক নেতারা বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং বৈষম্য দূর করতে জাতীয়করণের বিকল্প নেই। এর জন্য সরকারকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতন কাঠামো নির্ধারণে একটি সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয় ও সঞ্চিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হলে ষষ্ঠ থেকে স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা জাতীয়করণে সরকারের কোষাগার থেকে অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রয়োজন নেই বলে মনে করে ফোরামের নেতারা। শিক্ষকদের ছয়টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরাম তথ্য অনুযায়ি, দেশে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ১৯ হাজার ২৩৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৪ হাজার ৭টি কলেজ, ৯ হাজার ৩৪১টি মাদ্রাসা ও ৫ হাজার ৮৯৭টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট পাঁচ লাখ ২২ হাজার ৬৭৭ জন শিক্ষক ও এক কোটি ৬২ লাখ ৬৩ হাজার ৭২৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ