May 21, 2020, 7:08 pm

শিরোনাম :
ফাইতং ইউনিয়ন বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন কোম্পানি শিবগঞ্জে ৫’শত অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রান বিতরণ করেন জিকে ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মনিরুল ইসলাম মুজিববর্ষে ঈদ উপলক্ষে দোহার-নবাবগঞ্জের এতিমদের পাশে সেনাবাহিনী এমপির ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন আম্পানের আঘাতে মোরেলগঞ্জে মৎস্য, কৃষি ও বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি তানোর মুন্ডুমালা পৌরসভায় আবারও ১’হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে সাইদুর রহমানের ঈদ উপহার বিতরণ! বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনায় নৌকা ডুবে ২ জন নিখোঁজ বক‌শিগ‌ঞ্জে অসহায়দের মা‌ঝে ইব্রা‌হি‌মের ঈদ সামগ্রী বিতরণ করোনায় আত্মবলিদানকারী পুলিশ সদস্যের বাড়িতে ৫ লক্ষ টাকার অনুদানসহ ঈদ উপহার নিয়ে ছুটে গেলেন এসপি! পিএইচপি কুরানের আলোর প্রতিযোগিতায় ২য় স্থান অর্জন করেছে গোয়াইনঘাটের হাফিজ আখতার; উপজেলা পরিষদের অভিনন্দন তাহিরপুরে নতুন ৩করোনা শনাক্ত ৩ জন, উপজেলায় মোট আক্রান্ত ১২ জন

শালিখায় শুরুতেই বন্ধ হয়ে গেল আশ্রয়ন প্রকল্প : ২২টি ঋষি পরিবার খোলা আকাশের নিচে

Spread the love

শালিখায় শুরুতেই বন্ধ হয়ে গেল আশ্রয়ন প্রকল্প
২২টি ঋষি পরিবার খোলা আকাশের নিচে
শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি

 

মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া গুচ্ছ গ্রাম আশ্রায়ন প্রকল্প কাজের শুরুতেই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ২২টি ঋষি পরিবারের প্রায় ২ শতাধিক নারী, শিশু ও বৃদ্ধ সদস্যরা খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবন যাপন করছে। গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণের ফলে পলিথিন দিয়ে কোনো রকম ঝুপড়ী বেঁধে ঋষি পরিবারের সদস্যরা দিন ও রাত যাপন করছে।

প্রায় ৪০ বছর আগে তাদের কোনো বাসযোগ্য স্থান না থাকায় শালিখা থানার পশ্চিম পাশে পরিত্যাক্ত জায়গায় বনজঙ্গল কেটে তারা ঐ স্থানে বসবাস করে আসছিল। গত জুন মাসে সরকারের পক্ষ থেকে শালিখায় প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয় গুচ্ছ গ্রাম আশ্রায়ন প্রকল্প করার জন্য এবং ঐ মাসেই কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন শালিখা থানার পশ্চিম পাশে ঋষি পাড়ায় ঐ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জায়গা নির্ধারণ করেন এবং ঐ স্থানে বসবাসরত ২২টি ঋষি পরিবারকে ডেকে বলেন আপনাদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আশ্রায়ন প্রকল্পের গুচ্ছ গ্রাম তৈরি করা হবে। এই জন্য আপনারা আপাতত জায়গাটি খালি করে দেন। পরে গুচ্ছ গ্রামের ঘর তৈরি হলে এখানে আপনারা বসবাস করবেন। ফলে এই আশ্বাসে তারা ঘরবাড়ি ভেঙে জায়গাটি খালি করে দিয়ে কেউ কেউ পাশেই ঝুপড়ী ঘর বেঁধে কোনো রকম বসবাস করছে। এরপর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রায়ন প্রকল্পের কাজটি শুরু করেন। জুন মাসে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মাটি ফেলার কাজ শুরু করলেও তা সম্পন্ন হয়নি বলে জানা যায়। পাশাপাশি ঠিকাদারের মাধ্যমে গুচ্ছ গ্রামের ঘর তৈরির জন্য প্রাথমিকভাবে পিলারও পোতা হয়।
আশ্রায়ন প্রকল্পের শুরুতেই এলাকার কয়েক ব্যক্তি তাদের পূর্ব পুরুষের জমিতে সরকারি ভাবে গুচ্ছ গ্রাম তৈরি হচ্ছে মর্মে মাগুরা আদালতে ঘর না তোলার নিষেধাজ্ঞা জারির মামলা দায়ের করেন। ফলে আশ্রায়ন প্রকল্পের গুচ্ছ গ্রামের মাটির কাজ ও ঘরবাড়ি তৈরির কাজ প্রাথমিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এ ব্যাপারে ঋষি পরিবারের সদস্য সুনীল, রিনা রানি, রিপন, মিঠুন, উজ্জ্বল, পলাশ, অসীম, শ্রীবাস দাসসহ আরও অনেকেই জানায়, গুচ্ছ গ্রামের মাটি ফেলার কাজ সম্পন্ন হয়নি। এছাড়াও ঘর তৈরির জন্য প্রাথমিকভাবে পিলার পোতার কাজ চলাকালীন সময় হঠাৎ করে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে আমরা জানতে পারলাম এই জায়গার শরিকয়ানা দাবি করে কে বা কাহারা মামলা করেছে। যে কারণে গুচ্ছ গ্রাম আশ্রায়ন প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে এবং ঘর তৈরির জন্য লোহার এ্যাঙ্গেলসহ বিভিন্ন মালামাল রোদ বৃষ্টিতে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে আমাদের থাকার জন্য ঘরবাড়ি না থাকায় অনেকটা মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। তবে এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের আশ্বাস দেয়া হয়েছে অতিদ্রুত ঘর তৈরি করা হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামসুল আরেফিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ঐ জমির ওপর মামলা চলমান থাকায় আশ্রায়ন প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা রয়েছে।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ