September 20, 2019, 1:44 am

শিরোনাম :
ভোলা লালমোহনে নাতনীর সাথে অসামাজিক কাজের চেষ্টা,এবং দাদা আটক কেশবপুরে অধ্যক্ষের দূর্ণীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় মাদ্রাসা প্রভাষককে মারপিট নগদ অর্থ ও মোবাইল ছিনতাই সুন্দরগঞ্জে পোনা মাছ অবমুক্ত করণ ২০ হাজার মেট্রিকটন কয়লা নিয়ে পায়রা বন্দরে নোঙর করেছে জাহাজ এমভি ঝিং হাই টং-৮ আলফাডাঙ্গায় আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা লালপুরে ডাকাতির নাটক সাজাতে গিয়ে বিকাশ কর্মীসহ আটক ২ লতিফিয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও সংবর্ধনা সম্পন্ন সহকারী শিক্ষকদের ১১ তম ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ তম গ্রেডের দাবিতে আলফাডাঙ্গায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মানব বন্ধন শৈলকুপা পৌর ভবন থেকে বিপুল পরিমান ভিজিএফ’র চাউল জব্দ শৈলকুপায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডের দাবিতে মানববন্ধন
প্রতিকি ছবি

রৌমারীতে খেয়াঘাট ইজারা নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড

Spread the love

জিতেন চন্দ্র দাস,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

প্রতিকি ছবি

 

রৌমারীতে যাদুরচর ইউনিয়নের কর্তিমারী খেয়াঘাট ইজারা নিয়ে হামলা, মামলাসহ নানা ঘটনার জন্ম দিয়েছে। নতুন বছরের (বাংলা) এক সপ্তাহ পার হলেও রোববার (২১ এপ্রিল) পর্যন্ত ঘাটটি কারো নামে ইজারা দেয়নি ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষ। একদিকে ইউপি চেয়ারম্যানের অনিয়ম, সেচ্ছাচারিতা ও ইজারা নীতিমালার কোনো তোয়াক্কা না করা এবং অন্যদিকে ক্ষমতাসীনদের অনৈতিক হস্তক্ষেপকে দায়ি করছেন ভুক্তভোগিসহ এলাকার সাধারণ মানুষ।এলাকাবাসী জানায়, কর্তিমারী খেয়াঘাটটি ইজারা নিতে বাহেজ আলী ও রমজান আলী নামের দুটি গ্রুপের সৃষ্টি হয়।এদের মধ্যে বাহেজ আলী পক্ষ শরনাপন্ন হন যাদুরচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সবুজের কাছে অন্যদিকে রমজান আলী শরনাপন্ন হন ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলীর কাছে।গত সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকালে ঘাট দখলকে কেন্দ্র করে রমজান আলী ও বাহেজ আলীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় বাহেজ আলী গ্রুপের সদস্য ধনারচর নতুনগ্রাম এলাকার মৃত হানিফ উদ্দিনের ছেলে মতিন মিয়া(৪৮) আহত হন। পরে মতিন বাদী হয়ে রৌমারী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এব্যাপারে দফায় দফায় মিটিং হলেও এখনও সমঝোতা হয়নি।
রৌমারী থানার ওসি আবু মো. দিলওয়ার হাসান ইনাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সূত্র জানায়, ৪এপ্রিল যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় ২০টি খোয়ার, ১৮টি খেয়াঘাটসহ দু’টি পুকুর উন্মুক্ত ডাকে ইজারা দেওয়ার কথা থাকলেও ওই দিন রহস্যজনক কারণে কর্তিমারী খেয়াঘাটটির ইজারা স্থগিত রাখা হয়। পরে ৮এপ্রিল ওই ঘাটটি ইজারা দেওয়ার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত কারো নামে ইজারা দিতে পারেনি ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষ।রমজান আলী বলেন, ঘাটটি আমাকে দেওয়ার কথা বলে যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সরবেশ আলী আমার কাছে ২লাখ টাকা নিয়েছেন। এখনো ঘাটটি পাই নাই। অপর পক্ষে বাহেজ আলী বলেন, ঘাটটি পাইয়ে দিবেন বলে যাদুরচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সবুজ আমার কাছে নগদ ১লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়েছেন।যাদুরচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সবুজ টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন,এটা ইউনিয়ন পরিষদের বিষয়। এ ব্যাপারে আমি কারো কাছে কোনো টাকা নেই নাই।
এব্যাপারে যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরবেশ আলী বলেন, ঘাটটি এখনো কারো নামে ইজরা দেওয়া হয়নি। তবে রমজান আলীর কাছে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন ওই চেয়ারম্যান।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/ ২২ এপ্রিল ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ