February 25, 2020, 3:59 pm

শিরোনাম :
ভোলা লালমোহন এর ফরাজির বাজারে, ইজারাদার এবং যুবলীগের সহ সভাপতির উপর সন্ত্রাসীদের অতরকৃত হামলা ভোলায় ডিবি পুলিশের অভিযানে এবার তিন মাদক ব্যাবসায়ীকে ৪৫ গ্রাম গাজাঁসহ আটক ভোলায় ডিবি পুলিশের অভিযানে এবার ৭০ পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক চাপড়া জীউ শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরে হরিবাসরের অনুষ্ঠান পরিদর্শনে সমাজ সেবক আবুল বাসার সুজন র‌্যাব-৫ অভিযানে বিপুল পরিমান হেরোইনসহ ০১ মাদক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কলাপাড়ায় চোলাই মদসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী আটক “মুজিববর্ষের অঙ্গীকার পুলিশ হবে জনতার”- ডিআইজি সিলেট রেঞ্জ বিএসএফের হয়রানিতে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ বড়াইগ্রাম উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ভাতা কার্ড যাচাই বাছাই নাটোরে ট্রেনের ৪ হাজার লিটার চোরাই তেলসহ আটক ৫

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ৪১ এনজিওকে প্রত্যাহার

Spread the love

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ৪১ এনজিওকে প্রত্যাহার

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপকর্মে লিপ্ত থাকা ৪১ বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) কার্যক্রম বাতিল করে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, যেসব বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) একই ধরনের কাজে লিপ্ত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গতকাল শনিবার সকালে নগরের দক্ষিণ সুরমায় সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শুরু থেকে ১৩৯টি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) কার্যক্রম শুরু করেছিল। ব্যবস্থা নেওয়ার পর বিভিন্ন দেশি-বিদেশি এনজিও সংস্থা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিতে নানাভাবে তদবির করছে। সিসিকের মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ড. মোমেন বলেন, তার অগ্রজ সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী না হলে এটা হতো না। এজন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী। এসময় সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ছাড়াও সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ, আজম খান, সালেহ আহমদ সেলিম, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী এবং সিলেট জেলা এবং মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা ও সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, রাখাইনে মিয়ানমারের সেনাদের নির্যাতন হতে জীবন বাঁচাতে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ঢল নামে। কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেন বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। নতুন-পুরনো মিলিয়ে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা কক্সবাজারে অবস্থান করছে। মানবিক কারণে বাংলাদেশ তাদের আশ্রয়ের পাশাপাশি সার্বিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। দেশি-বিদেশি এনজিওর পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকার তাদের খাদ্য, অস্থায়ী বাসস্থান, চিকিৎসা, বস্ত্র, লেখাপড়া, বিনোদনসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিরাপদে রাখাইনে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে সরকার। কিন্তু রোহিঙ্গাদের অনেকেই জড়িয়ে পড়ছে অপরাধে। তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার হচ্ছে।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ