July 12, 2020, 9:35 am

শিরোনাম :
র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ ভৈরবে সাড়ে ৬ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার,আটক ১ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মহামারী মরন ব্যাধী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৪৭ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃত্যু বেড়ে ২৩৫২ জন জনগনের দূরসময় পাশে থাকে না সরকারি হাসপাতালের সেবকেরা মরহুম কাউন্সিলর আলহাজ্ব মাজহারুল ইসলাম চৌধুরীর স্বরনে সৈনিকলীগের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল মুজিববর্ষ উপলক্ষে জিয়নপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১৪ জুলাই যশোর-৬ কেশবপুর আসনে উপনির্বাচন বিএনপির বর্জনে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিজয় সুনিশ্চিত বোয়ালমারীতে করোনার উপসর্গ নিয়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্য আজ ১২ জুলাই ২০২০ ইং তারিখ রোববার ফের করোনা টেস্ট মাশরাফির বলিউডের শাহেন শাহ অমিতাভ বচ্চন ও তার ছেলে অভিনেতা অভিষেক করোনায় আক্রান্ত রেখার বাংলো লকডাউন ভারতে সব রেকর্ড ভেঙে ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত

রাজারহাটে শহীদ মুক্তিযুদ্ধা আকবর আলীর গেজেট প্রকাশ না হওয়ায়, পরিবারের সদস্যরা দিশাহারা

Spread the love

মোঃ রেজাউল হক, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার, নাজিম খাঁন ইউনিয়নের, মৃত্যু মোঃ মফিজ উদ্দিনের ছেলে শহিদ মুক্তিযুদ্ধা আকবর আলির পরিবারের সদস্যদের মানবতায় দিন যাপন করে যাচ্ছে।মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দেশজুড়ে চালিয়েছে বীভৎস হত্যাযজ্ঞ। পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে প্রাণ দিয়েছেন, রাজারহাটের শহিদ মুক্তিযুদ্ধা আকবর আলী, গণহত্যার পর
এলাকাবাসী জানিয়েছেন,কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ১১ নং সেক্টর  গ্রুপ কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা খাইরুল আলম, ও  তাকমিদুর রহমান (চানমিয়া) রীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ ছলেমন আলী বলেন, শহিদ মুক্তিযুদ্ধা আকবর আলী, শহিদ মুক্তিযুদ্ধা, গোলজার আলি, শহিদ মুক্তিযুদ্ধা আব্দুল জলিল, শহিদ মুক্তিযুদ্ধা, হেন্তেদ্র নাথ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রহিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাসেন আলী, উলিপুর উপজেলার, অনন্তপুর মন্ডলের হাটে বাকারা নামে একটি বিলের মধ্যে ১৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা সহ বিশেষ, পাকহানাদার বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে যুদ্ধের সময় শহিদ মুক্তিযুদ্ধা আকবর আলী সহ আরো চার জন শহিদ হয়েছেন।তার লাশ পেয়ে এলাকাবাসী নিয়ে দাফন করেছেন। কাউকে আবার কোথাও মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে, কোথাও লাশ ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে নদীতে। আবার কোথাও হত্যাযজ্ঞের পর স্থানীয় লোকজন লাশগুলোর সৎকার করেছেন।কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর ৪৯ বছর পেরিয়ে গেলেও অনেক শহিদ দক্তিযুদ্ধা পরিবারের সদস্যরা ভাতা পাচ্ছেন, কিন্তু শহিদ মুক্তিযুদ্ধা আকবরের গেজেট প্রকাশ না হওয়ার কারণে  পরিবারের সদস্যদেরকে মানবতায় দিন যাপন করে কাটাতে হচ্ছেন। এখন পর্যন্ত কেউ খোঁজ খবর নেওয়া হয়নি। এবং তার পরিবারের কেউ খোঁজ নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি।যুদ্ধদিনের নিরব স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত জড়িয়ে আছে এই পরিবারের সদস্যদের সকলেই।স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল রহিম জানান, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে উলিপুর উপজেলার, অনন্তপুর মন্ডলের হাটে শক্তিশালী ঘাঁটি স্থাপন করে হানাদার বাহিনী। এটি ছিল পাক হানাদার বাহিনীর হেডকোয়ার্টার থেকে একাত্তুরে ৯ মাসই এখানে চলে তাদের নৃশংসতা। পাকিস্তানি পশুরা নারী-পুরুষের ওপর অমানুষিক অত্যাচার চালানোর পর তাদের হত্যার পর এসব লাশ মাটিচাপা দিয়ে অথবা নদীতে ভাসিয়ে দিত। স্বাধীনতার পর অনন্তপুর মন্ডলের হাটে তার আশপাশ এলাকায় অসংখ্য কঙ্কাল পাওয়া যায়। উলিপুর উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে ১৯৭১ সনের ৩০ এপ্রিল গণহত্যা চালানো হয়। এদিন এই গ্রামের ৪২ জন হিন্দু পরিবারের সদস্যসহ মোট ৫৮ জন নারী-পুরুষকে হত্যা করা হয়। পুড়ে ছারখার করে দেয়া হয় বাড়িঘর। গণহত্যার পর এখন পর্যন্ত শহিদ মুক্তিযুদ্ধা আকবরের গেজেট প্রকাশ করার, স্বীকৃতি প্রদানের কোনো উদ্যোগ আজও নেয়া হয়নি।
কুড়িগ্রাম জেলায়, উপজেলাগুলোয় এই রকম নানা জায়গায় মহান মুক্তিযুদ্ধের নিরব স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবাহী এসব স্থান সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ নেই। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত অনেক স্থাপনা আজ অযত্নে-অবহেলায় হারিয়ে যেতে বসেছে। অথচ সরকার একটু সুদৃষ্টি দিলেই এসব স্থান ও স্থাপনা সংরক্ষণ করা সম্ভব। আমাদের অস্তিত্বের স্বার্থেই এটা করা উচিত। তাছাড়া শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আকবর আলীর ৪৯ বছর পর ও আজ পর্যন্ত তার গেজেট প্রকাশের কোনো উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির আওতায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবাহী স্থান ও স্থাপনাগুলো সংরক্ষণে এগিয়ে আসার অতিসত্বর প্রয়োজন,এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নজর দেবেন বলে আশা করি।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৭ জুন ২০২০ /ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ