May 29, 2020, 2:53 am

শিরোনাম :
১ দিনে শরীয়তপুর জেলায় নতুন করে করোনা সনাক্ত ৩৬ জন রংপুরের গঙ্গাচড়া উন্নয়ন পরিষদের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন হামরকোনা বয়েজ ক্লাবের সার্বিক সহায়তায়” লোটন ইউ.কে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরন আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ্যদের পাশে সেনাবাহিনী মাঠ পরিক্রমা বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারিতে নিরবে মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন নৌকার সর্মথক গোষ্ঠীর সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ রবি কুয়াকাটায় মেয়েকে বাল্যবিয়ে দিতে বাবার চাপ সৃষ্টি বোয়ালমারীতে আ’লীগের মধ্যে পৃথক ৫টি সংঘর্ষে ভাংচুর লুটপাট আহত ৫০ আটক ১০ “জাগো মানবতা” ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোঃ হাছান ও সাধারন সম্পাদক মোঃ ফয়সাল নির্বাচিত চৌদ্দগ্রামের এক ব্যক্তির করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি,অভিযোগ যৌতুকের দাবী !

রাজাপুরে শশুরবাড়ী থেকে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার,পরিবারের দাবী হত্যা!

Spread the love

এম খায়রুল ইসলাম পলাশ,ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য কুদ্দুস হাওলাদারের বাড়ী থেকে তার স্ত্রী দুই সন্তানের জননী রুনা লায়লার (৩০)যুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে রাজাপুর থানা পুলিশ। বৃহাস্পতিবার (২১ মে) বিকাল আনুমানিক ৫ ঘটিকায় থানা পুলিশ ঐ গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে। নিহত রুনা লায়লা রাজাপুর উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের ডহর সংকড় এলাকার মো:আমির হোসেন গাজীর মেয়ে এবং উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড এর ইউপি সদস্য মো:কুদ্দুস হাওলাদারের দ্বিতীয় স্ত্রী।কুদ্দুস হাওলাদার নারিকেল বাড়ীয়া এলাকার মজিবর হাওলাদারের ছেলে।
নিহত রুনা লায়লার পিতা আমির হোসেন গাজী বলেন,আমার মেয়েকে ওখানে বিবাহ দেয়ার পর থেকেই তাদের সংসারে ঝামেলা লেগেই থাকতো।কুদ্দুস প্রায়ই আমার মেয়েকে নির্যাতন করতো। আর এই ঝামেলার মাঝেই তাদের দুইটা সন্তান হইছে। প্রথম সন্তান হওয়ার পর এবং দ্বিতীয় সন্তান পেটে থাকতে আমার মেয়েকে আমার বাড়ীতে রেখে যায় আমার জামাই কুদ্দুস।দির্ঘদিন পরে যখন তাদের দ্বিতীয় সন্তান হয় তখন কুদ্দুসের পরিবারের সবাই এসে আমার মেয়েকে নিয় যায় তাদের বাড়ীতে।আমার মেয়েকে কুদ্দুসের পরিবারের সবাই সব সময় নির্যাতন করতো।কুদ্দুস ও তার ভাই পরিকল্পিত ভাবে আমার মেয়েকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে।
রুনা লায়লায় ভাই রেজাউল হোসেন বলেন,আমার বোনকে আমার দুলাভাই কুদ্দুস প্রায়ই নির্যাতন করতো।আজ আমার বোনকে দুলাভাই সহ তাদের পরিবারের সবাই মিলে হত্যা করছে।রাজাপুর থানার ওসি জাহিদ হোসেন বলেন,খবর পেয়ে আমরা গৃহবধু রুনার মরদেহ উদ্ধার করেছি।ময়না তদন্তের পরে বলা যাবে হত্যা নাকি আত্নহত্যা।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২১ মে ২০২০/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ