April 1, 2020, 10:13 pm

শিরোনাম :
ভৈরবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৮ জন কে আইনের আওতায় আনা হয় ও ১৭৫০০ টাকা জরিমানা করা হয় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রহ্মপুত্র নদে হিন্দু সম্প্রদায়ের অষ্টমী পালন কুয়াকাটায় দেয়াল চাপা পরে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থী নিহত গভীর রাতে কর্মহীন অসহায় মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন যশোরে কেটলির গরম পানিতে চা-দোকানির হাত ঝলসে দিল পুলিশ বাদাঘাট শ্রী কৃষ্ণ সেবা সংঘের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সাবেক ডিসি,আরডিসি,দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত ফুলবাড়ীতে বাজার পরিস্কার করলো রংধণু পাঠাগার ও চাষী ক্লাবের সেচ্ছাসেবীরা ভোলায় সাংবাদিকের উপর হামলা সেই চেয়ারম্যানের ছেলে নাবিল হায়দার গ্রেফতার রাজশাহী মেডিকেলে শুরু হয়েছো করোনা পরীক্ষা’ রিপোর্ট মিলবে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টায়

রাজধানীর তিন থানা এলাকায় দুই জনকে কারাদন্ড; ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা

Spread the love

আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশেষ প্রতিনিধি:

গত ১৫ মার্চ রবিবার রাত আনুমানিক সাড়ে দশটার দিকে শুরু করে ১৬ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে চারটা পর্যন্ত টানা প্রায় ছয় ঘন্টা অভিযান চালিয়ে রাজধানীর চকবাজার, সুত্রাপুর ও যাত্রাবাড়িসহ তিন থানা এলাকায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত তিনটি অবৈধ কারখানাকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানাসহ দুইজনকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন বলে র‌্যাব-১০ মিডিয়াসেল সূত্রে জানা যায়।
হাত বাড়ালেই মিলছে নকল আর ভেজাল প্রসাধনীসহ বিভিন্ন ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। মোড়ক দেখে কারো বোঝার সাধ্য নেই, কোনটি আসল আর কোনটি নকল। দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দেশি-বিদেশী ও নামী-দামী ব্রান্ডের মোড়ক ব্যবহার করে নকল এবং ভেজাল প্রসাধনীসহ মোটরযানে ব্যবহৃত লুব্রিকেন্ট নকল ও ভেজাল করে বাজারজাত করে আসছে। এতে ভোক্তা প্রতারিত হচ্ছে, নকলের ভীড়ে প্রিয়জনের জন্য কেনা হচ্ছে প্রসাধনীর নামে এক প্রকার বিষ। আর মটরযানের মালিকরা প্রতারিত হয়ে নকল ও ভেজাল মোবিল ব্যবহার করে তাদের প্রিয় গারিটির বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে। যা সে টেরও পাচ্ছে না। অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব, ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা। জনস্বাস্থ্য ও জনযানের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর এসব নকল আর ভেজাল প্রসাধনী তৈরিকারক, মজুদদার এবং নকল মোবিল উৎপাদন করে বিভিন্ন নামি-দামী ব্রান্ডের নামে উচ্চ মূল্যে বাজারজাতকারীদের বিরুদ্ধে প্রায়ই চলছে আইনি অভিযান। তবুও যেন থামানো যাচ্ছে না নকল ও নকলবাজদের ভেজালের কারবার।
সূত্র জানায়, গত ১৫ ও ২৬ মার্চ রাধানীর তিনটি থানা এলাকায় দীর্ঘ সময় র‌্যাব সদর দপ্তর এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলমের পরিচালনায় এবং র‌্যাব-১০ এর উপ-অধিনায়ক মেজর শাহরিয়ার জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দলের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত ঢাকার চকবাজার থানাধীন দেবিদাস ঘাট লেন এলাকায় ‘শাহীন কসমেটিকস লিমিটেড’ এ অভিযান চালিয়ে অনুমোদনহীন, নকল, ক্ষতিকর ও নিম্নমানের প্রসাধনী তৈরি, মজুদ ও বাজারজাত করার দায়ে ১ জনকে এক বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা জরিমানা করেন। এ সময় বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে প্রায় ১ কোটি টাকার নকল ও ভেজাল প্রসাধনী জব্দ করে তা ধ্বংস করে দেয়া হয়।
যাত্রাবাড়ি থানা এলাকায় ‘আসমা ট্রেডার্স’ নামে একটি কোম্পানিকে নকল ও ভেজাল মোবিল এবং লুব্রিকেন্ট তৈরি করার দায়ে ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা জরিমানা করা হয়।
এবং সূত্রাপুর থানা এলাকায় একটি নকল মোবিল তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার (৭ ড্রাম) নকল ও ভেজাল মোবিল জব্দ করা হয়। এ সময় নকল ও ভেজাল মাবিল উৎপাদনের দায়ে ১ জনকে এক বছরের কারাদন্ড এবং ২,০০,০০/- (দুই লক্ষ) টাকা জরিমানা করা হয়। অতঃপর কারখানাটি সিলগালা করে দেয়া হয়। কোম্পানিটি দীর্ঘদিন ধরে নকল মোবিল উৎপাদন করে বিভিন্ন নামি-দামী ব্রান্ডের নামে উচ্চ মূল্যে বাজারজাত করে আসছিল বলে সূত্র জানায়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলমের নির্দেশে সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জে প্রেরণ করা হয়।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৭ মার্চ ২০২০/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ