February 18, 2020, 12:57 pm

শিরোনাম :
সুন্দরগঞ্জে মারামারি মামলায় পুলিশ সদস্য গ্রেফতার যশোরের বাঁকড়া হাজির বাগ সাবাস চেয়ারম্যানের ১৬ তম মৃত্যু বার্ষিকী ও স্বরণ সভা -২০২০ অন্ন বস্ত্র নিয়ে অসহায়দের পাশে দাঁড়াই; জননেতা গোলাম আম্বিয়া কয়েছ রংপুর শ্যামলী আইডিয়াল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ বকশিগঞ্জে শিক্ষার্থী বিহীন প্রতিবন্ধী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীতে ভাতাভোগীদের ভাতা প্রদানের লক্ষে যাচাই বাছাই সম্পূর্ণ জৈন্তাপুরে সূচনা এর উপকার ভোগীদের স্ববজি চাষ সম্পর্কে মৌলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত চিলমারীতে দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দাদন ব্যাবসায়ীর কবলে নারী রেমিটেন্স যোদ্ধা, প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদে পাঠানটুলী রোড় কলাবাগানে ডাস্টবিনে মৃত শিশু পাওয়া গেছে

যেভাবে গ্রেফতার হলেন ক্যাসিনো সম্রাট

Spread the love

 

প্রাইভেট ডিটেকটিভ নিউজ ঃ 

ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাটকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

রোববার ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তার সহযোগী আরমানকেও গ্রেফতার করে র‌্যাব।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

তবে সম্রাটকে গ্রেফতারের বিস্তারিত তথ্য দেননি র‌্যাবের এই কর্মকর্তা। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

এদিকে চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গভীর রাতে ওই এলাকায় একটি বাড়ি র‌্যাব ঘিরে রাখে। পরে সম্রাটকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা আরও জানান, কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামের এক আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন সম্রাট।

বাড়ির মালিকের নাম মনির চৌধুরী বলে জানা গেছে। তবে তার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।

আলকরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার সময় তিনি এলাকায় ছিলেন না। তবে স্থানীয়রা তাকে ফোন করে ঘটনা সম্পর্কে বলেছেন।

প্রসঙ্গত আলোচিত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ঢাকার জুয়াড়িদের কাছে ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত। জুয়া খেলাই তার পেশা ও নেশা। প্রতি মাসে ঢাকার বাইরেও যেতেন জুয়া খেলতে।

সম্প্রতি রাজধানীতে ক্লাব ব্যবসার আড়ালে অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েন সম্রাটের ডান হাত হিসেবে পরিচিত যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া।

এর পর ধরা পড়েন রাজধানীর টেন্ডার কিং আরেক যুবলীগ নেতা জিকে শামীম। এ দুজনই অবৈধ আয়ের ভাগ দিতেন সম্রাটকে। তারা গ্রেফতার হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাটের অবৈধ ক্যাসিনো সাম্রাজ্য নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন। প্রকাশ্যে চলে আসে সুন্দর অবয়বের আড়ালে সম্রাটের কুৎসিত জগত। এতে করে বেকায়দায় পড়েন সম্রাট।

এর পর গা ঢাকা দেন যুবলীগ নেতা সম্রাট। আড়ালে থেকেই গ্রেফতার থেকে বাঁচতে নানা তৎপরতা শুরু করেন। ফন্দিফিকির শুরু করেন কীভাবে নিজেকে বাঁচানো যায়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে সরকারের উচ্চ মহলের ‘গ্রিন সিগন্যালের’ অপেক্ষায় ছিল।

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছিলেন, ‘অপেক্ষা করুন, যা ঘটবে দেখবেন। আপনারা অনেক কিছু বলছেন, আমরা যেটি বলছি ‘সম্রাট’ হোক আর যেই হোক, অপরাধ করলে তাকে আমরা আইনের আওতায় আনব। ‘আমি এটি এখনও বলছি- সম্রাট বলে কথা নয়; যে কেউ আইনের আওতায় আসবে। আপনারা সময় হলেই দেখবেন।’

 

 

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ