October 15, 2019, 8:57 pm

যশোরে পেঁয়াজের দাম কমেছে

Spread the love

 

ইয়ানূর রহমান (যশোর প্রতিনিধি): 

যশোরের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। দামও কমেছে কেজিতে ২০ টাকা। তবে সবজির দাম বেশ চড়া। ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে চাল, ডাল, রসুন, আলু, মরিচের দাম। বৃহস্পতিবার যশোর শহরের বড় বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ায় হু-হু করে দাম বাড়তে থাকে দেশের বাজারে। পেঁয়াজের দাম বাড়ায় অনেক ব্যবসায়ী নড়েচড়ে বসে। তারা বাজারে বেশি পেঁয়াজ সরবরাহ করতে থাকে। আবার বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি হওয়ায় বাজারে এখন পর্যাপ্ত পেঁয়াজ।

এ কারণে একদিন পরই পেঁয়াজের দাম কমে গেছে। বাজারে পেঁয়াজের ঘাটতি নেই। তাই এরমধ্যে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে গেছে বলে জানিয়েছেন বড় বাজারের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম।

প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৮০ টাকা। ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত পেঁয়াজ। ১৪০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় রসুন। প্রতি কেজি আমদানিকৃত রসুন বিক্রি হয় ১৫০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা। আলু বিক্রি হয় ১৮ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি। প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয় ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা।

বাজারে শাক-সবজির দাম বেশ চড়া। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৬০ টাকা। ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি কুশি বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ঢেড়স। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় করোলা উচ্ছে। প্রতি কেজি ডাটা বিক্রি হয় ২০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক।

প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৭০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতি কেজি কলা বিক্রি হয় ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধুন্দল। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ঝিঙে। প্রতি কেজি কাঁকরোল বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতি কেজি ওল বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় শিম। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাঁধাকপি। প্রতি কেজি ফুল কপি বিক্রি হয় ১০০ টাকা।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৮৫ টাকা থেকে ৮৭ টাকা। ৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেল বিক্রি হয় ৭০ টাকা।

বাজারে অপরিবর্তিত আছে ডালের দাম। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ৯০ টাকা থেকে ৯৫ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৮০ টাকা। ৩৫ টাকা থেকে ৩৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা। ৫৫ টাকা ৫৮ কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।

বাজারে ইলিশ মাছের সরবরাহ বেড়েছে। অন্যান্য মাছও বিক্রি হয় কম দামে। প্রতি কেজি বড় ইলিশ মাছ বিক্রি হয় সাড়ে ৭০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা। মাঝারি সাইজের ইলিশ বিক্রি হয় সাড়ে ৪০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা। প্রতি কেজি জাটকা ইলিশ বিক্রি হয় ২৫০ টাকা থেকে সাড়ে ৩০০ টাকা।
অন্যান্য মাছের মধ্যে প্রতি কেজি রুই মাছ বিক্রি হয় ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি হয় ১২০ টাকা। কৈ মাছ বিক্রি হয় ১২০ টাকা। ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় তেলাপিয়া মাছ। প্রতি কেজি শিং মাছ বিক্রি হয় সাড়ে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা।

বাজারে চালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ২৬ টাকা। ২৭ টাকা থেকে ২৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মোটা চাল। প্রতি কেজি বিআর-১০ চাল বিক্রি হয় ৩১ টাকা থেকে ৩২ টাকা। ৩০ টাকা থেকে ৩১ টাকা কেজি বিক্রি হয় রনজিৎ চাল। প্রতি কেজি বিআর-২৮ ও কাজললতা চাল বিক্রি হয় ৩৪ টাকা থেকে ৩৬ টাকা। ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মিনিকেট চাল ৷

 

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ