May 27, 2019, 3:47 am

মুকসুদপুরে বোরো ধানের বাম্পার ফলন, শ্রমিক সংকটে কৃষকরা বিপদে

Spread the love

কাজী ওহিদ, মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

মুকসুদপুর উপজেলায় উফশী ও হাইব্রীড বোরো ধানে বাম্পার ফলন হয়েছে। ধান

কাটা শ্রমিকের অভাবে ধান নিয়ে পড়েছে কৃষকরা মহা বিপদে।ডিসেম্বর জানুয়ারী মাসে উফশী ও হাইব্রীড বোরো ধান চাষের রোপন সম্পন্ন হয়ে থাকে। জাত ভেদে ধানের চাষাবাদ হয়ে থাকে। ব্রিধান (২৮) ১৪০/১৪৫ দিন এবং ব্রিধান-২৯ ও ৫৮ -১৬০/১৬৫ দিন বীজ তলা হতে শুরু করে ফসল কর্তন পর্যন্ত সময় লাগে। এ বছর মুকসুদপুর উপজেলার উফশী ও হাইব্রীড বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিঘা প্রতি ৫০ হতে ৬০ মন ধান ফলন হয়েছে। যা বিগত ১০বছরের মধ্যে এমন ফলন হয়নি বলে কৃষকের কাছ থেকে জানান যায়। বাম্পার ফলন হওয়া সত্বেও কৃষকের মুখে হাসি নাই।কারন ধান কাটার শ্রমিক সংকট উপান্তর প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে কৃষকের উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে পারছে না তারা। বৃষ্টির কারনে মাঠেও পাকা ধান তলিয়ে যাচ্ছে এবং গজিয়ে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও দূর্যোগের কারনে প্রতিজন ধান কাটা শ্রমিককে ৭০০ টাকা মজুরি দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতি বছর খুলনা ও সাতক্ষিরা অঞ্চল হতে প্রচুর ধান কাটা শ্রমিক আসলেও এ বছরে প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে তাদের আগমন খুবই কম।এ কারনেই শ্রমিক সংকট বেশী দেখা দিয়েছে।উপজেলা কৃষি অফিসার নিটুল রায় জানান,উপজেলার ১টি পৌর সভা ও ১৬ টি ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নেই কম বেশী বোরো ধান চাষাবাদ হয়ে থাকে। তবে উজানী,কাশালিয়া,ননিক্ষীর,জলিরপাড়,বাশবাড়িয়া মোচনা ইউনিয়নে সবচেয়ে ধানের চাষাবাদ হয়ে থাকে। এ বছর মুকসুদপুর উপজেলায় প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানে আবাদ হয়েছে। তিনি আরোও বলেন, উপজেলার ধান উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মরত উপ-সহকারী কর্মকর্তাগন কৃষককে সকল প্রকার উপকরন সহ রিপার ও কম্বাইন্ড হারভেষ্টার দ্বারা ধান কর্তনের পরামর্শ দিচ্ছেন।এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কৃষকদের সংগে আলাপকালে তারা জানান, ভাল ধান উৎপাদন করেও প্রতি বছর এ সময় আবহাওয়া বিরুপের কারনে আমরা ঠিক মত ফসল ঘরে তুলতে পারি না। সরকারী ভাবে যদি বিভিন্ন মাঠের পাশে সেড করে দিত তাহলে সেডে মধ্যে ধান মাড়াই করে আমরা সময় মতন ধান ঘরে তুলতে পারতাম।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/ ১৩ মে ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ