November 5, 2019, 5:04 am

শিরোনাম :
কেশবপুরের নবাগত ওসি হেলমেটবিহীন ১৯ মোটরসাইকেল চালককে হেলমেট পরালেন সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের কবর জিয়ারত করলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গাইবান্ধায় ঢাকা রংপুর মহাসড়কের পাশে শুরু হয়েছে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম বোয়ালমারীতে অপহৃত রূপালীকে বাচ্চাসহ উদ্ধার বেনাপোল বন্দর দিয়ে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আমদানি-রফতানি শুরু জগন্নাথপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক গুরুতর আহত বিশ্বম্ভরপুরে মিয়ারচড় শক্তিয়ারখলা সড়কের বেহাল দশা, লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ বড়াইগ্রামে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ফুলগাজীতে স্কুলের সিঁড়ির নীচ থেকে স্কুল ছাত্র উদ্ধার তালায় নকলে সহযোগিতা করায় শিক্ষককে অব্যহতি, শিক্ষার্থী বহিস্কার

মাদক কেনাবেচায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিল-২০১৮ পাস

Spread the love

মাদক কেনাবেচায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিল-২০১৮ পাস

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

ইয়াবা (অ্যামফিটামিন), কোকেন, হেরোইন পরিবহন, কেনাবেচা, ব্যবসা, সংরক্ষণ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তান্তর, সরবরাহ ইত্যাদি অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবনের বিধান রেখে সংসদে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিল-২০১৮ পাস করা হয়েছে। অবশ্য বহনের পরিমাণ অনুযায়ী সাজা কমবেশি হতে পারে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনে অর্থ বিনিয়োগ, সরবরাহ, মদদ ও পৃষ্ঠপোষকতা দিলেও একই ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের বৈঠকে গতকাল শনিবার রাতে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। যদিও বিরোধী দলীয় কয়েকজন সংসদ সদস্য বিলটিতে সংশোধনী এনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিরোধীতা করেন। বিরোধী দলের সদস্যেদের প্রস্তাবের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মাদক একটি ভয়াবহ ব্যাধি। এখানে শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে আমরা পথ হারিয়ে ফেলব। সেজন্য আমরা আইনে অর্থলগ্নি, পৃষ্ঠপোষকতা, মদদদাতা সবাইকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসছি। মাদক নির্মূল করতে না পারলে আমরা রূপকল্প ২০৪১ বা ২০২১ যাই বলি, কিছুই অর্জিত হবে না। এরপর বিলটি পাসের প্রস্তাব কণ্ঠভোটে দিলে তা সর্বাধিক সমর্থন নিয়ে পাস করা হয়। এরআগে ২২ অক্টোবর বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিলটি গত ৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পায়। পাসকৃত বিলে, মাদক চাষাবাদ, উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে ২৫ গ্রামের বেশি হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আর ২৫ গ্রামের নিচে হলে কমপক্ষে দু’বছর ও সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান আছে। ইয়াবা বহনের ক্ষেত্রে ২০০ গ্রামের বেশি হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে ১০০ গ্রাম বা মিলিলিটার হলে সর্বনিম্ন ৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। কেউ যদি সজ্ঞানে কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য তার মালিকানাধীন অথবা দখলি কোনো বাড়িঘর, জায়গা-জমি, যানবাহন, যন্ত্রপাতি অথবা সাজ-সরঞ্জম কিংবা অর্থ-সম্পদ ব্যবহারের অনুমতি দেন তাহলে সেটা অপরাধ বলে গণ্য হবে। এ অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড। এ ছাড়া লাইসেন্সপ্রাপ্ত না এমন কোনো ব্যক্তির কাছে অথবা তার জায়গায় যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্য উপকরণ পাওয়া যায় সেটাও অপরাধ বলে গণ্য হবে। এর শাস্তি নূন্যতম দুই বছরের কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড। বিলে আরও বলা হয়েছে, অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করতে পারবে না এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন অথবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অনূন্য কোনো সহযোগী অধ্যাপকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পান করার অনুমোদন দেওয়া যাবে না। প্রস্তাবিত আইনানুযায়ী, মাদকাসক্ত ব্যক্তির ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেলে কমপক্ষে ৬ মাস ও সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ