October 21, 2019, 5:05 am

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল

মাদক আসে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল

Spread the love

মোহাম্মদ ইকবাল হাসান সরকারঃ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ মাদক উৎপাদনকারী দেশ না হয়েও মাদক সমস্যার কবলে পড়েছে মূলত ভৌগোলিক কারণে। তিনি বলেন, আমাদের দেশে অবৈধ মাদক প্রবেশ করে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে। বর্তমান সময়ের আলোচিত মাদক ইয়াবা ঢুকছে মিয়ানমার থেকে। আর ভারত থেকে আসছে গাঁজা, ফেনসিডিল, হেরোইন ও ইনজেকটিং ড্রাগ। গতকাল জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ইয়াবা মূলত মিয়ানমার থেকে নাফ নদ হয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশে পাচার হয়। ইয়াবার অনুপ্রবেশ বন্ধে ইতোমধ্যে টেকনাফে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নয় জনের সমন্বয়ে একটি অস্থায়ী সার্কেল স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি কক্সবাজার জেলায় ১০ জন ব্যাটালিয়ন আনসারসহ মোট ১৯ জনের একটি টিম মাদকবিরোধী কাজ করছে।মন্ত্রী জানান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ২০১৮ সালে এক লাখ ৬১ হাজার ৩২৩ মাদককারবারির বিরুদ্ধে এক লাখ ১৯ হাজার ৮৭৮টি মামলা দায়ের করেছে। ২০১৯ সালের জানুয়ারি-মে পর্যন্ত ছয় হাজার ৬৭১ মাদককারবারির বিরুদ্ধে ছয় হাজার ১৫৬টি মামলা করা হয়েছে। প্রতিদিন মাদকবিরোধী অভিযানের মাধ্যমে মাদককারবারিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। মাদক সমস্যা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এ পর্যন্ত মহাপরিচালক পর্যায়ে পাঁচটি ফলপ্রসূ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।ষষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সভার উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইয়াবা পাচার রোধকল্পে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে এ পর্যন্ত তিনটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি সভাতেই মিয়ানমারকে ইয়াবার উৎপাদন ও প্রবাহ বন্ধ করার জন্য এবং মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত ইয়াবা তৈরির কারখানা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়। মিয়ানমারের সঙ্গে চতুর্থ দ্বিপাক্ষিক সভা আগামী অক্টোবর মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, জঙ্গিবাদ নির্মূলে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। জঙ্গি হামলা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত, সাজাপ্রাপ্ত ও আটক জঙ্গিদের কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশালাইজড ফোর্স গঠনের পাশাপাশি উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, অপারেশনাল ও লজিস্টিকস সক্ষমতা বাড়ান হয়েছে। এ ছাড়া গোয়েন্দা নজরদারি এবং আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যে জঙ্গি আস্তানা, জঙ্গিদের অবস্থান শনাক্তপূর্বক গ্রেপ্তার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৫ জুন ২০১৯/ইকবাল
Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ