June 14, 2019, 5:42 am

শিরোনাম :

মহিপুরে রাজনৈতিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও ইউপি চেয়ারম্যান লাঞ্চিত আহত ৬

Spread the love

আনু আনোয়ার, পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর মহিপুরে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনায় সাংবাদিক ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান লাঞ্চিতের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় পক্ষের হামলায় ৬ জন আহত হয়েছে । এদের মধ্যে জামাল হোসেন,সলেমান ফকির,চুন্নু হাওলাদার,শাকিল খলিফা, আলমগীর ও সবুর মিয়াকে কলাপাড়া হাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাত ৯ টার দিকে মহিপুর থানার মৎস্য বন্দর আলিপুর চৌরাস্তা সংলগ্ন এলাকায় কুয়াকাটা পৌর মেয়র বারেক মোল্লার ছেলে মাসুদ মোল্লা, মেয়রের ভাই মোশারেফ মোল্লার নেতৃত্বে প্রথমে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে আহতরা জানান। এ ঘটনার জের ধরে পরে পাল্টা হামলায় লতাচাপলী ইউনিয়র পরিষদ চেয়ারম্যান আনছার উদ্দিন মোল্লাকে লাঞ্চিত করা হয়।প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক আতিপত্যকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই এলোপাতাড়ি হামলা শুরু করে। এসময় হামলাকারীরা কলাপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক যুগান্তর প্রত্রিকা’র কুয়াকাটা প্রতিনিধি, অনলাইন নিউজ পোর্টাল সাগরকন্যার সম্পাদক, কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সাংবাদিক নাসির উদ্দিন বিপ্লবকে টানা হেচড়া করে শরীরের পোশাক ছিড়ে ফেলে। এর কিছুখন পর স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আনসার উদ্দিন মোল্লা ঘটনাস্থলে পৌছলে তাকে একই ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইয়েদ ফকিরের ভাই ইউনিয়ন যুব লীগের নেতা নজরুল ফকির লাঞ্চিত করে বলে প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান। পরে মহিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।সাংবাদিক নাসির উদ্দিন বিপ্লব জানান, সম্প্রতি কুয়াকাটা পৌর মেয়র আবদুল বারেক মোল্লা বিরুদ্ধে একটি নিউজ প্রাকাশ হয়। লতাচাপলি ইউনিয়ন পরিষদের একটি জনসভায় প্রকাশ্যে মাইকিং করে তার ছোট ভাই আনছার মোল্লাকে নির্দেশ দেয় যে, সাংবাদিক নাসিরকে থামাতে হবে। সে বিভিন্ন সময়ে আমাদের বিরুদ্ধে নানা নিউজ করে রাজনৈতিকভাবে আমাদেরকে হেয় করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে তিনি আশংকা করছেন।মহিপুর থানা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ মোল্লা জানান, আমি ঘটনার সময় লোকমুখে শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিক নাসির বিপ্লবসহ সকলকে শান্ত করার চেষ্টা করি চেষ্টা করি। আমি এ ছাড়া কিছুই জানিনা। অথচ প্রতিহিংসার রাজনীতির কারনে আমাদেরকে জরিয়ে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।আনসার উদ্দিন মোল্লা জানান, সম্পুর্ন ঘটনাটি একটি সাজানো নাটক, সালাম গাজিকে মারধর করার বিষয়ে শালিশ বাঞ্চাল করতেই এই মিথ্যাচার। ঘটনা থামাতে গিয়ে উল্টো আমি মারধরের শিকার হয়েছি।মহিপুর থানার ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আহতদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১১জুন ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ