June 7, 2020, 6:46 am

শিরোনাম :
৬ দফা বাঙালির স্বাধীনতার সনদ- প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নির্বাচনে জো বাইডেনই হচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্রকে ছাপিয়ে মহামারী মরন ব্যাধী করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ব্রাজিলে সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাতাীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা ডিপ ক্রিটিক্যাল- ডা. কনক কান্তি চট্টগ্রাম নগরীর ৩৫নং ওয়ার্ড চাক্তাই এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং শীতল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াসিন সুলতানের উপহার সামগ্রী বিতরণ ফার্মেসীগুলির ডাকাতি ঠেকাতে হাজারীর গলিতে অভিযান করুন-ক্যাব চট্টগ্রাম ৫০ জেলা পুরোপুরি লকডাউন, ১৩ জেলা আংশিক করোনায় আক্রান্ত র‌্যাবের নির্বাহী হাকিম সরওয়ার আলম রাজশাহী বিভাগে আরও ৮৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত এযাবত আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ২৮৭ জন!

মশা নিয়ে বিপাকে মৌলভীবাজার পৌরবাসী

Spread the love

মশা নিয়ে বিপাকে মৌলভীবাজার পৌরবাসী

মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার

বিগত সাত বছর মৌলভীবাজার পৌরসভায় মশা নিধনের ঔষধ নেই। শীত মৌসুম এলে বেড়ে যায় মশার উৎপাত।  ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার পৌরসভা এলাকা।  এসব ওয়ার্ডের মানুষ মশার উৎপাতে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে।  দিনের বেলা অফিস আদালতের কর্মকর্তা কর্মচারী মশার উৎপাতে কাজ কর্ম করতে পারছেনা।

রাতের বেলা স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা লেখা পড়া করতে পারছে না।  মশার উৎপাত ঠেকাতে প্রয়োজন দুই হাজার লিটার ঔষধ ছিটানো।  কিন্তু পৌরসভায় কোনো ঔষধ নেই! এমনকি সাত বছরে কোনো  ঔষধ আসছেনা। মশা নিয়ে বিপাকে পড়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।  শহরবাসী এখন মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ।  শহরের  প্রত্যেক পাড়া-মহলা, এমনকিঅফিস আদালতে মশার উৎপাত দিন দিন বৃদ্ধি হচ্ছে। অথচ এ ব্যাপারে পৌর কর্তৃপক্ষ যেন অনেকটাই উদাসীন।  মশার উপদ্রব বাড়লেও শহরের  কোথাও ছিটানো হয়নি মশা নিধনের ঔষধ।  হাসপাতালে ও ডাক্তারে চেম্বারে  দেখাযায় জ্বর আক্রান্ত রোগীরাই বেশি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সড়ক ও জনপথ, মাদ্রক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর,বিআরটিএ, এলজিডি -সহ অনেক অফিসের কর্মকর্তা বলেন,মশার উপদ্রব এতই বেড়েছে যে,বিদ্যুৎ চলেগেলে বা একটু অন্ধকার হলে মশার কামড়ে কাজ করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।  শহরের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভের সাথে বলেন,আমরা যেনো মশার রাজ্যে বাস করতেছি। বিগত কয়েক বছর ধরে  পৌর কর্তৃপক্ষ মশা নিধনের ব্যাপারে তাদের কোনো মাথা ব্যাথ্যা নেই। স্কুল কলেজের অভিবাবকরা দু:খের সাথে বলেন,ছেলে মেয়েদের সমাপনী পরিক্ষা চলতেছে, একি সাথে বাড়ছে মশার উৎপাত। পাড়ামহলার বাসিন্দারা বলেন, রাতের বেলা মশারী টাংঙ্গীয়েও মশার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাচ্ছেনা। একটু ফাঁক পেলেই  ঢুকে পড়ছে মশার ঝাক। মশার কামড়ে বাচ্চারা অসুস্ত হয়ে পড়ছে,এতে করে দিন দিন শিশুদের জ্বরের সংখ্যা  বাড়ছে, সাথে সাথে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর হার।  মৌলভীবাজার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল হোসেন মোঠো ফোনে জানান,তাদের কাছে পায় সাত/আট বছর ধরে মশার কোনো ঔষধ নেই। ঔষধ আসার কোনা সম্ভাবনা নেই।  পৌর কর্তৃপক্ষ শহরবাসিকে বাসা ও বাসার আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখার পরামর্শ দিয়ে ও পৌরসভার পক্ষ থেকে মশার প্রজননক্ষেত্র বিনষ্ট করতে নালা-নর্দমা পরিচ্ছন্নতা অভিযান করে তাদের দায়িত্ব শেষ করেন।  তবে উক্ত কর্মকর্তা বলেন, আমাদের কাছে কখন যে মশার ঔষধ আসবে তা আমরা বলতে পারতেছিনা।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ