April 1, 2020, 11:18 pm

শিরোনাম :
ভৈরবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৮ জন কে আইনের আওতায় আনা হয় ও ১৭৫০০ টাকা জরিমানা করা হয় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রহ্মপুত্র নদে হিন্দু সম্প্রদায়ের অষ্টমী পালন কুয়াকাটায় দেয়াল চাপা পরে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থী নিহত গভীর রাতে কর্মহীন অসহায় মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন যশোরে কেটলির গরম পানিতে চা-দোকানির হাত ঝলসে দিল পুলিশ বাদাঘাট শ্রী কৃষ্ণ সেবা সংঘের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সাবেক ডিসি,আরডিসি,দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত ফুলবাড়ীতে বাজার পরিস্কার করলো রংধণু পাঠাগার ও চাষী ক্লাবের সেচ্ছাসেবীরা ভোলায় সাংবাদিকের উপর হামলা সেই চেয়ারম্যানের ছেলে নাবিল হায়দার গ্রেফতার রাজশাহী মেডিকেলে শুরু হয়েছো করোনা পরীক্ষা’ রিপোর্ট মিলবে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টায়

ভোলা বোরহানউদ্দিনে তিন সন্তানের মা হয়েও নির্যাতন থামেনি পাষাণ স্বামীর

Spread the love

রুজিনা বেগম, ভোলা জেলা প্রতিনিধিঃ

ভোলা বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া চকডোস ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত মোস্তফার ছেলে জ্বীনের বাদশা ও ইয়াবা সম্রাট ইউসুফের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। খাদিজা বেগম জানান, শরীয়া মোতাবেক ইউসুফের সাথে দীর্ঘ ৯ বছর পুর্বে আমার বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকেই ইউসুফ ইয়াবা সেবন করে সারারাত জিনের ব্যবসা করে কারনে অকারনে আমাকে বিভিন্ন সময় নির্যাতন করেন। ব্যবসা করার কারণে কয়েকবার তাকে পুলিশ গ্রেপ্তারও করেছিল। ভবিষ্যতে সে ভাল হয়ে যাবে এ আশায় আমি তার সকল অন্যায় অত্যাচার সইতে থাকি ও তার সংসার করে আসছি এবং তিনটি সন্তানের মা হয়েছি। এখন দেখি আমার স্বামী ইউসুফ ভালতো হলোই না বরং আগের থেকে অনেকটা খারাপ হয়েগেছে। গভীর রাতে জ্বীনের বাদশা পরিচয় দিয়ে মানুষের কাছ থেকে ফোন করে প্রতারণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় তিনি। নেশা আসক্ত হয়, ইয়াবা ট্যাবলেট সে নিজেই সেবন করেন এবং ব্যবসা করেন। এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজন এসে তার কাছ থেকে ওই ট্যাবলেট ইয়াবা সংগ্রহ করেন। আমার স্বামী ইউসুফ আমাকে ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করতে বলে, আমি তার কথায় রাজিনা হলে সে আমাকে গত ১৮/৩/২০ ইং তারিখ রাত ৩ টার সময় সে আমার উপর অমানুষিক নির্যাতন করেন। একপর্যায়ে সে আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল, আমার চিৎকারের শব্দ শুনে তার ছোট বোন নুরনাহার ও আমার শাশুড়ি এসে আর নির্মম অত্যাচারের হাত থেকে কোনরকম আমাকে বাঁচায়। পরের দিন সকালে আমি আমার কাচিয়া ৪নং ওয়ার্ডের বাপের বাড়িতে চলে আসি। এব্যাপারে জ্বীনের বাদশা ইয়াবা সম্রাট ইউসুফ এর বক্তব্য জানতে গিয়ে এলাকায় তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে তার মুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিষয়টি সামান্য বলে ফোনের লাইন কেটে দেয়। তবে তার ছোট বোন নুরনাহার ও তার মা বলেন ইউসুফ মানুষ হিসাবে অনেক খারাপ সে খারাপ বলে তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। সময় অসময় মেয়েটিকে ইউসুফ অমানুষিক নির্যাতন করে থাকেন। এলাকাবাসী জানান,জ্বীনের বাদশাহ ও মাদকের ব্যবসা করে ইউসুফ অর্ধকোটি টাকার মালিক হয়েছে। এজন্য সে কাউকে মানতে রাজি নয়, এমনকি তার মায়ের সাথেও প্রায় সময় খারাপ ব্যবহার করে থাকেন। ভুক্তভোগী খাদিজা বেগম, তার স্বামী ইউসুফ এর ত্যাচারের হাত থেকে বাঁচার ও তিনটি সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২১ মার্চ ২০২০/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ