September 21, 2020, 11:33 am

শিরোনাম :
রাজারহাটে তিন যুবক পি’স্তল সহ আটক রাজশাহী বাগমারায় গৃহবধুকে হত্যার অভিযোগ পীরগঞ্জে ব্রাক স্কুল শিক্ষিকাকে ধষর্ণের চেষ্টার অভিযোগ রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ০১ বন্দীর স্ত্রীকে জিম্মি করে ভাগিয়ে নিয়ে গেলেন কারারক্ষী সুন্দরগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিকের জায়গা জবর দখল আমনুরায় র‌্যাবের অভিযানে ৩০০ লিটার চোলাই মদ সহ গ্রেফতার ১ অস্ত্র দিয়ে অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন তিন পরিকল্পনাকারী কুয়াকাটায় বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে রেকর্ডীয় জমি ও খাল দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন চৌদ্দগ্রামে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সে গ্রাহকের মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে বিতর্কিতদের পুনঃ নিয়োগ না দেবার আহবান ক্যাব’র রাজশাহীর পুঠিয়ায় ট্রাক ড্রাইভার হত্যায় ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ঝিনাইদহে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা সান্তাহারে গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে যুবকের আত্মহত্যা গোবিন্দগঞ্জে শোলাগাড়ী আলিম মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রংপুর গঙ্গাচড়ার খিালালগঞ্জে ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন সাহেদের অস্ত্র মামলার রায় ২৮ সেপ্টেম্বর আরো ২৬ জনের মৃ ত্যু, শনাক্ত ১৫৪৪ মসজিদে ডুকে সু-কৌশলে ঈমামের মোবাইল চুরির অপচেষ্টা রাজশাহীতে ৯২ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার’ ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রাজশাহীর কাটাখালীতে ইয়াবাসহ ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ভুয়া সঞ্চয়পত্র দেখিয়ে সাড়ে ৮ কোটি টাকা ঋণ নেন এইচ এম এ বারিক ওরফে বাদল ওরফে বাদল হাওলাদার ওরফে মোস্তাক আহমেদ এবং তার স্ত্রী মরশিদা আফরীন

Spread the love

হাফেজ মাওলানা মুফতি মোঃ রেজাউল করিম সিরাজী,নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

এইচ এম এ বারিক ওরফে বাদল ওরফে বাদল হাওলাদার ওরফে মোস্তাক আহমেদ এবং তার স্ত্রী মরশিদা আফরীন। ছবি : সংগৃহীত

ভুয়া সঞ্চয়পত্র জমা দিয়ে দুটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাৎকারী এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি)ওই দম্পতির নাম এইচ এম এ বারিক ওরফে বাদল ওরফে বাদল হাওলাদার ওরফে মোস্তাক আহমেদ এবং তার স্ত্রী মরশিদা আফরীন।সিআইডির  দাবি, একটি  চক্র  তৈরি করে তারা ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তারা ভুয়া সঞ্চয়পত্র জমা দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করতো।তারা  প্রতারণার  টাকায়  রাজধানীর  অভিযাত  এলাকা  গুল শান,উত্তরাসহ  রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে  বাড়ি,  গাড়ি,  জমি  ও  ফ্ল্যাট  ক্রয় করে ছেন।বর্তমানে তাদের রয়েছে শত শত কোটি টাকার সম্পদ। ১৬  বছর  আগে  দায়ে রকৃত একটি মামলার পর এ দম্পতি পালিয়ে ছিল। অবশেষে  গত ১০ জানুয়ারি ২০ ২০ ইং তারিখ শুক্রবার খুলনার খালিশপুর এলাকা থেকে পুলিশের অপরাধ।তদন্ত  বিভাগের (সিআইডি) টিম তাদের গ্রেফতার করে।১১ জানুয়ারি ২০২০ ইং তারিখ শনিবার  সিআইডির  সদর  দফতরে  সিআইডির  ইকোনমিক  ক্রাইম স্কোয়াডের  অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।সিআইডি জানায়, এ চক্রটির মূলহোতা একজন শিল্পপতি। তার  ঢাকা  স্টক  এক্সচেঞ্জে ব্যবসা ছিল। ব্যাংক  থেকে  জালিয়াতি  করে  অর্থ  আত্মসাৎ  করে  সে ব্যব সা করে শিল্পপতি হয়েছে। তার পরিচয় পেয়েছে সিআইডি।তবে তদন্তের  স্বার্থে  ওই  শিল্পপতির নাম গোপন রেখেছে সিআইডি।শিগগিরই  তাকে  গ্রেফতার করা  হবে  বলে সিআইডি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।সাংবাদিক  সম্মেলনে  সিআইডি  কর্মকর্তা  ফারুক হোসেন  বলেন,  ২০০৪  সাল  থেকে  এই  প্রতারক  চক্র  ২১টি  ভুয়া  সঞ্চয় পত্র  তৈরি  করে  এর  বিপরীতে  এবি  ব্যাংক  ও ট্রাস্ট ব্যাংক  থেকে  আট কোটি  ৬৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে সেই টাকা আত্মসাৎ করেছে।এ  ঘটনার  সঙ্গে  এবি ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখার তৎকালীন ম্যানেজার জড়িত ছিল।তিনি  আরো  বলেন, জালিয়াতি করে এই দম্পতি ঢাকায় একাধিক বাড়ি ও অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছে।এই  দম্প তির ব্যাংক  হিসাবে  জালিয়াতি  করে  উপার্জিত  দুই  কোটি  টাকার  সন্ধান  পেয়ে ছে সিআইযি।এছাড়াও  তাদের  নামে  গুলশান-২  এ প্রায়  ১০০  কোটি  টাকা  মূল্যের  একটি  ৯ তলা বাড়ি,  উত্তরায়  শত  কোটি  টাকার  মূল্যের ১টি  ৬ তলা  বাড়ি,  উত্তরখান  এলাকায়  কোটি  টাকা মূল্যের  একটি  দুই তলা  বাড়ি,  এছাড়াও  রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, গাড়ি ও জমির তথ্য পাওয়া গেছে।তিনি  জানান,  ২০০৪ সালে এবি ব্যাংক থেকে  এভাবে  জালিয়াতি  অর্থ হাতিয়ে  নেয়ার ঘটনায় একটি মামলা করা হয়। তবে তখন থেকে পালিয়ে ছিলেন  মোস্তাক  হাওলাদার।তখন  ওই  মামলায় তার সাজাও হয়েছে। এরপর থেকে সে পলাতক।গত ১৬ বছরে সে সিঙ্গা পুর,মালয়েশিয়া ও ভারতে পালিয়ে ছিল।২০১১ সালে গোপনে দেশে এসে আবার  জালিয়াতি শুরু করে। ১৬ বছর ধরে পলাতক  মোস্তাককে  খুঁজ ছিল পুলিশ।তিনি  আর ও জানান,  ওই মামলায় এবি ব্যাংকের ধানমন্ডি ব্রাঞ্চের  তৎকালীন  ম্যানে জার  আসিরুল হককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০০৬ সালে  তিনমাস কারাভোগ  করেন তিনি।পরবর্তীতে  সে জামিনে  মুক্ত হলে  হৃদরোগে  মারা যান।তবে  এর  সঙ্গে  ব্যাংকের  আর  কোনো  কর্মকর্তা  জড়িত  আছে  কি না? তা তদন্ত করে দেখছে সিআইডি।ব্যাংক  থেকে  ভুয়া সঞ্চয়পত্র  দিয়ে ঋণ নিয়ে অর্থ  আত্মসাতের  এই  ঘটনায়  দুদক ২০০৪,  ২০১১ ও ২০১৬  সালে  ঢাকার  গুলশান,  ধানমন্ডি, উত্তরা পশ্চিম ও মোহাম্মদপুর থানায় সাতটি মামলা দায়ের করে।মামলা গুলো  সিআইডি  তদন্ত  করছে  বলে  জানান তিনি।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১২ জানুয়ারি ২০২০/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ