August 23, 2019, 8:08 pm

শিরোনাম :
তাহিরপুরে ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ ভ্রাতৃত্ব ফাউন্ডেশনের অসহায় লোকের কাঙ্গালী ভোজ কেশবপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জন্মাষ্টমী পালিত জামালপুরের ডিসির সাথে অফিস সহকারির আপত্তিকর নিয়ে তোলপাড় তাহিরপুরে কৃষ্ণজন্মাষ্টমী পালিত শিবগঞ্জ বাসি বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান ডঃ তোহিদুল ইসলাম পলাশকে শ্রমিকলীগ সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার “সুলতান মাহমুদ অটিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের উদ্দেগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চাদাঁ দিয়ে নয় ,একই মায়ের অভিন্ন সন্তান হিসেবে বসবাস করতে চাই-কংজরী চৌধুরী তোয়াকুল ছাত্র জমিয়তের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বগুড়ার মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের নিয়ে জনসেচনতামূলক র‌্যালী ও লিফলেট বিতরন বোয়ালমারীতে প্রাইম ব্যাংক কর্মকর্তার বিদায় বরণ অনুষ্ঠান

ভুল সময়ে আউট হয়েছি: তামিম

Spread the love

ভুল সময়ে আউট হয়েছি: তামিম

ডিটেকটিভ স্পোর্টস ডেস্ক

রান তাড়ায় অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থায় কখনও যেতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে বেশ কয়েক বার সম্ভাবনার হাওয়া বইতে না বইতেই গেছে থেমে। সেটির দায় ব্যাটসম্যানদেরই দিচ্ছেন তামিম ইকবাল। কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন নিজেকেও।

বাংলাদেশ নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান করেছে বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ট্রেন্ট ব্রিজে। তবে ৩৩৩ রান করেও জয় ধরা দেয়নি। অস্ট্রেলিয়া যে করেছিল ৩৮১।

শুরুতে সৌম্য সরকারকে রান আউটে হারানোর পর দ্বিতীয় উইকেটে তামিম ও সাকিব আল হাসান গড়েন ৭৯ রানের জুটি। এই জুটি যখন নিয়ন্ত্রণ ভালোভাবে নিতে শুরু করেছেন, সাকিব আউট হয়ে যান ৪১ বলে ৪১ করে।

বড় রান তাড়ায়ও একটু সময় নিয়ে নিজের মতো করে খেলেছেন তামিম। ফিফটি করেন ৬৫ বলে। এরপর যখন তার আরও বড় ইনিংস খেলার কথা, উল্টো ৬২ রানে মিচেল স্টার্কের বল টেনে আনেন স্টাম্পে। এরপর মাহমুদউল্রাহ ও মুশফিকুর রহিমের জুটির সময়ও জয়টা অসম্ভব মনে হয়নি। তবে সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ পায়নি এই জুটিতেও।

এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশ কখনও ওয়ানডে ৩৩০ রানের বেশি করতে পারেনি। ৩৮২ রান তাড়ায় জয় তাই ছিল অসম্ভরের কাছাকাছি। তবে রান তাড়ার সম্ভাব্য একটি ছবি এঁকেছিল দল, জানালেন তামিম।

“বড় স্কোর রান তাড়ার অভিজ্ঞতা আমাদের খুব বেশি নেই। আমি যেটা করছিলাম যে স্কোরবোর্ডের দিকে তাকাচ্ছিলাম না। চেষ্টা করছিলাম যে ৩০ ওভার পর যদি ১৮০-২০০ রানের মধ্যে থাকি, তাহলে শেষ ২০ ওভারে সুযোগ নিতে পারি। আগেই বেশি আগ্রাসী হতে গিয়ে উইকেট হারিয়ে যদি খেলা নষ্ট করে দেই, তাহলে কিছুই হবে না। এই ৩৩০-৩৪০ রানও হতো না। পরিকল্পনা ছিল শেষ ২০ ওভারে ১৭০-১৮০ করার, টি-টোয়েন্টিতে যেটি অনেক সময়ই হয়ে থাকে।”

তবে সেই সম্ভাব্য ছবি নষ্ট হয়ে গেছে নিজেদের ভুলেই, অকপট স্বীকারোক্তি এই ওপেনারের।

“ঝামেলা হয়েছে যে, ভুল সময়ে আমি আউট হয়ে গেলাম। সাকিব আর আমার জুটি ভালো হচ্ছিল, সেও ভুল সময়ে আউট হলো। আমরা ভালো খেলেছি, তবে আরও ভালো হতে পারত যদি আমরা ভুল সময়ে উইকেট না হারাতাম।”

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ