August 23, 2019, 7:43 pm

শিরোনাম :
জামালপুরের ডিসির সাথে অফিস সহকারির আপত্তিকর নিয়ে তোলপাড় তাহিরপুরে কৃষ্ণজন্মাষ্টমী পালিত শিবগঞ্জ বাসি বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান ডঃ তোহিদুল ইসলাম পলাশকে শ্রমিকলীগ সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার “সুলতান মাহমুদ অটিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের উদ্দেগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চাদাঁ দিয়ে নয় ,একই মায়ের অভিন্ন সন্তান হিসেবে বসবাস করতে চাই-কংজরী চৌধুরী তোয়াকুল ছাত্র জমিয়তের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বগুড়ার মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের নিয়ে জনসেচনতামূলক র‌্যালী ও লিফলেট বিতরন বোয়ালমারীতে প্রাইম ব্যাংক কর্মকর্তার বিদায় বরণ অনুষ্ঠান সারিয়াকান্দিতে বজ্রঘাতে মানুষ সহ গরুর মৃত্যু তাহিরপুর প্রেসক্লাব সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে তাহিরপুর প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ

ব্যাংক থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ নিতে চায় সরকার

Spread the love

ব্যাংক থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ নিতে চায় সরকার

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

নতুন (২০১৯-২০) অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে এক লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। বিশাল ঘাটতি মেটাতে এবার ব্যাংক থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ নিতে চায় সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের জন্য পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ তথ্য জানান। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তিন লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে তিন লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। আয়-ব্যয়ের বিশাল পার্থক্যের কারণে এবার বাজেট ঘাটতিও অন্য যেকোনও সময়ের চেয়ে বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে অনুদান ছাড়া বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে এক লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। এই ঘাটতি মেটাতে বিদেশ থেকে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে ৬৩ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকার। আর ব্যাংক থেকে সরকার ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ নিতে চায়। এছাড়া, জাতীয় সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকার অভ্যন্তরীণ ব্যাংক খাত থেকে ঋণ না নিয়ে কম সুদে বৈদেশিক ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারতো। তাতে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ বেশি রাখা সম্ভব হতো। তারা বলছেন, সরকার যদি ব্যাংক থেকে ৪৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয় তাহলে বেসরকারি খাত চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাবে না। এ প্রসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে ব্যাংকে তারল্য সংকট রয়েছে। এখন যদি সরকার ৪৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয় তাহলে বেসরকারি খাত চাপে পড়বে। সরকার ব্যাংক খাত থেকে আরও ঋণ নিলে ব্যাংকিং খাতে আরও তারল্য সংকট তৈরি হবে। তাতে নতুন করে ব্যাংখগুলো ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা হারাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের শুরু থেকে ২৬ মে পর্যন্ত ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। অনেকেই বলছেন, অর্থবছরের শেষ সময়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আদায় আশানুরূপ না হওয়ায় সরকারের ঋণ বেড়েছে। গত অর্থবছর শেষে ব্যাংক খাতে সরকারের ঋণস্থিতি ছিল ৮৮ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের ২৬ মে মাসে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ২ হাজার ২০৮ কোটি টাকায়। চলতি অর্থবছরের ২৬ মে পর্যন্ত সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা। এরমধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকার নিয়েছে ৮ হাজার ৩৮৭ কোটি টাকা। আর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নিয়েছে ৫ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ব্যাংক ব্যবস্থায় সরকারের মোট ঋণস্থিতির মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকে রয়েছে ৭২ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা। আর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ২৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা। সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ঋণ নেয়। ৯১ দিন, ১৮২ দিন ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি বিলের মাধ্যমে ঋণ নেয়, যা স্বল্পমেয়াদি ঋণ হিসেবে বিবেচিত। এ ক্ষেত্রে বর্তমানে সুদ হার রয়েছে সাড়ে ৪ থেকে ৫ শতাংশের মতো। আর বন্ডের মাধ্যমে সরকার ২ বছর, ৫ বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর ও ২০ বছর মেয়াদি ঋণ নেয়। বর্তমানে সরকারকে এসব ব্যাংকের সুদ হার বাবদ ৬ দশমিক ৩২ থেকে ৮ শতাংশ ব্যয় করতে হয়।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ