July 14, 2020, 6:44 pm

শিরোনাম :
কুয়াকাটায় সন্ধান মিলেছে ভূগর্ভস্থ প্রাকৃতিক গ্যাসের রাজারহাটে ভারঃ অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পাওয়ায় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ র‌্যাবের অভিযানে বিভিন্ন থানা এলাকায় এক নারীসহ পাঁচ মাদক কারবারি আটক র‌্যাব-৫ এর অভিযানে রাজশাহীতে বিপুল পরিমান হেরোইন উদ্ধারসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভৈরবে অনুমোদনবিহীন কয়েল ফ্যাক্টরিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা সকল মহলে প্রশংসিত রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খুরশীদা বানু কনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে র‌্যাব-৫ এর অভিযানে অবৈধ অস্ত্র-গুলি ও ম্যাগজিনসহ ১ যুবক আটক র‌্যাব-৫ এর মাদক বিরোধী অভিযানে রাজশাহীতে মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মুন্ডুমালা পৌরসভার ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি জোহর আলীর মৃত্যুতে সাইদুর রহমানের উদ্দোগে দোয়া মাহাফিল রংপুরে পল্লীবন্ধুর সমাধিতে জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির শ্রদ্ধাঞ্জলি

বৃষ্টির অজুহাতে একদিনের ব্যবধানে রাজধানীর খুচরা বাজারে কাঁচামরিচের কেজি ২০০ টাকা

Spread the love

মোহাম্মদ ইকবাল হাসান সরকারঃ

সপ্তাহ ধরেই বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম।তবে এবার বৃষ্টির অজুহাতে একদিনের ব্যবধানে রাজধানীর খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দাম বেড়ে বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা।এছাড়া পাইকারি বাজারে পণ্যটির দাম বাড়লেও খুচরা বাজারে মূল্যের বিস্তর ফাঁরাক দেখা গেছে।ভোক্তারা বলছেন, একদিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম দ্বিগুণ বাড়া অযৌক্তিক।কারণ বাজারে পণ্যটির কোনো সংকট নেই। চাহিদা মতো চাইলেই পাওয়া যাচ্ছে। তবে গুনতে হচ্ছে বেশি টাকা। তাই বাজার তদারকি সংস্থার এদিকে নজর দিতে হবে।গতকাল ২৯ জুন ২০২০ ইং তারিখ সোমবার রাজধানীর পাইকারি পর্যায়ে শ্যামবাজারের বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ দিন প্রতিপাল্লা (৫ কেজি) কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকা; যা প্রতি কেজির দাম হয় ৮০ টাকা।তবে একদিন আগে রোববার প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা।অন্যদিকে রাজধানীর নয়াবাজার ও রায়সাহেব বাজারের খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ দিন সেখানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ১৭০-১৮০ টাকা; যা একদিন আগে বিক্রি হয়েছে ৫০-৬০ টাকা। তবে রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচাবাজার ও কেরানীগঞ্জের জিনজিরা বাজারে এ দিন প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১৮০ থেকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।নয়াবাজারের সবজি বিক্রেতা হেলাল প্রাইভেট ডিটেকটিভকে বলেন, হঠাৎ বৃষ্টিতে মরিচ ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে। যে কারণে ক্ষতি পোষাতে কৃষক পর্যায় থেকে দাম বাড়ানো হয়েছে। সেজন্য পাইকারিতেও বেড়েছে।তাই বেশি দামে পণ্য এনে খুচরায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে পাইকারি থেকে খুচরায় দামের ফাঁরাক কেন?জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাইকারি বাজার থেকে আনতে আনতে অন্যান্য সবজির চাপে নষ্ট হয়ে যায়।এরপর ওজনেও কম থাকে।তাই মূল্য সামঞ্জস্য করতে একটু বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।তবে দুই-এক দিনের মধ্যে সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে।নয়াবাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা সাজন প্রাইভেট ডিটেকটিভকে বলেন, একদিনের ব্যবধানে পণ্যটির দাম অস্বাভাবিকভাবে চড়ে যাওয়া অযৌক্তিক। বৃষ্টিতে মরিচের ক্ষতি হতে পারে, তাই বলে একদিনের ব্যবধানে আকাশচুম্বি দাম হতে পারে না।মরিচ যদি বাজারে ঘাটতি থাকত, তাও কিন্তু না। চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে। তবে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? তাই বাজার তদারকি সংস্থার এ বিষয়ে নজর দিতে হবে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৩০ জুন ২০২০ /ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ