June 26, 2019, 7:06 am

বুড়িমাড়ীর স্হলবন্দরে ডি ডির প্রত্যাহারে দাবি

Spread the love

মিথুন,পাটগ্রাম (লালমনির হাট) প্রতিনিধিঃ

লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরে ভারতগামী যাত্রী পারাপারে অতিরিক্ত টাকা দাবিকে কেন্দ্র করে বন্দর উপ-পরিচালকের সাথে পরিবহন শ্রমিকদের দ্বন্দ্বে সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায় বুড়িমারী স্থলবন্দর নৈশ কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন।সোমবার (১০ জুন) বিকেল থেকে এ অবরোধ চলছে। ফলে বুড়িমারী স্থলবন্দরের ওপারে ভারতের চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরে পণ্যবাহী কয়েক’শ গাড়ি আটকা পড়েছে। জানা যায়, বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে দেশ- বিদেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপারে বন্দর ব্যবহারের জন্য সরকার নির্ধারিত ৪২ টাকা ৭৫ পয়সা ফি বন্দর কর্তৃপক্ষকে পরিশোধ করতে হয়। পাসপোর্টধারী যাত্রীরা দীর্ঘদিন থেকে উল্লেখিত ফি পরিশোধ করে আসলেও সোমবার স্থলবন্দর উপ- পরিচালক মনিরুল ইসলাম যাত্রী প্রতি ৪২ টাকা ৭৫ পয়সার স্থলে একশত টাকা দিতে হবে বলে বন্দরের যাত্রী পরিবহনে নিযুক্ত পরিবহন শ্রমিকদের জানান। অতিরিক্ত এ টাকা দিতে অস্বীকার করে বুড়িমারী স্থলবন্দর নৈশ বাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন তাৎক্ষনিক সড়ক অবরোধ করেন। ফলে বুড়িমারী স্থলবন্দরের ওপারে ভারতের চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরে পণ্যবাহী কয়েক শত গাড়ী আটকা পড়ে। এ খবর পেয়ে লালমনিরহাট সহকারী পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) তাপস সরকার, পাটগ্রাম সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপক কুমার দেব শর্মা, পাটগ্রাম থানার ওসি মনসুর আলী সরকার বুড়িমারী স্থলবন্দর নৈশ বাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাথে কথা বললে পরিবহন শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন। বুড়িমারী স্থলবন্দর নৈশ বাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক তৌফিক ইমাম আজম জানান, ‘স্থলবন্দরের ডিডি সম্পুর্ন অন্যায়ভাবে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের হয়রানির করতে অতিরিক্ত একশত টাকা সার্ভিস চার্জ আরোপ করে। একশত টাকা না দিলে যাত্রী পরিবহনে নিযুক্ত পরিবহনের কোনো লোক বন্দরে প্রবেশ করতে পারবে না বলে হুমকি দেন। এছাড়াও তিনি অকথ্য ভাষায় শ্রমিকদের গালি- গালাজ করেন। এ কারণে সকাল ১০ টা থেকে পরিবহন শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বন্দরের উপ- পরিচালকের প্রত্যাহার দাবি করে। এ ব্যাপারে বুড়িমারী স্থলবন্দরের উপ- পরিচালক মনিরুল ইসলামের সাথে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (অর্থ ও প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব মোঃ আলাউদ্দিন ফকির বলেন, ‘বুড়িমারী স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার যোগসাজসে কতিপয় দালাল পাসপোর্টধারী যাত্রীদের পাসপোর্ট হাতিয়ে নিয়ে সরকার নির্ধারিত ফি পরিশোধ না করেই অবৈধ সুবিধা লুফে নিত। এটা বন্ধ করতে বন্দরের উপ- পরিচালক মনিরুল ইসলাম ব্যবস্থা নেওয়ায় ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সড়ক অবরোধের ঘটনা সাজিয়েছে। বিষয়টি সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১১জুন ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ