February 17, 2020, 10:21 am

শিরোনাম :
শিবগঞ্জের সাংবাদিক প্রদীপ মোহন্তের মাতার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক গোপালপুর পৌরসভায় ভাতাভোগীদের উন্মুক্ত বাছাই কার্যক্রম বোয়ালমারীতে জুয়ার টাকাসহ ৮ জুয়াড়ি আটক বোয়ালমারীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ চেষ্টায় যুবকের জেল প্যারোলে মুক্তি চাইলে খালেদা জিয়ার নিজেরই আদালতের কাছে আবেদন করতে হবে -তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা: মুরাদ হাসান এমপি বোয়ালমারীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নকল সরবরাহের অভিযোগ অপসারণ দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের মেয়াদ বাড়ল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের আগে ইমরান খানের প্রশংসায় যুক্তরাষ্ট্র সেলফি তোলা নিষিদ্ধ কাবা শরিফ ও মসজিদে নববিতে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ হাজার ৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে

‘বিশ্বের সবচেয়ে পুরানো ওয়েবক্যাম’ বন্ধ হচ্ছে

Spread the love

‘বিশ্বের সবচেয়ে পুরানো ওয়েবক্যাম’ বন্ধ হচ্ছে

ডিটেকটিভ প্রযুক্তি ডেস্ক

২৫ বছর ধরে একটানা কাজ করার পর বন্ধ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে পুরানো ওয়েবক্যাম। ১৯৯৪ সালে স্যান ফ্রান্সিসকোর স্টেট ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে বসানো হয় ফগক্যাম নামের এই ওয়েবক্যামটি। আবহাওয়ার পরিবর্তন কীভাবে হয় তা দেখার জন্যই বসানো হয়েছিলো এই ক্যামেরা। এই ২৫ বছরে নিয়মিত তদারকি এবং বিভিন্ন সময়ে ক্যামেরার স্থান পরিবর্তন ছাড়া কখনোই বন্ধ করা হয়নি এটি–খবর বিবিসি’র। ক্যামেরাটির নির্মাতা বলছেন, এটি বন্ধ করা হচ্ছে কারণ এখন ওয়েবক্যামটি বসানোর জন্য আর কোনো ভালো জায়গা নেই। ড্যান অংয়ের সঙ্গে ক্যামেরাটি বসিয়েছিলেন জেফ শোয়ার্টজ। চলতি বছরের ৩০ অগাস্ট এটি বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শোয়ার্টজ আরও বলেন, “আমরা মনে করি এখন এটিকে বিদায় বলার সময় এসেছে।” হলোওয়ে অ্যাভিনিউয়ের ভালো দৃশ্য ঠিক রাখতে ক্যামেরাটির জন্য নিরাপদ স্থান দেওয়াটা কষ্টকর হয়ে উঠছে। ফগক্যামের ফুটেজ একটি ওয়েবসাইটে স্ট্রিম করা হতো। ক্যামেরাটি বন্ধ করা হলেও ওয়েবসাইটি চলবে বলে জানানো হয়েছে। শোয়ার্টজ বলেন, বিশ্বের প্রথম লাইভ ওয়েবক্যাম থেকে ফগক্যামের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন তিনি। ১৯৯৩ সালে কমিউনাল কফি পট দেখতে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটিতে বসানো হয়েছিলো ওই ওয়েবক্যামটি। ২০০১ সালে কেমব্রিজ কফি ক্যামটি বন্ধ করা হয়। ১৯৯৪ সালে প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করছিলেন শোয়ার্টজ এবং অং। ওয়েবক্যাম প্রকল্পটিকে কোড অনুশীলনের জন্য এবং প্রথম দিকের ওয়েব প্রযুক্তিগুলো আরও ভালোভাবে জানতে ব্যবহার করছিলেন তারা। “এটি ছোট একটি প্রকল্প ছিলো যা নিজেই নিজের জীবনী  বানিয়েছে। মানুষ এটিকে পছন্দ করেছেন তাই আমরা চালিয়ে গিয়েছি। “আমাদের ওয়েবক্যাম ইন্টারনেটের সেই পুরানো দিনের হাতছানি দেয়, যখন যে কেউ যে কোনো কিছু করতে পারতো,” বলেন শোয়ার্টজ।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ