November 14, 2019, 2:50 pm

শিরোনাম :
হাজী ছিদ্দেক মিয়া আদর্শ কে,জি স্কুলে ২০১৯ইং সমাপনী পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধণা প্রদান শার্শায় সিজারের সময় শিশুর মাথা কেটে মৃত্যুর অভিযোগ উত্তরবঙ্গে রেল-সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন,স্টেশন মাস্টারের ভুলে ৮ বগি লাইনচ্যুত সচিবালয়ে ঝাড়ুদার লেংড়া বাবুর ক্যাসিনো কারবার ফ্রিডম মিলনের ভাই ক্যাসিনো তুহিন ধরা ছোয়ার বাহিরে তরুন ক্যাটাকরিতে সুনামগঞ্জের শ্রেষ্ট করদাতা নির্বাচিত তাহিরপুরের জুয়েল আমিন বিএফএ লক্ষ্মীপুর জেলা ইউনিটের বার্ষিক সাধারন সভা ও কমিটি গঠন-২০১৯ অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্ধ লুটপাটের অভিযোগ নাটোরে অস্ত্রসহ যুবক আটক বোয়ালমারীতে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত
প্রতিকি ছবি

বান্দরবানে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী ঘটনায় জনসংহতি সমিতির বিবৃতি

Spread the love
অং মারমা,বান্দরবান জেলা প্রতিনিধিঃ

প্রতিকি ছবি

বান্দরবানে সাম্প্রতিক হত্যা, অপহরণ ও সন্ত্রাসী ঘটনার জন্য সরকারি দল আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছে আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল জনসংহতি সমিতি।আধিপত্য বিস্তারের জন্য সরকারি দলের সহযোগিতা এমএইচপিপি/মগ বাহিনী (আরাকান লিবারেশন পার্টি) নামে সন্ত্রাসী সংগঠন তৈরি করে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে বলে জনসংহতি সমিতির নেতারা উল্লেখ করেছেন।সোমবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক গুনেন্দু বিকাশ চাকমা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতা “চথোয়াইমং মার্মা” হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগ জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করার পর সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেয়া হয়েছে।বিবৃতিতে সংগঠনটি গ্রেফতারকৃত তাদের নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি, এমএইচপিপি/মগ  বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ তিন দফা দাবির  করেছে।জনসংহতি সমিতির দেয়া বিবৃতিতে জানানো হয়, ১৮ ফেব্রুয়ারি পিসিপির রাজস্থলী উপজেলা শাখার সভাপতি “উক্যনু মারমার” বাড়ি সন্ত্রাসীরা ঘেরাও করে, ১১ মার্চ কাপ্তাই উপজেলা  রাইখালীতে যুব সমিতির “চিংসাউ মারমা”, জনসংহতি সমিতির “উচিংমং মারমা” ও যুব সমিতির “অংথোয়াইচিং মারমা”কে মারধর করে আহত করা হয়েছিল, ১৪ এপ্রিল বান্দরবান জেলা জনসংহতি সমিতির রাজবিলা ইউপি  শাখার সদস্য “অংক্যচিং মারমা”কে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা, ২৩ এপ্রিল জনসংহতি সমিতির রাজস্থলী উপজেলা শাখার সদস্য ও গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য “মংক্যসিং মারমা”কে অপহরণ (এখনো নিখোঁজ), ৭ মে বান্দরবান জেলা রাজবিলা ইউনিয়নের রাবার বাগানে যুব সমিতির “বিনয় তঞ্চঙ্গ্যা”কে গুলি করে হত্যা এবং “ফোলারাম তঞ্চঙ্গ্যা”কে অপহরণ, ৯ মে বান্দরবানের কুহালং ইউনিয়নের ৩নং রাবার বাগানে “জয়মণি তঞ্চঙ্গ্যা”কে গুলি করে হত্যা, ১৩ মে বান্দরবান শহরের উপকণ্ঠে প্রুমংঞো পাড়ায় ১২ গ্রামবাসীকে হত্যার হুমকি, ১৫ মে রোয়াংছড়ি উপজেলার আলেক্ষ্যং ইউনিয়নের সাধু হেডম্যান পাড়ায় “শান্তিলাল ত্রিপুরা”সহ দুইজনকে গুলি করে হত্যা, ১৮ মে রাজবিলা ইউনিয়নের চিংক্ষ্যং পাড়া থেকে “উনুমং মারমা”কে অপহরণ (এখনো নিখোঁজ), ১৯ মে ভোরে রাজবিলা ইউনিয়নের তাইংখালী ৮নং রাবার বাগান পাড়ায় “ক্যচিংথোয়াই মারমা” নামে এক গ্রামবাসীকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়।সর্বশেষ ২২ মে “চথোয়াইমং মারমা”কে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনার জন্য জনসংহতি সমিতি বিবৃতিতে সরকারি দলের  সহযোগি থাকা এমএইচপিপি/মগ বাহিনীকে দায়ী করেছে।নেতারা জানান, প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা সত্ত্বেও এমএইচপিপি/মগ সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বরং জনসংহতি সমিতির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি করে আসছে।জনসংহতি সমিতি এ বিবৃতি দেয়ার পর বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর জানিয়েছেন, জনসংহতি সমিতি তাদের অপকর্ম ঢাকতেই এখন এই কথা বলছে।এই নেতা বলেন, জনসংহতি সমিতির সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজি ও তৎপরতায় এলাকার লোকজন এখন  আতংকের আছে ।উল্লেখ্য, বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতা “চ থোয়াই মং মারমা” হত্যার ঘটনায় জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য “কেএস মং মার্মা” ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক “ক্যবামং মরমা”কে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংগঠনের ১৩ নেতাকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে সদর থানায়। মামলার পর জনসংহতি সমিতির অধিকাংশ নেতাকর্মী এখন পলাতক।এদিকে আজ সোমবার বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগ তাদের কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/ ২৮ মে ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ