July 9, 2020, 4:56 am

শিরোনাম :
মিঠাপুকরে অবৈধবালু উত্তলনে ২লাখ টাকা জরিমানা, ২টি ড্রেজার মেশিন ও স্কেবেটর জব্দ কুমিল্লায় নারীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা’ পুলিশ সুপারের সঠিক দিক নির্দেশনায় গ্রেপ্তার-৩ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দাঁড়িয়ে রিজেন্ট কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের ক্রসফায়ার চান এমপি হারুন পাবনা সদরে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে এক সন্ত্রাসী নিহত’ ২টি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার শৈলকুপায় ২০ শতক জমির বেগুন গাছ ঔষুধ দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা বিশ্বম্ভরপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জুয়েল এর রুগ মুক্তিতে দোয়া-মাহফিল মোরেলগঞ্জে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের মানববন্ধন মাদক বিরোধী অভিযানে কলাপাড়া থানা পুলিশের সাফল্য কেশবপুরে নতুন করে ৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৫০ জন সুস্থ ২৮ জন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩১টি নমুনার পরীক্ষা ৮০টি করোনা পজেটিভ

বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই নিয়ামুলকে বদলি বাঁকড়া বাসীর ক্ষোভ প্রকাশ

Spread the love

বিল্লাল হুসাইন,ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ

যশোরের ঝিকরগাছা থানার “বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের” এএসআই নিয়ামুল ইসলামকে বদলি করায়, বাঁকড়া বাসীর মনে ক্ষোভ।যারা মানব সেবা করে তারাই প্রকৃত মানুষ, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গৌরব এবং আদর্শের প্রতিক পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই নিয়ামুল ইসলাম।আর সে সব ব্যক্তিদ্বয় সকল লোভ লালসা অর্থ মোহের উর্ধ্বে থেকে মানব সেবা যেন অবিরত করেই   যাচ্ছেছিলেন,বাঁকড়ায় যে কয়েকজন এএসআই আছে সে যেন  তার মধ্যে অন্যতম এএসআই নিয়ামুল ইসলাম।  আর এমন পুলিশ অফিসারকে বদলি করায় বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আওয়াতাধীন এলাকার মানুষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এমন সৎ পুলিশকে কেন বাঁকড়া থেকে বদলি করা হচ্ছে এটা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠছে।পুলিশ সুত্রে জানা যায়, বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই নিয়ামুল ইসলামকে বাগেরহাট জেলায় বদলি করা হয়েছে।  শুধু মানুষের সন্তুষ্টি নয় সৎ কর্মের মধ্যে দিয়েই একজন মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে। সর্বদা দয়া, ক্ষমা বিনিময়, সরলতা শিষ্টাচার ও সৎ গুনাবলীর অধিকারী হয়ে আছেন,সে যেন সর্বদা মানুষের সেবা নিয়েই চলতেন। তেমনি সাতক্ষীরা জেলা কালিগঞ্জ থানা বিন্ষ্ণপুর গ্রামের ন্যায়পরায়ন সময়ের শ্রেষ্ঠ সাহসী ও কৃতি সন্তান, এএসআই নিয়ামুল ইসলাম । সত্য, ন্যায় আর অপরাধীদের বিরুদ্ধে নির্ভীক পথচলার শপথ নিয়েই পুলিশ বাহিনীর প্রতিটি সদস্য এই মহান পেশায় যোগদান করে। কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্যটা অনেকটাই ভিন্ন হতে ভিন্নতর ,কতিপয় পুলিশ সদস্য এই মহান পেশাকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে নিজের আখের যোগাতে ব্যস্ত থাকে। তারাই হয় অপরাধীদের পথচলার সাথী। কিন্তু এত প্রতিকুলতার মাঝেও পুলিশ বাহিনীর হাল ধরে রেখেছেন যিনি, তিনি হলেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য, গর্ব ও অহংকার এএসআই নিয়ামুল ইসলাম, বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সেকেন্ড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।তার কৃতিত্বের বর্ণনা যতই করিনা কেন সবই কম মনে হবে, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক, চাঁদাবাজি, তথা সকল অপরাধমূলক কর্মকান্ড বাঁকড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রাধীন এলাকা থেকে সমূুলে উৎঘাটন করে একের পর এক সাফল্য তার হাত ধরে এসেছে।সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ,মাদক,চাঁদাবাজি কারবারীদের ত্রাস ছিলেন তিনি। মরণঘাতী করোনা ভাইরাসের মধ্যেও তিনি একের পর এক অভিযান চালিয়ে আটক করেছেন, বিভিন্ন সময় একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামীদের। ১১ই মে মার্ডার মামলার আসামিসহ একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী নাজমুলকে আটক করেন, ২১শে মার্চ ওয়ারেন্টভুক্ত একাধিক মামলার আসামি আসাদকে আটক করেন। ২৪শে ফেব্রুয়ারি এই চৌকস অফিসার অভিযান চালিয়ে ৩৬২ বোতল ফেন্সিডিল আটক করেন, এতে সাধারণ মানুষসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের বাহবা অর্জন করেন তিনি। ছদ্মবেশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আসামী আটক করেছেন তিনি এবং এই ছদ্মবেশে আসামি আটক করতে যে অনেক সময় নানা বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। নিজের জীবনকে বাজি রেখে মহেশ পাড়া গ্রামের বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ যুবক মামুনকে বাঁচাতে সাহায্য করেন তিনি।করোনাভাইরাস এর ভিতরেও বাঁকড়া এলাকার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে গিয়েও তিনি করোনার সচেতনতার প্রচারণা করেন। শংকরপুর বাজারের এক মিষ্টি বিক্রেতা বলেন, নেয়ামুল স্যার ছিলেন খুবই ভালো মানুষ তার কারণে শংকরপুর, ফেরিঘাট থেকে জুয়া খেলা মাদক বিক্রি নির্মূল হয়ে গেছে। আমার ২৫ বছরের দোকানদারি জীবনে এরকম পুলিশ অফিসার দেখিনি।মহেশপাড়া গ্রামের মিষ্টির দোকানদার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট যুবক মামুন বলেন,আল্লাহর রহমতে সেদিন নিয়ামুল স্যার ছিল বলে আজ আমি বেঁচে আছি। স্যার আমার নতুন করে জীবন দিয়েছে। স্যারের এমন বদলিতে আমি সত্যিই হতবাক হয়ে যায়। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি আরো বলেন, স্যার কে বদলি কি না করলেই হয় না এমন সৎ নিষ্ঠাবান পুলিশ অফিসার আমাদের দরকার। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তিনি আরজ করে বলেন যে স্যার আমাদের এখানে থাকুক তিনি আমাদের অঞ্চলের অনেক পরিবর্তন করেছেন তার মতন পুলিশ পেয়ে আমরা সত্যিই অনেক খুশি।(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)  বাঁকড়া বাজারের চায়ের দোকানদাররা বলেন, দারোগা নেয়ামুল স্যারের মত অফিসার আমরা কখনও দেখি নাই। সাধারন মানুষ কোন বিপদে পড়লে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তিনি সেই বিপদ থেকে উদ্ধার করে। সাধারন মানুষের প্রিয় তেমনই।মাদক,চোরাচালানীদের কাছে আতংকের নাম এএসআই নিয়ামুল ইসলাম। এমন সৎ সাহসী পুলিশকে আমাদের মাঝ থেকে কেন বদলি করা হলো আমরা বুঝতে পারছিনা। আমরা চাই এমন পুলিশ অফিসারের বদলির আদেশ পরিবর্তন করে বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আগের অবস্থায় যথারীতি তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকুক। জানতে চাইলে এএসআই নিয়ামুল ইসলাম বলেন,আমি যেখানেই যায় বাঁকড়া বাসীর কথা আমার হৃদয়ে থাকবে, তারা বিশেষ করে,সমাজের সর্ব স্তরের সমাজ সেবকগন, রাজনীতি বিদ,সাধারন মানুষ সহ এলাকার সাংবাদিক  ভাইয়েরা আমাদের,বিশেষ করে আমাকে সর্বদা সহযোগিতা করেছেন,তাহা কখন ভুলার নয়,ভুলবও না। আমি তাহাদের নিকট বলব তারা শুধু আমার জন্য যেন দোয়া করে যে ভাবে থাকি,যেখানে থাকি সর্বদা মানুষের সেবা করে,এই করোনা লগ্নে যেন মানুষের পাশে থেকে সেবা করতে পারি, সে দেশের সকল পুলিশ সদস্যদের,ও আমার এবং আমার পরিবার জন্য সকলের নিকট দোয়া চাই,সবাই দোয়া করবেন।বাঁকড়া বাসীকে আমি কখন ভুলবনা।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৩০ জুন ২০২০ /ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ