October 14, 2019, 7:21 am

বগুড়া সদরের চাঁদমুহা হরিপুরে হিন্দু সম্প্রদায় পরিবারের বিবাদ মান জায়গায় জোর করে পুজা করার হুমকি,প্রতিরোধের পাল্টা ব্যবস্থা

Spread the love

 

সাখাওয়াত হোসেন মহাস্থান(বগুড়া) প্রতিনিধিঃ 

বগুড়া সদরের গোকুল ইউনিয়নের চাঁদমুহা হরিপুর মধ্যপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি জায়গাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের আশংকা যে কোন মুল্যে জোর করে পুজা করার হুমকি, পাল্টা প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ। সরেজমিনে ও জায়গাটির মালিক চঞ্চল কুমাার দাস জানান, জায়গাটিতে ভুবেনশ্বর চন্দ্র দাস ও তার পরিবারের লোকজন জোর করে পুজা করার প্রস্তুতি গ্রহহ করে। তারা আরও জানায় বিবাদ মান ১ শতাংশ জায়গাটি নিযে কোর্টে সিভিল মামলা চলছে। মামলায় যারা ডিক্রি পাবে তারাই জায়গাটি ব্যবহার করবে। যদি কেউ জোর করে দখল করতে আসে তারা আইন শৃ শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগীতায় তা প্রতিরোধ করা হবে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামের সাধারন জনগন নিজেদের নিরাপত্তাহীন মনে করছে। কারণ এব্যাপারে জাগাটির মালিক চঞ্চল কুমার, সুজন কুমার ও তার পরিবারের লোকজন জানায়, জায়গাটি আমাদের। আমরা ১ শতাংশ জমি কালি মন্দিরের জন্য দান করেছিলাম, তাছাড়া আমাদের সমাজের সকলেরর জন্য সকল পুজা করার জন্য বারোয়ারী মন্দির রয়েছে। সেখানে শুধুমাত্র অমৃত চন্দ্র দাস ও তার পরিবারের লোকজন পুজা করেনা। তাই তারা জোর করে আমাদের জায়গাটি দখল করতে চায়। ঐ জায়গাটি নিয়ে কোর্টে সিভিল মামলা চলমান। মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে আমরা জায়গাটি জবর দখল করতে দেব না। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টা৩০ মি: র‌্যাব ১২ বগুড়ার সহকারী পরিচালক সৈয়দ আলী ও এস আই মোজাম্মেল হক সকলকে শান্তি পূর্ণ ভাবে বসবাস করার আহবান জানান। যারা আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।।

চঞ্চল কুমার, সুজন কুমার ও উজ্জল কুমার সহ তাদের কেন্দ্রীয় সার্বজনীন পুজা মন্দিরে শান্তিপূর্ণ ভাবে পুজা করার জন্য প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেন এবং বিবাদমান জায়গায় আইনগত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সেখানে কাউকে প্রবেশ করার অনুমতি না দেওয়ার জন্যও প্রশাসনকে অনুরোধ জানান।তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে প্রতিপক্ষের লোকজনেরা প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে বলে তারা আমাদের প্রতিনিধিদেরকে জানান।

এব্যাপারে গোকুল ইউপি চেয়ারম্যান সওকাদুল ইসলাম সরকার সবুজের সাথে কথা বললে তিনি জানান, হরিপুর মধ্যপাড়া গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিবদমান জায়গার সমস্যার সমাধানের জন্য আমি অনেক চেষ্টা করেছি এমনকি গত বছর চঞ্চল কুমার ও তার পরিবারের লোকজনের কাছে অনুরোধ করে অমৃত চন্দ্র দাসের পরিবারের সদস্যদেরকে পুজা করার অনুমতি নিয়ে তাদেরকে ১৫ দিনের ডেকোরেটারের কাপড় দিয়ে অস্থায়ী ভাবে পুজা করে জায়গাটি ছেড়ে দেওয়া জন্য উভয় পক্ষের একটি লিখিত নিয়েছিলাম। চঞ্চল কুমারেরা তা মেনে নিলেও অমৃত দাসের পরিবারের লোকজন পুজা শেষে তা জবর দখলের চেষ্টা করে। আমি সর্বদায় শান্তির পক্ষে।বিষয়টা গুরুত্ব দেওয়ার জন্য আমিও প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করছি। বর্তমানে উলে¬খিত এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ