September 17, 2019, 3:11 am

ফেসবুক, গুগল, ইউটিউবের আয়ের ওপর করের প্রস্তাব

Spread the love

ফেসবুক, গুগল, ইউটিউবের আয়ের ওপর করের প্রস্তাব

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে ফেসবুক, গুগল এবং ইউটিউব ইত্যাদির অর্জিত আয়ের ওপর করারোপের প্রস্তাব করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। এর মাধ্যমে দেশের করের আওতা বাড়বে। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে এই প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক বিশ্বায়ন এবং ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশের কারণে আন্তসীমান্ত লেনদেনের ধরন ও আকারে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। দেশের অর্থনীতি এখন অনেক বেশি উন্মুক্ত। ফলে কর পরিহার এর ঝুঁকিও বেশ বেড়েছে। ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে প্রচুর আয় করছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, কিন্তু তাদের কাছ থেকে আমরা তেমন একটা কর পাচ্ছি না। ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল লেনদেনের বিষয়টি তুলনামূলক নতুন বিধায় এসব লেনদেনকে করের আওতায় আনার মতো পর্যাপ্ত বিধান এতদিন আমাদের কর আইনে ছিল না। আমি ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল খাত যেমন- ফেইসবুক, গুগল, ইউটিউব ইত্যাদির বাংলাদেশে অর্জিত আয়ের উপর করারোপণের জন্য আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার আলোকে প্রয়োজনীয় আইনি বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করছি। এর ফলে আমাদের করের আওতা বাড়বে’, যোগ করেন অর্থমন্ত্রী। প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়, অর্থনৈতিক বিশ্বায়ন এবং ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশের কারণে আন্তসীমান্ত লেনদেনের ধরন ও আকারে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আমাদের অর্থনীতি এখন অনেক বেশি উন্মুক্ত। ফলে কর পরিহার এর ঝুঁকিও বেশ বেড়েছে। ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে প্রচুর আয় করছে, কিন্তু তাদের কাছ থেকে আমরা তেমন একটা কর পাচ্ছি না। ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল লেনদেনের বিষয়টি তুলনামূলক নতুন বিধায় এসব লেনদেনকে করের আওতায় আনার মতো পর্যাপ্ত বিধান এতদিন আমাদের কর আইনে ছিল না। মুহিত বলেন, আমি ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল খাত যেমন- ফেইসবুক, গুগল, ইউটিউব ইত্যাদির বাংলাদেশে অর্জিত আয়ের ওপর করারোপণের জন্য আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার আলোকে প্রয়োজনীয় আইনি বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করছি। এর ফলে আমাদের করের আওতা বাড়বে। তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে আমরা দেরিতে শুরু করলেও বর্তমানে বেশ এগিয়ে আছি। আমাদের কর ব্যবস্থাকে আধুনিক ও তথ্যপ্রযুক্তি-ব্যবহারী করার অনেক উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে নিয়েছি। এর ধারাবাহিকতায় আমি এ বছর থেকে করদাতাকে ই-মেইলে নোটিশ প্রেরণের বিধান কর আইনে সংযোজন করার প্রস্তাব করছি। তিনি বলেন, এছাড়া, বিভিন্ন দপ্তর ও এজেন্সির নিকট করদাতার যে আর্থিক তথ্য থাকে তা কর বিভাগের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেয়ার করার বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করছি। এর ফলে কর ফাঁকি মোকাবিলা করা অনেক সহজ হবে। তবে ভার্চুয়াল বাণিজ্যে মূসক আরোপের প্রস্তাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ তমাল। তিনি বলেন, অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা ই-কর্মাস ও এফ-কমার্সে এ ধরণের কর আরোপ করা হলে উদীয়মান এ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ খাতে খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে। বর্তমানে দেশে এক হাজারের বেশি ই-কমার্স কোম্পানি, ফেইসবুকভিত্তিক এফ-কমার্স প্রায় ২৫ হাজার এবং এক হাজারের মতো অনলাইন শপ রয়েছে জানিয়ে তমাল বলেন, ই-কমার্স ও এফ-কমার্স ছাড়াও অন্যান্য নানা ধরণের ভার্চুয়াল ব্যবসা সেবাও রয়েছে।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ