January 25, 2020, 5:45 am

শিরোনাম :
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ কখনো মুছে ফেলতে পারবে না – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে ফ্রান্সে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৩ জন রোগীর সন্ধান মিলেছে ইরানের হামলার ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর ৩৪ সেনাসদস্য শক্তিশালী ভুমিকম্পে কেঁপে উঠলো তুরস্ক, নিহত ১৮ বকশিগঞ্জ গারো পাহাড়বাসীর নির্ঘুম রাত ৫০ টর্চলাইট ৩ জেনারেটর বিতরণ ব্রাইটার্স সোসাইটি (বিএসবি) সংগঠন মৌলভীবাজার শাখার উদ্ভোধন প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ছড়িয়ে ভাইরাল করায় মেম্বারের ছেলেসহ গ্রেফতার ২ জুড়ীর ইয়াবা সম্রাট চুনু পুলিশের হাতে আটক সনেট প্রবর্তনের মাধ্যমে মহাকবি মাইকেল বাংলা সাহিত্যকে আধুনিকতার ছোয়ায় অলঙ্কৃত করেছেন মধুমেলার আলোচনায় মেলান্দহে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়

ফলেট প্যাপিলাইটিস

Spread the love

ফলেট প্যাপিলাইটিস

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

মুখের ভেতরেসহ বিভিন্ন স্থানের আলসার বা ঘায়ের মতো জিহ্বায় আলসার বা ঘা দেখা যায়। মুখের ভেতরে সবচেয়ে বেশি যে আলসার দেখা যায় তার নাম অ্যাপথাস আলসার। অ্যাপথাস আলসার সাধারণত এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। তবে সমস্যা বেশি হলে ভিটামিন বি-২ ট্যাবলেট একটি করে তিনবার ১৫ দিন খাওয়া যেতে পারে। সঙ্গে পোভিডন আয়োডিন ১% মাউথওয়াশও ব্যবহার করা ভালো। তবে কোনো রোগী বেশি দুশ্চিন্তা করলে বা কেউ যদি সারাক্ষণ মানসিক চাপে থাকে তবে সে ক্ষেত্রে অ্যাপথাস আলসার বার বার হতে পারে। এ ছাড়া রোগীর যক্ষ্ণা হলেও মুখে ঘা দেখা যেতে পারে। এ ধরনের আলসারকে টিউবারকুলাস আলসার বলে। জিহ্বার পেছনের দিকে এক ধরনের ঘা দেখা যায়। অনেক সময় ফোলাভাব লক্ষ্য করা যায়। তবে এই ফোলাভাব জিহ্বার পেছনের এক পাশে অথবা উভয় পাশেও হতে পারে। সাধারণত যেসব রোগীর জিহ্বায় পেছনের দিকে এক পাশে ফোলাভাব আছে কিন্তু অন্যপাশ স্বাভাবিক, তাদের ক্ষেত্রে রোগীরা তো বটেই নবীন ডাক্তাররা পর্যন্ত মুখের ক্যান্সারের প্রাথমিক অবস্থা ভেবে ভুল করেন। আসলে এ অবস্থাটির নাম ফলেট প্যাপিলাইটিস। জিহ্বার পেছনের অংশে ফলেট প্যাপিলা থাকে। ধূমপান, পান সেবন, অ্যালকোহল গ্রহণ অথবা নেশাজাতীয় যে কোনো দ্রব্য সেবনে ফলেট প্যাপিলার প্রদাহ হলে জিহ্বার পেছনে এই অংশে আলসারের মতো লালচেভাব দেখা যায় এবং সামান্য ফুলে যেতে পারে। ফলেট প্যাপিলাইটিসের ক্ষেত্রে আক্রান্ত স্থানে স্থানীয়ভাবে প্রয়োগকারী মলম ১৫ দিন ব্যবহার করা যেতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে স্টেরয়েড ইনহেলার প্রতিদিন এক পাফ পরিমাণ সকালে এবং রাতে মুখে সীমাবদ্ধ রেখে ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া সবধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য বর্জন করতে হবে। আশা করা যায় এভাবে চিকিৎসা নিলে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবে। তবে এর পরও সুস্থতা না এলে অবশ্যই বায়োপসি করা উচিত। সর্বোপরি, যে কোনো রোগীর উচিত নিজে ওষুধ না খেয়ে অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নেয়া।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ