September 17, 2019, 2:27 am

প্রশ্ন ফাঁসের ভুয়া খবর প্রচার না করতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

Spread the love

প্রশ্ন ফাঁসের ভুয়া খবর প্রচার না করতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার প্রথম দিন প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ না ওঠায় সন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ‘প্রশ্ন ফাঁসের ভুয়া খবর’ প্রচার না করতে গণমাধ্যমকর্মীদের অনুরোধ জানিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় এবং মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জেএসসির কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আমরা যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়েছি। গত এইচএসসি পরীক্ষায় কেউ সন্দেহের কথাও শোনেননি, এবারও সেই রকম প্রশ্ন কেউ তোলেননি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিলে প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগ বাড়িয়ে আপনারা (গণমাধ্যমকর্মী) বলেনৃ দয়া করে প্রমাণ ছাড়া কেউ বলবেন না, ছেলেমেয়ে আপনাদের সকলের, বিভ্রান্ত করবেন না। অনুরোধ করি ভুয়া বিষয়গুলো যেন প্রচার না হয়, তাহলে একটা সুযোগ পেয়ে যায়, তখন পাঁচজনে বলে। দেশের দুই হাজার ৯০৩টি কেন্দ্রে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে একযোগে শুরু হয়েছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা, যাতে অংশ নিচ্ছে ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন শিক্ষার্থী। প্রথম দিন জেএসসিতে বাংলা, বাংলা প্রথম পত্র (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য) এবং জেডিসিতে কুরআন মজিদ ও তাজবিদ বিষয়ের পরীক্ষা হচ্ছে। দেশের ২৯ হাজার ৬৭৭টি প্রতিষ্ঠানের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়াদের এই পরীক্ষা চলবে আগামি ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত। কয়েক বছর আগে কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষার হলে ঢুকে সমালোচনায় পড়া নাহিদ গত তিন বছর ধরে পাবলিক পরীক্ষার হলে না গিয়ে বারান্দা থেকে পরিদর্শন করছেন। সকালে মতিঝিলের দুটি স্কুলের পরিস্থিতি ঘুরে দেখার পর সাংবাদিকদের সামনে এসে তিনি দেশের শিক্ষা খাতের অগ্রগতি নিয়েও কথা বলেন। ২০০৯ সালে অর্ধেক শিশু বিদ্যালয়ে আসত না জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা ভর্তি হত তাদের ৪৮ শতাংশ পঞ্চম শ্রেণি শেষ না করেই ঝরে পড়ত। তাদের স্কুলে নিয়ে আসা ও ধরে রাখাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। এখান প্রতি বছরই শিক্ষার্থী বাড়ছে, ঝরে পড়া কমছে। অবশ্যই আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ মানসম্পন্ন ও গুণগত মান বৃদ্ধি করে সব ছেলেমেয়েদের গড়ে তোলা, এটা সারা দুনিয়ায় চ্যালেঞ্জ। অনেকে বলেন, (শিক্ষার) মান বাড়েনি, এটা ঠিক না। যুগের সাথে যা বাড়া উচিত হয়ত তাতে ঘাটতি আছে, শিক্ষকের সমস্যা আছে। সব মিলিয়ে তারা টিকে থাকে, আমাদের উদ্দেশ্যটা সফল হয়েছে।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ