June 7, 2020, 12:30 am

শিরোনাম :
করোনায় আক্রান্ত র‌্যাবের নির্বাহী হাকিম সরওয়ার আলম রাজশাহী বিভাগে আরও ৮৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত এযাবত আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ২৮৭ জন! শিবগঞ্জে পৌর মেয়র রাজিনের বিরুদ্ধে আ.লীগসহ সহযোগী সংগঠনের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন! শিবগঞ্জে পৌর মেয়র রাজিনের বিরুদ্ধে আ.লীগসহ সহযোগী সংগঠনের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন! যুবলীগ নেতার ছেলেকে মারপিটের ঘটনায় নাটোরে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি ভাংচুর! নওগাঁর বদলগাছিতে অজ্ঞাত ব্যাক্তির ফেলে যাওয়া শপিং ব্যাগ থেকে নবজাতক শিশু বাচ্চা উদ্ধার! কুয়াকাটায় দুই জেলেকে ৫হাজার টাকা জরিমানা প্রকৃত জেলেরা পাবে প্রজনন মৌসুমের বিশেষ সুবিধা কলাপাড়ায় এমপি মুহিবের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে এমপি মুহিবের ত্রান সহায়তা

প্রশাসনের শতচেষ্টা সর্তেও তানোরে করোনায় সতর্ক না হয়ে ঈদের কেনাকাটায় উপচে পড়া ভীড়

Spread the love

রুহুল আমীন খন্দকার, ব্যুরো প্রধান :

রাজশাহীর তানোরে মহামারী করোনার প্রাদুর্ভাবের মাঝেই ঈদের কেনাকাটায় মার্কেট ও দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। কোনপ্রকার নিয়ম নিতির তোয়াক্কা না করেই ঈদের কেনাকাটায় এসব বাজার গুলোতে নেমেছে মানুষের ঢ়ল। কোন ভাবেই মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি, তাইতো সচেতন নাগরিকদের মনে করোনার ভয় দানা বেঁধেছে পাশাপাশি এলাকার সুশীল সমাজের মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে আতঙ্ক।কয়েক দিন থেকেই লক্ষ করা যায়, তানোর উপজেলা সদরের গোল্লাপাড়া বাজার, মুন্ডুমালা বাজার, চৌবাড়িয়া বাজার, কালীগঞ্জ হাট, তালন্দ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সামাজিক দুরত্ব বজায়ের মাধ্যমে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা যাবে। সেখানে সকাল ১০টার আগেই ভোর ৬টা থেকে অনেক দোকানদার তাদের দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করছেন। কিছু কিছু দোকানদাররা বিকেল ৪ টার পরেও সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখছেন কেউ কেউ আবার দোকানেই ইফতারি করছে।এদিকে, অনেক সচেতন ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা না মেনে এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার ইচ্ছে থাকলেও ঈদ বাজারের জন্য ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়ের কারণে স্বাস্থ্যবিধির কোন নিয়ম মানা সম্ভব হয়ে উঠছে না। এমনকি সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার চেষ্টাও ব্যার্থ হয়ে হচ্ছে, কারন সকল ক্রেতারাতো আর এক সোমান সচেতন নয়। একেক জনের চিন্তা-চেতনা বা ধ্যান-ধারণা একেক রকম।অপরদিকে, ক্রেতারাও সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে হুমড়ি খেয়ে দোকানে দোকানে ঘুরে ঘুরে ঈদের কেনাকাটা করছেন। তাদের দেখে মনে হচ্ছে যেন কিছুই হয়নি, স্বাস্থ্যবিধি আবার কি। বিক্রেতাদের মাধ্যমে জানা যায়, কেনা কাটায় পুরুষ ক্রেতাদের চেয়ে নারী ক্রেতাদের সংখ্যাই বেশি। এসব নারী ক্রেতারা তাদের নিজের ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য প্রয়োজনীয় কেনাকাটায় ব্যাস্ত। তবে এবার বাচ্চাদের পোষাক কেনায় বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন নারী-রা। এখানে শাড়ী কাপড়ের দোকান, রেডিমেট কাপড়ের দোকান, কসমেটিকস ও জুতা-স্যন্ডেলের দোকানেই বেশী ভীড় দেখা গেছে।প্রশাসনিক সুত্রে জানা যায়, সীমিত পরিসরে দোকান খোলার সরকারের নির্দেশনা থাকলেও সুযোগে কিছু মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা সরকারের কোন দিক নির্দেশনা মানছেন না। মহামারী প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস এর সুরক্ষা কোনোপ্রকার সরঞ্জামাদি দোকানের সামনের রাখা হচ্ছেনা। ক্রেতারাও সামাজিক দুরত্ব বজায়সহ এসব স্বাস্থ্যবিধি মানতে চাচ্ছেন না এমনকি মানার চেষ্টা টুকুও করছেন না।এ ব্যাপারে, তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুশান্ত কুমার মাহতো গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, মহামারী করোনার প্রাদুর্ভাবের প্রথম থেকেই সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জনসচেতনতায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে যা বর্তমানেও চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যেই এলাকাজুড়ে প্রচার-প্রচারণায় হ্যান্ডবিল বিতরণসহ নিয়মিত ভাবে মাইকিং করা হচ্ছে, মাঝে মধ্যে ভ্র্যম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানাও করা হচ্ছে, কিন্তু ঈদের কারণে হয়তবা অনেকেই মানতে পারছেন না। তবে, এরকম চলতে থাকলে অচিরেই দোকান ও মার্কেট বন্ধের সরকারি কড়াকড়ি নির্দেশনা আসবে। তার পরেও বিষয়টিতে আমাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রয়েছে, দেশ ও মানুষের কল্যানার্থে নিয়ম বহির্ভূত কোন কিছু করলেই রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়াও তিনি ব্যাবসায়ী ও ক্রেতা সাধারণকে নিজের এবং পরিবার পরিজনদের করোনা সুরক্ষায় (জীবন বাঁচাতে) সামাজিক দুরত্ব বজায়ের পাশাপাশি সরকারি সকল নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৭ মে ২০২০/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ