November 13, 2019, 12:10 am

শিরোনাম :
সাদুল্যাপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক বৃদ্ধ নিহত গাইবান্ধা রেল স্টেশনে কাঠপট্টি এলাকার রেইন্ট্রি গাছের সাঁরি চিল কাকের অভয়ারণ্য গাইবান্ধায় হজ্ব ওমরাহ ও যিয়ারত সম্পর্কিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন গাবতলীর সরধনকুটি বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীদের বিদায় সংবর্ধনা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সুন্দরগঞ্জে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে-পাইপ লাইন কাজের উদ্ভোধন কেশবপুরে বিদ্যালয়ের গাছ চুরির অভিযোগে সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা! ভোলার মেঘনায় ট্রলার ডুবিতে ১০ জেলের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ভোলা-ঢাকা রুটে গ্রীন লাইন সার্ভিস নিয়ে লঞ্চ মালিক চক্রের ষড়যন্ত্র! রংপুর মহানগরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে ৭১’এর মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের সভা অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

Spread the love

পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

পেঁয়াজ উৎপাদনে আত্মনির্ভরশীলতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভারত হঠাৎ করে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে আমাদের বিপদে ফেলেছে। তাই পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়াতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরার (আইসিসিবি) নবরাত্রি হলে তিন দিনব্যাপী ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০১৯’ এর প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। টিপু মুনশি বলেন, আমাদের ভাগ্য ভালো, মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের ল্যান্ড কানেকশন রয়েছে। তাই আমরা মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছি। টেকনাফে ল্যান্ড করতে পেঁয়াজের আমদানি খরচ প্রতিকেজি পড়েছে ৭৫ টাকা। তাই পেঁয়াজের দাম কমছে না। এ সমস্যা সমাধান করতে হলে পেঁয়াজের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের দাম না কমার জন্য কিছু অসাধু ব্যবসায়ীও দায়ী। সরকারের ১০টি মনিটরিং টিম কাজ করছে। কিন্তু মনিটরিং করে পেঁয়াজের দাম শতভাগ কমিয়ে আনা সম্ভব নয়। কারণ এত জনবল নেই। মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। এত দূর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে ব্যবসায়ীদের মাইন্ড সেটআপ করতেও একটু সময় লেগেছে। তাই ধীরে ধীরে পেঁয়াজের বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে। তবে এ সমস্যা সমাধান করতে হলে পেঁয়াজ উৎপাদনে আমাদের স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি আয় পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার। চামড়াজাত শিল্পকে দ্বিতীয় রপ্তানি পণ্যে নিয়ে আসতে হবে। সেজন্য যা করণীয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে যদি আমরা পণ্য রপ্তানির পরিমাণ বাড়াতে চাই, তাহলে আমাদেরকে কোয়ালিটি বাড়াতে হবে। ব্র্যান্ডিং অনেক বড় বিষয়, এটার জন্য প্রয়োজন কোয়ালিটি বাড়ানো। বিদেশিদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, আমরা অপেক্ষা করছি, কবে এদেশে বড় বিনিয়োগকারীরা আসবে। সরকার সব ধরনের সহায়তা করবে। তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে রপ্তানি আয় ৫ বিলিয়ন ডলারে বাড়াতে রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। বাজারকে আপগ্রেড করতে হলে কোয়ালিটি বাড়াতে হবে। সেজন্য বুদ্ধিমত্তা দরকার। ব্র্যান্ডে পরিণত করতে দক্ষ জনবল দরকার। এখাতে রপ্তানি বাড়াতে কী কী দরকার, উদ্যোক্তারা জানালে মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে। মন্ত্রী বলেন, ভিয়েতনামের জনসংখ্যা আমাদের চেয়ে অনেক কম। তারপরও তাদের রপ্তানি আয় ২০০ বিলিয়ন ডলার। আমরা সেখানে কবে যাবো? এজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বাণিজ্যসচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন বলেন, ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের টার্গেট নিয়েছে সরকার। চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে। লেদারটেক বাংলাদেশ এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- এফবিসিসিআই’র সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিন ও বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মো. শাহীন খান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আস্ক ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন্স লিমিটেডের পরিচালক নন্দ গোপাল। লেদারটেক বাংলাদেশ-২০১৯’র সপ্তম এই আসরের আয়োজন আস্ক ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন্স প্রাইভেট লিমিটেড। এছাড়াও লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ তৃতীয়বারের মতো আয়োজন করেছে বাংলাদেশ লেদার ফুটওয়্যার অ্যান্ড লেদারগুডস ইন্টারন্যাশনাল সোর্সিং শো-২০১৯। আইসিসিবির পাঁচটি হলে আয়োজিত আন্তর্জাতিক এ প্রদর্শনীতে বিশ্বের ২০টি দেশের ৩০০টিও বেশি প্রতিষ্ঠান ফিনশিড লেদার, ট্যানিং লেদারের জন্য মেশিনারি, ম্যানুফ্যাকচারিং ফুটওয়্যার, চামড়াজাত পণ্যের প্রযুক্তি নিয়ে হাজির হয়েছে। মেলার বড় অংশজুড়ে ভারতের সিএলআই, আইএফসিএমএ, চীনের ওয়েনঝোও অ্যান্ড জিনজিয়াং অ্যাসোসিয়েশন ও পাকিস্তান ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক্সক্লুসিভ ফিনিশড প্যাভিলিয়ন রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ, কোরিয়া, তুরস্ক, মিশর, ভিয়েতনাম, যুক্তরাজ্য, শ্রীলঙ্কা, ইতালি, জার্মানি, সিঙ্গাপুর, জাপান, তাইওয়ান ও হংকংসহ ২০টি দেশের প্যাভিলিয়ন রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা চলবে। দর্শনার্থীরা কোনো টিকেট ছাড়াই বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারবেন। প্রদশর্নী চলবে ২ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ