July 20, 2019, 2:55 pm

শিরোনাম :
বহু কষ্টের পর অবশেষে ১কর্নার মা হলো প্রাইভেট ডিটেকটিভ পত্রিকার ভোলা জেলা প্রতিনিধি রুজিনা বেগম ইসলামপুরে বন্যার্তদের মাঝে মন্ত্রী আগমনে ত্রান বিতরন তাহিরপুর কয়লা আমদানীকারক গ্রুপের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ মিঠাপুকুরে ৩দিন ব্যাপি ফলদ বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন হাফছড়ি বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরন সুন্দরগঞ্জে বানভাসিদের দুর্ভোগ চরমেঃ বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি কনফিডেন্স পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর সাফল্যে গাথা ৮ বছর চৌদ্দগ্রামে এইচএসসিতে শতভাগ পাশ চার কলেজ বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অফিস না করেই বেতন ভাতা উত্তোলন করছে ডাক্তার ও দুই স্বাস্থ্য পরিদর্শক পাইকগাছার চাঁদখালীতে একাধিক জায়গায় কাঠ পুড়িয়ে তৈরী হচ্ছে কয়লা

পাগলের লক্ষণ নয় একা একা কথা বলা

Spread the love

পাগলের লক্ষণ নয় একা একা কথা বলা

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

অফিসে যাওয়ার পথে লিফটে একা একাই বলে ফেললেন ‘আজ অফিসে দেরী হয়ে গেল।’ অথবা মার্কেটের ওয়াশরুমে গিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজে দেখে নিজেই বললেন, ‘জামাটায় ভালো লাগছে দেখতে।’ আপনার এমন আচরণে পাশের ব্যক্তিটি হয়তো আপনাকে পাগল ভেবে বসতে পারে। কিন্তু গবেষকরা বলছেন অন্য কথা।

গবেষকদের মতে, একা একা কথা বলার আছে বেশ কিছু ইতিবাচক দিক। ক্লিনিকাল সোশ্যাল ওয়ার্কার, সাইকোথেরাপিস্ট এবং ‘ফাইন্ডিং ইউর রুবি স্লিপার্স: ট্রান্সফরমেটিভ লাইফ লেসনস ফ্রম দ্য থেরাপিস্ট কোচ’ বইয়ের লেখক লিসা ফেরেন্টজ এর মতে বর্তমান এবং ভবিষ্যতকে আরও ভালভাবে জয় করে নিতে একা একা কথা বলার জুড়ি নেই। মনের ভেতরের কথা বেখেয়ালে বলে ফেলার অভ্যাস এর মাধ্যমে নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয় যা সারাদিনের আত্মবিশ্বাসের যোগান দেয়।

লিসা ফেরেন্টজ বলেন, নিজের সঙ্গে নিজে কথা বলার চাইতে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। কারণ এতে নিজের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করা যায় এবং নিজের মানসিক অবস্থা বোঝা যায়। বিশেষ করে সারাদিন যদি নিজের অনেক দোষ শুনতে হয় এবং খারাপ ব্যবহারের শিকার হতে হয়, তাহলে নিজের সঙ্গে কথা বলে মনটা হালকা করা যায় সহজেই। তাই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একা একা কথা বলার অভ্যাসটা খুবই ভালো। এই অভ্যাসে মানসিক শক্তি বাড়ে।

ইউনিভার্সিটি অব লেথব্রিজ এর একটি গবেষণাতেও একই তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের উপর একা একা কথা বলার প্রভাব লক্ষ্য করে দেখা গিয়েছিল নিজের সঙ্গে নিজের নেতিবাচক এবং ইতিবাচক কথা বলার প্রভাব ব্যক্তির আচরণ, মনোভাব এবং দৃষ্টিভঙ্গির উপরে পড়ে।

তাই এরপর যখন নিজের সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে হবে, বলে ফেলুন। নিজেকে পাগল ভাবার কোনো কারণ নেই। আপনি সম্পূর্ণ সুস্থ। তবে রাস্তাঘাটে হঠাৎ একা একা জোরে কথা বলে উঠলে অপ্রস্তুত অবস্থায় পড়তে হতে পারে, এই বিষয়টিও মাথায় রাখুন। রিডার্স ডাইজেস্ট

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ