June 3, 2020, 2:27 am

পাকিস্তানি কাশ্মীরে ‘গুপ্তধন’

Spread the love

পাকিস্তানি কাশ্মীরে ‘গুপ্তধন’

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

কাশ্মীর উপত্যকার পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত অংশের মানুষ বলা চলে গুপ্তধনের ওপরই বসে রয়েছে। লাখো রুবি এই অঞ্চলের মাটির নিচে রয়েছে, যার বাজার দর অর্ধ শত কোটি মার্কিন ডলারের কাছাকাছি। কিন্তু সেগুলো তুলতে সেকেলে উপকরণ আর বিনিয়োগের অভাবে সেই গুপ্তধন মাটির নিচেই রেখে দিতে হচ্ছে।

হুমা রিজভি এই অঞ্চলের মূল্যবান পাথর ব্যবসায়ীদের একজন। তিনি বলেন, মিয়ানমারে যে উন্নত মানের রুবি পাওয়া যায়, ঠিক তেমন উন্নত রুবিই পাকিস্তানি কাশ্মীরের মাটির নিচে রয়েছে। তবে অনুন্নত উত্তোলনপ্রক্রিয়া এবং অবকাঠামো ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের অভাবের কারণে সম্ভাবনাময় এই অঞ্চলটি পেছনে রয়ে যাচ্ছে।

কাশ্মীর উপত্যকার এই অংশে একটি মাত্র খনি রয়েছে, আর রয়েছে একটি মাত্র অনুসন্ধানস্থল। এখানে সম্ভাব্য রতেœর খোঁজে খনিশ্রমিকেরা খননকাজ চালাচ্ছেন। কিন্তু প্রাদেশিক নির্বাহী কমিটি অনুমোদিত একটি ভূতাত্ত্বিক জরিপ থেকে জানা গেছে, এই অঞ্চলের মাটির নিচে ৪০ হাজার কেজির বেশি রুবি লুকিয়ে রয়েছে। কপার, সোনা ও রুপার মতো অন্য মূল্যবান পদার্থও রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার কেজির মতো।

পাকিস্তানি কাশ্মীরের খনি ও শিল্পোন্নয়ন কোম্পানির (একেএমআইডিসি) মহাপরিচালক শহীদ আইয়ুব বলেন, এই অঞ্চলে যে পরিমাণ মূল্যবান পাথর রয়েছে, তা উত্তোলন করা গেলে পুরো এলাকার ভাগ্যই বদলে যাবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এসব পাথর উত্তোলনের জন্য যে আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা দরকার বা নতুন খনি খনন করা দরকার, তার ব্যয় নির্বাহের মতো পর্যাপ্ত অর্থ নেই। ভারতের সঙ্গে বিতর্কিত নিয়ন্ত্রণরেখায় প্রায়ই গোলাগুলির ঘটনা ঘটায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও সেখানে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হচ্ছে।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ