October 14, 2019, 2:31 am

পদ্মার পানি বাড়ছেই লালপুরে দুর্ভোগে কয়েক হাজার পরিবার ডুবে গেছে ফসলি জমি, ভেসে গেছে পুকুরের মাছ

Spread the love

 

নাহিদ হোসেন নাটোর প্রতিনিধিঃ

পদ্মা নদীর পানি বাড়ছেই। নাটোরের লালপুর উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের পদ্মার চরে বসবাসকারী তিন হাজার পরিবার সহ উপরিভাগের কয়েক’শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। কয়েক হাজার জমির ফসল এখন পানির নিচে। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। বৃহস্পতিবার দুপুরে লালপুর ইউনিয়নের পানিবন্দি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবারসহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
জানাগেছে পদ্মা চরের নওসারা সুলতানপুর, দিয়াড়শঙ্করপুর, চাকলা বিনোদপুর, আরাজি বাকনাই, রসুলপুর, বাকনাই, বন্দোবস্ত গোবিন্দপুর, কাগমারি ও লালপুর চরের ঘরবাড়ি ছাড়াও নওপাড়া, পানসিপাড়া, মহারাজপুর, বাকনাই, আরাজি বাকনাই, মোহরকয়া গ্রামের শতাধিক ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। অধিকাংশ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। প্রতিনিয়তই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।
মোহরকয়া গ্রামের সুকচান আলীর ৫টি পুকুর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় ১৫ লাখ টাকার মাছ নদীতে বেসে গেছে বলে জানান তিনি। এছাড়া ্ওই এলাকার আন্ত: আরো ২০ পুকুরে মাছ ভেসে গেছে।
লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মুল বানীন দ্যুতি জানান, পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে। বিলমাড়ীয়া, লালপুর এবং ঈশ্বরদী এই তিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করার কাজ অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার লালপুর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় লালপুর ইউনিয়নের পদ্মার চরাঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে ৭ টন চাউল বিতরন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মুল বানীন দ্যুতি, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক, ট্যাগ অফিসার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রবীন কুমার প্রামানিক, লালপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক পলাশ, ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, ইউসুফ আলী, জাহাঙ্গীর আলম, ইউপি সচিব বাবর আলী প্রমূখ।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ