April 1, 2020, 7:21 pm

শিরোনাম :
ভৈরবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৮ জন কে আইনের আওতায় আনা হয় ও ১৭৫০০ টাকা জরিমানা করা হয় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রহ্মপুত্র নদে হিন্দু সম্প্রদায়ের অষ্টমী পালন কুয়াকাটায় দেয়াল চাপা পরে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থী নিহত গভীর রাতে কর্মহীন অসহায় মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন যশোরে কেটলির গরম পানিতে চা-দোকানির হাত ঝলসে দিল পুলিশ বাদাঘাট শ্রী কৃষ্ণ সেবা সংঘের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সাবেক ডিসি,আরডিসি,দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত ফুলবাড়ীতে বাজার পরিস্কার করলো রংধণু পাঠাগার ও চাষী ক্লাবের সেচ্ছাসেবীরা ভোলায় সাংবাদিকের উপর হামলা সেই চেয়ারম্যানের ছেলে নাবিল হায়দার গ্রেফতার রাজশাহী মেডিকেলে শুরু হয়েছো করোনা পরীক্ষা’ রিপোর্ট মিলবে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টায়

নিঃসন্তান বিধবা নারী বেগম দিলরুবা আজিজ এর আর্তনাদ

Spread the love

মোহাম্মদ ইকবাল হাসান সরকারঃ

ভূমি দস্যুর ভূয়া দলিল দিয়ে বাড়ী দখল।মাদক সেবন কারীর ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হতে স্বাভাবিক ভাবে বাঁচার তাগিদে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, দুদক চেয়ারম্যান, সি.আই.ডি প্রধান, পুলিশ প্রধান, র‌্যাব প্রধান, সাংবাদিক, তালাশ, একুশের চোখ, বিচার বিভাগ, মানবাধিকার ও স্থানীয় এম.পি, মেয়র এবং কাউন্সিলর মহোদয় সকলের আইনগত সাহায্য হস্তক্ষেপ কামনায়।

খোলা চিঠি
সুধি,
আসসালামু আলাইকুম। আমি নিঃসন্তান অবলা নারী, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানাধীন মহেশপুর গ্রামে যুদ্ধহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের আমার জন্ম। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আবুয়ার হোসেন এর ছোট বোন।আমার স্বামী মরহুম আব্দুল আজিজ গত ১০/০৩-২০১২ইং তারিখে (এক স্ত্রী) দুই বৈমাত্তিক ভাই ও দুই বৈমাত্তিক বোন রাখিয়া ইন্তেকাল করেন। আমার স্বামী তিনটি বাড়ি ৩৬/১, ৩৬/২ ও ৩৫/১ রাখিয়া ইন্তেকাল করেন। জীবদ্দশায় ৩৬/১ বাড়িতে স্বামী নিয়ে জীবনযাপন করিতাম। মৃত্যুর পরক্ষনে অপমান অপদস্ত করার পর নিত্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর রাখিয়া বের করে দেয়। ৩৬/২ বাড়ি আমার নামে নামজারী করিয়া খাজনা পরিশোধ করিতেছি। কিন্তু মৃত্যুর নয় মাস পরে দলিল দেখাইয়া ৩৬/২ বাজার বাড়ির জোর পূর্বক ভাড়া উত্তোলন করিয়া আতœসাৎ করিতেছে। ৩৫/১ বাড়ি জীবদ্দশায় হেবা দলিলে মাধ্যমে রেজিস্ট্রী করে দিলে নামজারী জমাভাগ করিয়া খাজনা ও আয়কর পরিশোধ করি ও বসবাস করিতেছি। বৈামিত্তক ভাইবোনগুলি যোগ সাজসেই আমার সম্পদ আতœসাৎ করার হীন মানসিকতায় আমার বৈমাত্তিক ননদ এর মেয়ে আজিজা বিনতে আজিজ কে দিয়া ভূয়া দলিল ৭৬৬৭/১২, সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর প্রধান করে, তখন তিনি নাবালিকা। ইতি পূর্বেই আজিজা বিনতে আজিজ দেওয়ানী মোকাদ্দমা নং ৮১৩/১৬, ৭৪০/১৭ ছলে নামা এবং গাড়ীর অনাপত্তিনামা আমার বৈমাত্তিক দেবর মোঃ শহিদুল ইসলাম এর স্থলে আজিজা বিনতে আজিজ জাল স্বাক্ষর প্রধান করে এবং বি.আর.টি.সি কর্র্র্তৃক আজিজা বিনতে আজিজ কে দিয়া শহিদুল এর স্থলে জাল স্বাক্ষর প্রদান করায় শহিদুলের আপন ভাই ভাগনির কর্মকান্ড আমার উপর দোষ চাপাইয়া, স্বজনপ্রীতি করিয়া একটি সি/আর ১৩২৪/১৮, কোড নম্বর ১৪ দায়ের নোটিশ গোপন করিয়া ওয়ারেন্ট পুলিশের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেন এবং জাল স্বাক্ষর এক্সপার্ট করিয়া আমার উপর দোষারোপ করার চেস্টায় তৎপর। মামলাটি চলামান। স্থানীয় গণ্যমান্য ও আদাবর থানার ওসি সদ্য কমিশনার আলহাজ্ব আবুল কাশেম এর উপস্থিতিতে চারবার শালিশ/বৈঠক করেও মিমাংসা করতে পারে নাই। উল্টো ৩৫/১ বাড়ি নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার। ভাইবোনগুলি কখনো বাদি খারিচ হলে আমার সাথে বিবাদি করিয়া ও স্বাক্ষী হইয়া একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করে। আমাকে স্বামীর সম্পদ হতে বঞ্চিত করার জন্য যত প্রকার ভূয়া কাগজপত্র তৈরী করা দরকার সবই করেছে। যা কোন সুস্থ মানুষ দেখলে অবাক হওয়ার মত। সমাজে এই শ্রেণীর মানুষ এখনো আছে। ৩৫/১ বাড়িতে বেআইনিভাবে সাইনবোর্ড লটকাইয়া দিয়াছে। ভাড়া দিতে দিচ্ছে না। মাঝে মাঝে বিদ্যুত লাইন কেটে দেয়। তাদের মিথ্যা মামলায় হাজিরা দিতে গেলে কিল ঘুষি দিয়ে জখম করে ও হাজিরা দিতে নিষেধ করে। নিরুপায় হইয়া আদাবর ও কোতয়ালি থানায় সর্বমোট সাতটি সাধারণ ডায়েরী করে কোন প্রতিকার পাইনি। স্থানীয় প্রভাব দৌরত্ব পেশি শক্তি এত বেশি গণ্যমান্য ব্যাক্তি শালিশ/বৈঠক করতে চায়না। কিছুদিন আগে ৩৫/১ বাড়ী দখল করার হীন মানসিকতায় গেট ভাংচুর করার সময় পুলিশের সাহায্য চাইলে পুলিশ আসিয়া পরিস্থিতি শান্ত করেন। এদের অত্যাচার নির্যাতনে আমি অসহায়া হয়ে পরেছি। তাদের মামলা পরিচালনা করতে মাঝে মাঝে আদালত প্রাঙ্গনে অসুস্থ হয়ে পরি। মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় না ফেরার দেশে চলে যাই। সাংবাদিক ও সি.আই.ডি স্যারদের অনুরোধ করিয়া বলি আসল রহস্য সুষ্ঠ তদন্ত স্বাপেক্ষে প্রতিবেদন করিয়া কর্তৃপক্ষের নজরে পৌছে দেওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। ঘুপটি মারা মানুষের বেরিয়ে আসবে আসল চেহারা। প্রকৃত দোষিদের বিচারের আওতায় আনিয়া ন্যায় বিচারের প্রার্থনা করছি। প্রিয় গোপালগঞ্জ বাসী আমি সকলের মানবিক সাহায্য কামনা করি। আমার মত কোন নিঃসন্তান বিধবা নারী যেন নির্যাতিত হতে না হয়। তাদের হুমকি ধুমকির ফলে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় বসবাস করছি ও মানবতার জীবনযাপন করছি। আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য ও নির্যাতিত অবলা নিঃসন্তান মেয়ে হিসাবে উপরোক্ত সকলের আইনগত সাহায্য হস্তক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি। এহেন মহানুভবতার জন্য আমি চির কৃতজ্ঞ থাকিব।এ ব্যাপারে গনপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সুদৃষ্টি দিবেন এবং বেগম দিলরুবা আজিজকে আইনগত সব ধরনের সহযোগিতা পেতে সহযোগিতা করবেন বলে দেশের সচেতন অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।বি:দ্র: আমার কাছে সকল ডকুমেন্ট আছে চাহিলেই দিতে সক্ষম হইব। যোগাযোগঃ বেগম দিলরুবা আজিজ
৩৫/১, উত্তর আদাবর, ঢাকা-১২০৭।স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: মহেশপুর, পোষ্ট: জুনাসুর, থানা: কাশিয়ানী জেলা: গোপালগঞ্জ।মোবাইল: ০১৭৯৯-৯২৪৪১৫

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২২ মার্চ ২০২০/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ