August 16, 2019, 2:26 am

শিরোনাম :
ভোলা বোরহানউদ্দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত পনেরোই আগস্টের খুনিরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তার আদর্শকে মুছে দিতে পারেনি – এমপি শাওন বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, একটি জাতি, একটি মানচিত্র, একটি পতাকা, আমাদের স্বাধীনতা – মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ইতালি ছাত্রলীগের জাতীয় শোক দিবস পালিত দায়িত্ব পালনকালে আমরা কাউকে চিনব না: দুদক চেয়ারম্যান বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু নেই: অর্থমন্ত্রী নয় জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২২ জনের মৃত্যু টিভিতে বিদেশী অনুষ্ঠান-সিরিয়াল অনুমতি ছাড়া প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা টপ টেনের শীর্ষে আলিয়া ‘সাহো’র আয় মুক্তির আগেই ৩২০ কোটি

নাইক্ষ্যংছড়ির পাহাড়ে টহল দেয়া অস্ত্রধারীরা কারা

Spread the love

অং মারমা,বান্দরবান জেলা প্রতিনিধিঃ

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির পাহাড়ে অজ্ঞাত পরিচয়ের কয়েক শ’ উপজাতি শসস্ত্র যুবককে টহল দিতে দেখা গেছে ! যা নিয়ে পথচারী ও এলাকাবাসীর মনে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, টহলরত এসব যুবকের পরনে ছিল খাকি কাপড়ের জলপাই রঙের জামা ও প্যান্ট, হাতে ভারী অস্ত্র ও পিঠে ছিল খাকি কাপড়ের ব্যাগ। সংখ্যায় তারা অনেক। শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আছরের নামাজের পর এসব অস্ত্রধারীকে পথচারীরা দেখতে পান প্রত্যক্ষদর্শীরা।প্রত্যক্ষদর্শী ভাড়ায় চালিত মটরবাইক চালক মো. ইব্রাহিম, মতিউর রহমান, শহীদুল্লাহসহ অনেকেই জানান, অন্যান্য দিনের মতো মটরবাইক চালাচ্ছিলেন তারা। লেবুছড়ি ষ্টেশন থেকে বিকেলে যাত্রী নিয়ে গর্জনিয়া বাজারের দিকে তারা রওয়ানা দেন। বাদে আছরের দিকে পৌঁছেন তুলাতলী-ভালুকখাইয়া এলাকায়। এ সময় তারা দেখতে পান কয়েক শত অস্ত্রধারী নাইক্ষ্যংছড়ি-লেমুছড়ি সড়ক দিয়ে পূর্বদিকে হেঁটে যাচ্ছে। তাদের গায়ে খাকি পোষাক, কাধে শর্ট গান ও ব্যাগ। তাদের বয়স ১৬ থেকে ৩০ এর মধ্যেই হবে। তবে যাত্রপথে তারা কোনো যাত্রীকে হয়রানি করেনি। নিরবেই সামনের দিকে হেঁটে যাচ্ছিল তারা। তারা নিশ্চুপ এ যাত্রার এক পর্যায়ে তুলাতলী পূর্বাংশ হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে গহীন পাহাড়ের দিকে চলে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, এ সব দৃশ্য দেখে তারা হতবাক হয়ে পড়েন। এ দৃশ্য দেখে অনেক যাত্রী ভয়ে কাঁপতে থাকে। আর আশপাশের লোকজনও আতংকগ্রস্থ হয়ে পড়ছিলো তখন।অপর প্রত্যক্ষদর্শী নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ভাল্লুক খাইয়া গ্রামের বাসিন্দা হাসান আলী এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি তার বাড়ির সামনে দিয়ে এসব অস্ত্রধারীদের উত্তর দিকে যেতে দেখেছেন। এরা অপরিচিত। সবাই উপজাতীয় যুবক। সবার হাতেই ছিল ভারী অস্ত্র। তিনি আরো জানান, এসব অস্ত্রধারী কারো সাথে কোনো কথা বলেনি। তারা নিজের মতো করে ভাল্লুক খাইয়া গ্রাম হয়ে তুলাতলীর দিকে চলে যায়।এ বিষয়ে শনিবার সন্ধ্যায় জানতে চাইলে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনর্চাজ আনোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি বিষয়টি তখনও জানতে পারেননি। তবে খোঁজ-খবর নেবেন তিনি।নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া আফরিন কচি জানান, তিনি বিষয়টি শোনার সাথে সাথে স্থানীয় সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে খোঁজ-খবর নিতে বলেছেন। তারা তাকে দ্রুত বিষয়টি জানাবেন। তার পর সব বলা যাবে।উল্লেখ্য, অস্ত্রধারীদের অবস্থানস্থল নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের মাত্র ৫ কিলোমিটার পূর্বদিকে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ