November 14, 2019, 9:13 pm

শিরোনাম :
জগন্নাথপুরে আওয়ামীলীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে চলছে পদ প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ সুন্দরগঞ্জে ২ মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সুনামগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী আন্তঃ উপজেলা কুস্তি প্রতিযোগিতা সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা চ্যাম্পিয়ন যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ৬ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক সুন্দরগঞ্জে সচেতনতামূলক গণ নাটক সংবাদ সম্মেলন মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণে গোবিন্দগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষীদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি মৌলভীবাজারে কুশিয়ারা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফুঁসে ওঠেছেন খলিলপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের মানুষ গোয়াইনঘাটে মাসিক সভায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পাথর কোয়ারী সচল রাখার সিদ্ধান্ত পিয়াজের দামে হতাস সাধার জনগন জেলার মহিলা শ্রেষ্ঠ করদাতা রাজারহাটের ফরিদা ইয়াসমিন

নতুন সড়ক আইনে বেড়েছে অপরাধের শাস্তি, শুরুতেই কড়াকড়ি নয়: ডিএমপি

Spread the love

 

অনলাইন নিউজ ঃ 

বেপরোয়া বা অবহেলায় মোটরযান দুর্ঘটনায় কেউ নিহত বা গুরুতর আহত হলে ওই চালকের সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল অথবা ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে কেউ হত্যার উদ্দেশে মোটরযান ব্যবহার করলে পেনাল কোডের ৩০২ ধারা অনুযায়ী দোষী ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড হবে। নতুন সড়ক পরিবহন আইনে ব্যাপক হারে বাড়ানো হয়েছে অন্যান্য অপরাধের শাস্তিও।

সড়ক দুর্ঘটনায় দেশে প্রতি দিন নিহত হন অন্তত ২০ জন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সিমতর হিসেবে ২০১৫ থেকে ২০১৮- এই চার বছরে সড়ক দুর্ঘটানায় নিহত হয়েছেন ২৯ হাজার ৩১৫ জন।

চালকের বেপরোয়া মনোভাব এবং অতিরিক্ত গতির কারণে ৯০ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে, বলছে বুয়েটের অ্যাক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট। এই নৈরাজ্য দূর করতে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮, কার্যকর হলো ১ নভেম্বর থেকে।

এই আইনের ১০৫ ধারায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তির বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত মোটরযান চালানোর কারণে সংঘটিত দুর্ঘটানায় কোন ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হলে বা তার প্রাণহানি ঘটলে ওই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এবং এই অপরাধের জামিন হবেনা।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই-রাব্বী বলেন, হত্যার উদ্দেশ্য প্রমাণিত হলে পেনাল কোডের ৩০২ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।

এদিকে, ৯৮ ধারায় বলা হয়েছে, যদি নির্ধারিত গতিসীমার অতিরিক্ত গতিতে বা বেপরোয়াভাবে বা ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং বা ওভারলোডিং বা নিয়ন্ত্রণীহীনভাবে মোটরযান চালনার ফলে কোন দুর্ঘটনায় জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি সাধিত হয় তাহলে চালক বা কন্ডাক্টর বা সহায়তাকারীর সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা ৩ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড হবে। যা জামিন অযোগ্য অপরাধ।

(৬৬) লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান চালালে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা ২৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড হবে।

(৭২,৭৫) রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সনদ ছাড়া বা মেয়াদউত্তীর্ণ ফিটনেস সনদ ব্যবহার করে মোটরযান চালালে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ২৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড।

(৮৫) ট্রাফিক আইন ও সংকেতের ব্যবহার অমান্য করলে সর্বোচ্চ ১ মাসের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা দুই শস্তিই হবে।

মোটরযান সম্পর্কিত অন্যান্য অপরাধের জেল-জরিমানাও বাড়ানো হয়েছে নতুন এই আইনে।

ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়, এই আইন প্রয়োগে প্রথমেই কড়াকড়ি আরোপ করা হবে না। তবে এই আইনের সফলতা পেতে হলে সঠিক তদন্তের ওপর জোর দিতে হবে।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ