November 12, 2019, 5:32 am

শিরোনাম :
সাঘাটায় স্কুল ছাত্রী অপহরণ করে ৭ দিন যাবৎ ধর্ষণ : ধর্ষক প্রিন্স মিয়া আটক পলাশবাড়ী পৌর শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নত করার দাবী ব্যাপক ভোগান্তিতে পৌরবাসী বোয়ালমারীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে চেয়ারম্যানসহ আহত ১০ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে মোরেলগঞ্জে ব্যাপক ক্ষতি বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে আওয়ামীলীগ-যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে দুর্ঘটনায় শ্রমিকের মৃত্যু গুরুদাসপুরে জলাবদ্ধতা !! হারিয়ে গেছে ৩০ গ্রামের মানুষের সুখ-শান্তি বেনা‌পোল কাস্টস হাউ‌জের গোপনীয় লকার ভে‌ঙ্গে স্বর্ণ, ডলার সহ মুল্যবান পন্য সামগ্রী চু‌রির অভিযোগ  শার্শায় আধিপত্য বিস্তার করতে বুলু বাহিনীর হামলা, দোকান পাট ভাংচুর ও লুট সহ- ৩ জন আহত শেষ হয়েছে পাহাড়ের মাসব্যাপী দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব

দাঁত বাঁকা হওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিলেন স্বামী

Spread the love

দাঁত বাঁকা হওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিলেন স্বামী

ডিটেকটিভ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দাঁত বাঁকা হওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন এক ব্যক্তি। ভারতের হায়দরাবাদে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এক নারী তার স্বামীর বিরুদ্ধে তিন তালাকের অভিযোগে মামলা করেছেন। জানা গেছে, চলতি বছরের ২৭ জুন মুস্তফার সঙ্গে বিয়ে হয় রুকসানা বেগমের। তারপর থেকেই তার স্বামী এবং তার পরিবারের সদস্যরা রুকসানা বেগমকে যৌতুকের জন্য চাপ দিয়ে আসছেন। পুলিশ জানিয়েছে, গত ৩১ অক্টোবর ভারতীয় দণ্ডবিধি ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী যৌতুক ও তিন তালাক আইনে মুস্তফার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এক পুলিশ কর্মকর্তা এএনআইকে বলেন, আমরা রুকসানা বেগমের কাছ থেকে তার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। দাঁত আঁকাবাঁকা হওয়ার কারণে তার স্বামী তাকে তিন তালাক দিয়েছেন এবং তাকে অতিরিক্ত যৌতুকের জন্য নির্যাতন করেছেন। রুকসানা বেগম বলেন, আমাদের বিয়ের সময় মুস্তফা এবং তার পরিবার যৌতুক হিসেবে অনেক কিছু চেয়েছিল। আমার পরিবার তাদের সব দাবি পূরণ করেছে। কিন্তু আমাদের বিয়ের পর আমার স্বামী আর শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে হেনস্তা করা শুরু করে আর আমার বাড়ি থেকে আরও টাকা পয়সা এবং গহনা আনতে বলে। মুস্তফাকে বিয়ের সময় আমার ভাই একটি মোটরসাইকেলও দিয়েছে। তিনি বলেন, তারা আমাকে প্রায় প্রতিদিনই নির্যাতন করেছে। আর মুস্তফা সব সময় বলে যে, আমার আকাবাঁকা দাঁতের জন্য আমাকে তার ভালো লাগে না, সে আমার সঙ্গে আর থাকতে চায় না। অসুস্থ হলেই শ্বশুর বাড়ির লোকজন বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দিত বলেও উল্লেখ করেন রুকসানা।

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ