July 13, 2019, 1:02 am

শিরোনাম :
তাহিরপুরে বন্যা কবলিত ৫ শতাধিক পরিবারকে আওয়ামিলীগ নেতা নিজাম উদ্দিনের আর্থিক সহায়তা প্রদান গোয়াইনঘাটে বন্যার্তদের মাঝে চাল বিতরণ ১৪ বছরপর কারামুক্ত সেই জাহাঙ্গীরের হাতে কর্মসংস্থানে অনুদানের চেক তুলে দিলেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বন্যা কবলিত ৬’শতাধিক পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরন করেন সুনামঞ্জ পুলিশ সুপার সন্ত্রাস মাদকের পক্ষে নৌকা মার্কায় ভোট দিন -উপজেলা চেয়ারম্যান সফিক পুন্ড্র মাল্টিমিডিয়ার আয়োজনে দেশীয় ফল উৎসব অনুষ্ঠিত পানির নীচে রাজারহাট মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ তানোরে আদিবাসী সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত যশোরে এমবিবিএস ডাক্তার করলেন সিজার বেনাপোল কাস্টমস এর এনজিও কর্মী সাদ্দামসহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-২
প্রতিকি ছবি

দশ মাস অতিবাহিত হলেও আলফাডাঙ্গায় তেত্রিশ লক্ষাধিক টাকার ডাকাতি করা মালামাল উদ্ধার হয়নি

Spread the love

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

প্রতিকি ছবি

৮ ডাকতের ৪ ডাকাত আটক হলেও গত ১০মাস অতিবাহিত হলেও ডাকাতির হাতে লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করতে না পারায় পুলিশের গাফিলতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার বিশিষ্ট ব্যবস্বায়ী হাজ্বী মাঈন উদ্দিন আহম্মেদ ওরফে ময়েন হাজ্বী। তিনি কিডনী স্থাপনের জন্য ভারত গমনের পূর্বে গতকাল ৬জুলাই শনিবার সকাল ১০টায় তার নিজ বাস ভবনে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিকদের সাথে কুশল বিনিময় কালে আক্ষেপ করে তিনি এ কথা বলেছেন। তিনি আরো বলেন এ সব মাল ফেরৎ তো দুরের কথা উল্টা আমার আরো ৫লাখ টাকা খরচ হয়েছে। উল্লেখ্য ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর বুধবার রাত ৩টার দিকে ৮-১০জনের একদল ডাকাত আলফাডাঙ্গা থানার পাশে পৌর সদর বাাজার সংলগ্ন বিশিষ্ট ব্যাবস্বায়ী হাজ্বী মাঈন উদ্দিন আহম্মেদের বাড়ির জানালার গ্রীল ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে মনেয় হাজ্বীর ছেলে জামিল আহম্মেদ সৈকতকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগত ৮লাখ টাকা, ৪৫ভরি স্বার্ণালঙ্কার, ২টি হিরার আংটি, ৫টি দামী মোবাইল সেট ও ২টি কমদামী মোবাইল সেট সহ ৩৩লক্ষ ৮ হাজার ৫শত টাকার মালামাল লুট করে পালিয়ে যায় ডাকাত দল। একই দিনে লুটকৃত মালামালের তালিকা এবং সি.সি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজসহ আলফাডাঙ্গা থানায় অবেদন করেন ময়েন হাজ্বীর ছেলে জামিল আহমেদ সৈকত। আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি মামলা হয়। আলফাডাঙ্গা থানর মামলা নং-০৬ তারিখ ১৭-১০-১৮ ইং। ধারা ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড রুজু। একই দিন পুলিশ ৪ ডাকাতকে আটক করে কোর্টে সপর্দ করে। আটককৃতরা হলেন গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার মহেষপুর গ্রামের ইসমাইল শেখের ছেলে মোঃ নজরুল ইসলাম (৩০),ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকার মিঠাপুর গ্রামের সোনামিয়ার ছেলে মোঃ সিরাজ মিয়া (৩৫),বোয়ালমারী উপজেলার সূয্যদিয়া গ্রামের অলিম শেখের ছেলে মোঃ আলমগীর শেখ ও একই উপজেলার তেলজুড়ি গ্রামের মোফাজ্জেল মোল্যার ছেলে মোঃ আনিচ শেখ। তবে ডাকাত দলের প্রধান বোয়ালমারী উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে এনায়েত হোসেন (৩৫),গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ঘুনাপাড়া গ্রামের জাফর মোল্যার ছেলে বাশার মোল্যা (৩৫),ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শিবপুর গ্রামের আব্দুর রহমান শিকদারের ছেলে মনির হোসেন শিকদার (৩৭) এবং নড়াইল জেলার লোহাগড়া সদরের লিয়াকত মিয়ার ছেলে হাচান মিয়া (৩২) কে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এ বিষয়ে জান্তে চাইলে মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা আলফাডাঙ্গা থানার (ওসি) তদন্ত ফয়সাল আহমেদ জানান উনি হয়তো বিষয়টি না জেনে মন্তব্য করেছেন। গত ৩০জুন ২০১৯ ইং ৮জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। ৪ আসামী ধরতে পেরেছি মুল হোতা এনায়েত ডাকাতসহ বাকি ৪জনকে আটকের চেষ্টা চলছে। ওদের ধরতে পারলে মালামাল উদ্ধার করা সহজ হবে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৬জুলাই ২০১৯/ইকবাল

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ