April 1, 2020, 10:25 pm

শিরোনাম :
ভৈরবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৮ জন কে আইনের আওতায় আনা হয় ও ১৭৫০০ টাকা জরিমানা করা হয় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রহ্মপুত্র নদে হিন্দু সম্প্রদায়ের অষ্টমী পালন কুয়াকাটায় দেয়াল চাপা পরে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থী নিহত গভীর রাতে কর্মহীন অসহায় মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন যশোরে কেটলির গরম পানিতে চা-দোকানির হাত ঝলসে দিল পুলিশ বাদাঘাট শ্রী কৃষ্ণ সেবা সংঘের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সাবেক ডিসি,আরডিসি,দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত ফুলবাড়ীতে বাজার পরিস্কার করলো রংধণু পাঠাগার ও চাষী ক্লাবের সেচ্ছাসেবীরা ভোলায় সাংবাদিকের উপর হামলা সেই চেয়ারম্যানের ছেলে নাবিল হায়দার গ্রেফতার রাজশাহী মেডিকেলে শুরু হয়েছো করোনা পরীক্ষা’ রিপোর্ট মিলবে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টায়

জৈন্তাপুরে জন-আলাপচারিতা নদী বাঁচলে আমরা বাঁচবো

Spread the love
এম,এম,রুহেল,জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ
জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, নদীই আমাদের বাংলাদেশের প্রাণ। নদী বাহিত পলির সঞ্চিতকরণে গড়ে উঠেছে এ জনপদ। জালের মতো ছড়ানো নদীগুলো এ ভূখন্ডের গঠন থেকে প্রতিরক্ষা-সর্বক্ষেত্রেই পালন করেছে অগ্রনী ভূমিকা। মহান মুক্তিযুদ্ধে নদীগুলো শক্রুর জন্য অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে। বাঙালির জীবন, সংস্কৃতি ও অস্তিত্বের সাথে নদীগুলো জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে। কিন্তু সে নদী গুলোকে নানামুখী অপরিকল্পিত কর্মকান্ডের মাধ্যমে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।এক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যক্তি বা বেসরকারী সংস্থার পাশাপাশি সরকারি নানা সংস্থা রও  ভূমিকা অস্বীকারের উপায় নেই। উন্নয়নের নামে স্থানীয় মানুষের মতামতের তোয়াক্কা না করে অনেক অপরিকল্পিত প্রকল্পের নামে নদীবিধ্বংসী কর্মকান্ডের মাধ্যমে ইতিমধ্যে অনেক নদীকে হত্যা করা হয়েছে। কোন কোন নদীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। নদী ও তার প্লাবনভূমির প্রাণ, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচি ত্র্যেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। যে বা যারা এসব নদীবিধ্বংসী কর্ম কান্ডের সাথে জড়িত তাদের সবাইকে জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। ’সারী-গোয়াইন প্রকল্পের মাধ্যমে বৈঠাখাল, পুটিখাল ও কাটাগাং নদী হত্যা: পরিবেশ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে প্রভাব’ শীর্ষক এক
জন-আলাপচারিতায় বক্তারা এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবস-২০২০ উপলক্ষে সারি নদী বাঁচাও আন্দোলন ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র যৌথভাবে আয়োজিত এ সমাবেশ ২০ মার্চ শুক্রবার জৈন্তাপুরের বড়গাঙ নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মুরব্বি আব্দুস শুকুরে’র সভাপতিত্বে ও সারি নদী বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি আব্দুল হাই আল-হাদীর সঞ্চালনায় এ জন-আলাপচারিতায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ কামাল আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মনোজ কুমার সেন, সমাজসেবী আলতাফুর রহমান, উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী মেম্বার, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরওয়ার বেলাল, সাংবাদিক মীর মোঃ শোয়েব, এম এম রুহেল, সোহেল আহমদ, সমাজসেবী আবুল হারিস শাহার, স্থানীয় মুরব্বি মুসা মিয়া, আব্দুস শুকুর হরুহুনা, শ্রমিকনেতা আফসার উদ্দিন প্রমুখ।এ সময় বক্তারা বিশ্বব্যাপি করোনা ভাইরাস নিয়ে সচেতনতামূলক বক্তব্যও রাখেন। কর্মসূচিতে সারী-গোয়াইন প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্থ শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।জন-আলাপচারিতায় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড সারী-গোয়াইন প্রকল্পের মাধ্যমে এককালের প্রমত্তা বৈঠাখাল, পুটিখাল ও কাটাগাং নদীর উৎসমুখে বাঁধ দিয়ে তিনটি নদীকে হত্যা করেছে। চুইচগেইটের মাধ্যমে পানি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রায় ১৫ কি.মি. এলাকাকে নদী থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। জীববৈচিত্র্যে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও মৎস্যভান্ডার খ্যাত একটি এলাকাকে পানিহীন ও জীবহীন এলাকায় রুপান্তরিত করেছে।প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় এ অঞ্চলকে সেচ সুবিধার মাধ্যমে শস্যভান্ডারে রুপান্তরের স্বপ্ন দেখালেও বাস্তবে তার কিছুই করা হয়নি। একটি বেড়িবাঁধ ও ¯øুইচগেইট নির্মাণ করে ফেলে রাখা হয়েছে। বর্তমানে পুরো অঞ্চলটি এক অনুর্বর বন্ধ্যা অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।এসবের দায়ভার পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নিতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় অধিগ্রহণ করা জমির মূল্য এখনো পরিশোধ করা হয়নি। প্রায় ১৫ টি বিল-হাওর-বাওর ধ্বংস হয়ে গেছে। পানি-বান্ধব শন, ইকড়, খাগড়া, হিজল-করচের বন উজাড় হয়ে গেছে। বন্যপ্রাণিগুলো হারিয়ে গেছে। নদীনির্ভর মানুষের জীবন ও জীবিকার উপর মারাত্বক প্রভাব পড়েছে।
জৈন্তাপুরে জনতার হাতে আটক দুই মটরসাইকেল চুরি
এম,এম,রুহেল,জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভপুর উপজেলা থেকে একটি মটরসাইকেল চুুরি করে জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখালে  বিক্রি করার সময় জনতার হাতে ধরা পড়ে দুই চুর।গত ১৯ মার্চ রাত ৯টায় উপজেলার লালাখাল বাজারে স্থানীয় যুবক ফয়সাল আহমদের কাছে  বিক্রির জন্য আলাপ-আলোচনা চলছে, এমন সময় জনৈক শামিম আহমদ’র কাছে  বিক্রিত মটরসাইকেলের চুক্তিপত্র লেখা হবে। তখন বিক্রিতা দের নাম পরিচয় জানতে চাইলে তারা একেক সময় একেকটা বলতে থাকলে তাদের উপর সন্দেহ হয় এবং জৈন্তাপুর মডেল থানায় সংবাদ দিলে এস.আই প্রদীপ ঘটনাস্থলে পৌছে
মটরসাইকেল এবং দুই চুরকে আটক থানায় নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে থানায় জিজ্ঞা সাবাদে তারা মটরসাইকেল চুরির বিষয়টি স্বীকার করে।আটককৃতরা হলো সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভপুর উপজেলার মতুরকান্দি গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে বিলাল হোসেন (২৮) ও একই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে আমির হোসেন (২৫)।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২১ মার্চ ২০২০/ইকবাল
Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ