October 11, 2019, 5:37 pm

জেনিফার নামের যে নারীকে নিয়ে নতুন সংকটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

Spread the love

জেনিফার নামের যে নারীকে নিয়ে নতুন সংকটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

ডিটেকটিভ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ব্রিটেন যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যাবতকালের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে, তখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এক কথিত কেলেঙ্কারিকে ঘিরে তীব্র বিতর্কের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। বরিস জনসন যখন লণ্ডনের মেয়র ছিলেন, তখন তিনি মেয়রের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার এক বান্ধবীকে সুযোগ-সুবিধে পাইয়ে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। নিয়ে এখন কোন ফৌজদারি তদন্ত হবে কিনা তা বিবেচনা করে দেখছে পুলিশের একটি তদারকি বিভাগ। এদিকে পুরো অভিযোগটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বর্ণনা করছে ডাউনিং স্ট্রিট। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বাংলা ওয়েবসাইট থেকে এসব তথ্য জানা গেছে

বরিস জনসনের এই কথিত বান্ধবী জেনিফার আরকিউরি একজন আমেরিকান ব্যবসায়ী। তার একটি তথ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আছে। বরিস জনসন এই প্রতিষ্ঠানটিকে বিভিন্ন আর্থিক অনুদান দেয়া এবং জেনিফার আরকিউরিকে সরকারি খরচে বিভিন্ন দেশে ভ্রমণে নিয়ে যেতে তার অফিসকে ব্যবহার করেন, এটাই অভিযোগ করা হচ্ছে। বরিস জনসন অবশ্য কোন ধরণের অনিয়মের কথা অস্বীকার করেছেন। তার ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে বলা হচ্ছে, এই পুরো অভিযোগ আসলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এই ঘটনাটি প্রথম জানা যায় গত সপ্তাহে সানডে টাইমসে প্রকাশিত এক রিপোর্টে। সানডে টাইমসের রিপোর্টে বলা হয়েছিল, জেনিফার আরকিউরি লণ্ডনের তৎকালীন মেয়র বরিস জনসনের ট্রেড মিশনের সদস্য হিসেবে বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং তার কোম্পানিকে কয়েক হাজার পাউন্ডের অনুদানও দেয়া হয়।

লণ্ডনের মেয়রের এবং তার অফিসের অন্য কর্মকর্তাদের কাজের তদারকি করে যে কর্তৃপক্ষ, সেই গ্রেটার লণ্ডন অথরিটি জানিয়েছে, তারা এই বিষয়টি ইন্ডিপেন্ডেন্ট অফিস ফর পুলিশ কন্ডাক্ট বা আইওপিসি’র কাছে চিঠি দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছেও একটি চিঠি পাঠিয়েছে গ্রেটার লণ্ডন অথরিটি। তাতে বলা হয়েছে, “২০০৮ সাল হতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত যখন আপনি লণ্ডনের মেয়র ছিলেন, তখন জেনিফার আরকিউরির সঙ্গে আপনার বন্ধুত্ব ছিল এবং এ কারণে আপনি মিজ আরকিউরিকে বিভিন্ন ট্রেড মিশনে অংশ নেয়ার সুযোগ দিয়েছেন এবং তাকে বিভিন্ন স্পন্সরশিপের মাধ্যমে অর্থ দিয়েছেন, যেগুলো তার বা তার প্রতিষ্ঠানের পাওয়ার কথা ছিল না।”

ডাউনিং স্ট্রিট বলছে, বরিস জনসন যা করেছেন তা সব নিয়ম মেনে এবং স্বাভাবিকভাবেই করা হয়েছে। সরকারের একটি উর্ধ্বতন সূত্রের ভাষ্য, এই অভিযোগটি এমন এক সময় তোলা হচ্ছে, যখন কনজারভেটিভ পার্টির সম্মেলন শুরু হচ্ছে। এটি যে ”রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” তা স্পষ্ট। তিনি আরও বলছেন, “এই অভিযোগের পক্ষে কোন প্রমাণ দেখানো হয়নি। আর এই অভিযোগ গণমাধ্যামে প্রচার করার আগে প্রধানমন্ত্রীকে এর জবাব দেয়ার কোন সুযোগও দেননি গ্রেটার লণ্ডন অথরিটির কর্মকর্তা।”

Facebook Comments
Share Button

      এ ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ